Sunday, May 31Welcome khabarica24 Online

স্বজন

চকিত প্রাণ : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চকিত প্রাণ : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চকিত প্রাণ অনমনে রয়ে করছে এপাশ ওপাশ, স্থিতিজড়তা আচ্ছন্ন থেকে মেলেনা হিসাব নিকাশ। সমান্তরালে হাঁটা তনু মনে, এ কেমন পরবাস? এরই মাঝে তাপদাহে শ্রান্ত, অগনিত উৎকন্ঠার প্রশ্বাস, অগোচরে হানা দেওয়া বালাই করছে পৃথিবীতে ত্রাস! প্রলয়ের ঢঙে দেখায় কেবল, আপন নীতির প্রকাশ! জানালার কাছে ডাকছে ঐ স্বাধীন মুক্তো আকাশ, ছাদ বাগানে ফুলের পাশে আমাদের মুগ্ধ গৃহবাস।
সোমা মুৎসুদ্দী’র দুটি কবিতা :  # মেঘবরণ কন্যা  # মন খারাপের দিন

সোমা মুৎসুদ্দী’র দুটি কবিতা : # মেঘবরণ কন্যা # মন খারাপের দিন

সোমা মুৎসুদ্দী'র দুটি কবিতা ------------------- মেঘবরণ কন্যা ---------------- যাবে তুমি আমার সাথে উজানতলী গাঁও মেঘ বরণা, রূপের কন্যা ওঠো আমার নাও আমার গাঁয়ে আছে শোন পাখ পাখালীর মেলা ফড়িং যেথা উড়ে উড়ে নিত্য করে খেলা বসতে দেবো পিড়ি পেতে খেতে দিবো পিঠা তোমার সাথে মনের সুখে বলব কথা মিঠা নাইতে নেমো দীঘির জলে পদ্ম ফুলের সাথে কইবে কথা চাঁদের সাথে পূর্ণিমারই রাতে মেঘবরণা রূপের কন্যা ওঠো আমার নাও তোমায় নিয়ে যাবোই আমি উজানতলী গাঁও ------------------------- --------------------- মন খারাপের দিনগুলোতে রবীন্দ্রনাথ থাকেই সাথে নতুন করে যোগ হলো যে অরিজিৎ এর গান শোনা নূতন আশায় স্বপ্ন বুনি নূতন করেই দিন গোনা। সকালেরই স্নিগ্ধ আমেজ মনে আমার,দেয় দোলা আকাশের মতো হয়না কেনো বন্ধু সবার,মন খোলা দূরের পাহাড় ডাক দিলো যায় ঘর ছেড়ে আজ বাইরে আয় ভালোটাকে গ্রহণ করে খারাপটাকে দে
নিস্ফলা গৃহ : নাসিমা হক মুক্তা

নিস্ফলা গৃহ : নাসিমা হক মুক্তা

দুঃখবিলাসী যৌবনের ইচ্ছেগুলো বির্বণ বিকেলের গায়ে ঝরে পড়ছে - জননীর অশ্রুবিন্দুতে। যেদিন সুখে ঘেমে ছিল ঘর সেদিন বৃক্ষের গায়ে জেগে ছিল চর। তখন থেকে নিভৃতে ওষ্ঠ শুষে ধ্যান করি - নিস্ফলা গৃহে যদি তোমার ঝর্ণা বেয়ে রক্তপাত নামে বরফগলা পানির ভেতরে কেবল তোমাকে জাগবো আবার।
পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা : # মুখোশ পরা মানুষ, # দহন ব্যাথায় তুমি

পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা : # মুখোশ পরা মানুষ, # দহন ব্যাথায় তুমি

------------------------- মুখোশ পরা মানুষ -------------------------- মাথায় তুমি বসে আছো চিন্তা শক্তির শত্রু হয়ে, ভাবনা গুলো চিবিয়ে খেলো-- মুখোশ পরা মানুষ যত। ভালো লাগার অলস সময় আসল নকল চিনতে থাকে, চেনা জানার পৃথিবীতে-- নষ্ট মানুষ রাস্তা মাপে। ঘুণ ধরেছে সমাজটাতে সংসার ভুলে ভাঙ্গতে থাকে, ভালবাসার রঙিন ঘরে-- অভিনয়ের গোলক ধাঁ ধাঁ। আমি তুমি নতুন হয়ে ঘুরতে থাকি ঘুর্ণিপাকে, অবুঝ মনে হাজার কথা-- জমতে থাকে দিনে রাতে। হৃদয় মাঝে সবুজ শিশু লতার মতো বাড়তে থাকে, ভালবাসার দাপট দেখায়-- সুখগুলো সব তুলে রাখি। মনের দামে মনকে চিনি চেনা জানার অভিজ্ঞতায়, দুচোখ ভরে স্বপ্ন দেখি-- স্বপ্নের সাথেই মাখামাখি। তুমি আমার অন্য ভাষা শিখতে গিয়ে যায় যে বেলা, সুখে দুখের অন্য মানুষ-- অন্য চাওয়ার উৎসব মেলা। ----------------------------------------- দহন ব্যাথায় তুমি -------০---
নারীর প্রেম : পারভীন লিয়া

নারীর প্রেম : পারভীন লিয়া

  নারীর কাছেই শিখেছো প্রেম শিখেছো ভালবাসা, নারীর কাছেই পেয়েছো সুখ-- এই নারীর কাছেই আশা। নারীই তোমায় যত্ন করে--- করে সর্ব চাওয়া পূরণ, নারীর মাঝেই সুখ খোঁজ তুমি নারীর মাঝেই হাসো। এই নারী আর সেই নারী নয় নারীকেই ভালবাসো--- অবহেলা আর অপমান করে নারীর মাঝেই বাঁচো। নারী তোমায় জন্ম দিলো ভীষন কষ্ট পেয়ে,আঁচল দিয়ে ঢেকে নিলো, আদর শাষনে বড় হলে তুমি এই নারীর অবদানেই। নারীই তোমার আদরের বোন, নারীই, ভাগ্নি, ভাস্তি, এই নারীই তোমার মা,খালা হয় নারীই ফুফু, চাচী। নারী শুধুই অবহেলা নয় ভালবাসার জন্য, বোঝলে ভালো না বোঝলে অন্য পথে চলো, নারীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নতুন কথা বলো। পুরুষ তুমি নারী ছাড়া অসম্পু্র্ণ এক শূণ্য অনাথ জাতি, তোমার চোখের স্বপ্ন পুরণে-- জ্বালাও নারীর চোখেই বাতি।।
পরম বন্ধু : বিজয় দে

পরম বন্ধু : বিজয় দে

মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার যেমন চলার কথা তেমনি চলছিল। বাবা বিদেশে মোটামুটি সংসার চলার মত চাকুরী করতো। তাই সংসারের পরিচালনা দায়িত্ব ছিল মায়ের উপরই। সব সময় যে ভাল যাবে তাও কিন্তু নয়। কয়েকমাস ধরে পরিবারের আর্থিক অবস্থা বলতে গেলে প্রচন্ড খারাপ। শখ ছিল ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াবে। সরকারীতে পড়তেও কপাল লাগে। সব কপালের দোষ দিলেও হয়না। যাক সেই কথা। ছেলেকে শখ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে দিল। প্রতি সেমিস্টারে মোটা অংকের বেতন দিতে কোন সমস্যা হতনা আগে। সেমিস্টার টাকা দেওয়ার সময় হয়েছে। কিন্তু এদিকে মা বাবার সেটা মনে নেই। কিভাবে মনে থাকবে এ অভাবে। আর ছেলে বললে তো তাদের স্মরণ হবে তাই না। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নোটিশ দিল বেতন দেওয়ার। কিন্তু পরিবারের এ অবস্থা দেখে সে কিছু বলেনি। ভাবছিল আরো কিছুদিন যাক তবেই বলবে। এভাবে অনেকদিন চলে যায়। আর এদিকে বেতন জমা দেওয়ার নিদির্ষ্ট সময় শেষ হয়ে গেছে
টের পাও কি ? : ফেরদৌস কান্তা

টের পাও কি ? : ফেরদৌস কান্তা

চেয়ে দেখো বন্ধু, ভীষণ সভ্যতায় শহরটা আজ জ্বলছে পুড়ছে শব্দহীন; শহরটার বুকের ভেতরে কেমন ঘায়ে পচনের গন্ধ! এখানে এখনো সোঁদা মাটির গন্ধে সকাল হয়, সভ্য শহরে শিউলি, বকুল কিংবা হাসনে-হেনার আকালও নেই; যদিও শিশিরেরা মাটিতে নামার আগেই মিলিয়ে যায় অভিমানী পাখায় ভর করে। তুমি কি বন্ধু টের পাও? ঝিম ধরে পড়ে থাকে কেবল এক একটি দিন, দীর্ঘ ক্লান্তিকর দুপুরগুলি ফুঁসতে থাকে প্রচণ্ড উত্তাপে। যেনো বা শহর পোড়া ছাই দিয়ে মেতে উঠবে ধ্বংস উৎসবে, আনমনা আর একঘেঁয়ে সুরে কে যেনো বাঁশি বাজায় দূরে! মৃতদের মিছিল হেলেদুলে নগরীর দিকে ধায় ক্রমশ - অতঃপর একটা একটা করে প্রহর ফুরায়, ফুরায় স্বপ্নেরা।
অনুগল্প  #  অস্থির চোখে চেয়ে দেখি তোমার শহর  : পারভীন লিয়া

অনুগল্প # অস্থির চোখে চেয়ে দেখি তোমার শহর : পারভীন লিয়া

---------০------- এতটা বাড়াবাড়ি বিরক্তিকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে যদি বোঝতে পারতাম, তাহলে তোমার দেশে নিরবে হাসি মুখে চলে আসতাম একটা প্লেনের টিকেট কেটে। অন্তত একে অপরের আত্তার মাঝে নির্বিগ্নে আনন্দের আয়োজনে বেঁচে থাকার খেলা করতে পারতাম। নিষ্ঠুর ভয়াবহতায় আজকাল ভয় লাগছে আমার মানুষের জন্য, প্রিয় আপনদের জন্য। এখন আর মানুষ মানষের জন্য কথাটি খুব বেশি কাজে আসে না কারণ ছোঁয়াচে মরণব্যাধি জানো তুমি। বিষন্ন বাতাসে, অন্ধকার সাদা কালো পৃথিবীতে এখন লাশের মিছিলে কত অচেনা মুখ তিন টুকরো সাদা কাপড়ে দাফন হয়ে যাচ্ছে ঐ মাটির কবরে নির্দয়ে। রাতের অন্ধকার শুধু এখন রাতেই সীমাবদ্ধতায় নেই। বাহিরের আলোয় কিবা আসে যায়, যেখানে আবদ্ধ জীবন বোবা তিমিরের গর্ভে। ফিরে এসো না এখানে। কোন রকম বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কান্না শুনতে পারবেনা তুমি। চারিদিকে অসহায় মানুষ পাগলের মতো অনিশ্চিত সামনের দিনগুলোর কথাও এখন ভাবতে পা