Sunday, September 23Welcome khabarica24 Online

মুক্তাঙ্গন

আমিরাতে বাংলাদেশ সমিতির কাছে প্রবাসীদের প্রত্যাশা

আমিরাতে বাংলাদেশ সমিতির কাছে প্রবাসীদের প্রত্যাশা

: মুহাম্মদ রফিক উল্লাহ : আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র বৈধ সংগঠন বাংলাদেশ সমিতির কাছে প্রবাসীদের অনেক চাওয়া-পাওয়া ও প্রত্যাশা রয়েছে হরহামেশা। এমনটি শুনে আসলেও কতটুকু পুরণ করতে পেরেছেন তারা! তা পাঠক মহলে ছেড়ে দিলাম। আজ আমার এই ক্ষুদ্র লেখার মাঝে যা লিখেছি তা আমার একান্ত ব্যক্তি মতামত ছাড়া আর কিছু নয়। আমি মনে করে আমার এই লেখার মাধ্যমে প্রবাসীদের সামান্য উপকার হলে নিজের লেখাটা স্বার্থক মনে করবো। আরব আমিরাতে দেশীয় মিডিয়াতে কাজ করার সুবাধে বিগত ৫ বছর ধরে বাংলাদেশ সমিতিকে আমার পক্ষে সামান্য জানা সম্ভব হয়েছে। কথায় আছে, বৃক্ষ তার ফলে পরিচয়। বাংলাদেশিদের এই সমিতির কথা শতকরা ৮৫ ভাগ প্রবাসীর জানা আছে কিনা সন্দেহ। বাল্যকালে আব্বার কাছে যখন স্বরবর্ণ ব্যাঞ্জনবর্ণ শেষ করে যুক্ত বর্ণের মিলন শিখলাম তখন পড়েছি “যত জন তত মন” ঠিক তেমনি ভাবে প্রবাসের বুকে জনে আর মনে অনেক সংগঠন
সময়ের এক ফোঁটা

সময়ের এক ফোঁটা

আবু সাইদ আমার এমন এক সময় ছিলো চিনতাম না কিছুই, চার-দেয়ালের গন্ডির বাহির কোন পথ। শৈশবের বাল্য বন্ধুরাই আমার একমাত্র জীবন চলার সাথী। মায়ের মমতা বাবার স্নেহ প্রতিবেশির কোলাহল মুগ্ধ করতো আমাকে। ভার্চ্যুয়াল জগত বলতে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না। ২০১২ সালের কথা, আমি হাতে একটি ফোন পাই, সাথে সিম কিন্তু বাদ যায়নি। যথাযথ ভাবে আমি তখন কোন এক বড় ভাইয়ের মুখে ইন্টারনেট নামক শব্দটি সাথে পরিচিত হই। তখন থেকেই আমার মনের ভিতর নানা ধরনের প্রশ্নের দানা বাঁধতে শুরু করে, আসলে এইটা কি? এক বড় ভাইয়ের সহায়তায় ফেসবুক একাউন্ট খুলি। শুরু হয় ফেসবুকে আমার পথ চলা। ধীরে ধীরে আমি ফেসবুকের প্রতি চরম আসক্ত হয়ে গেলাম। আমার নিদ্রা, ঘুম, খেলাধুলা সব কিছু দিন দিন ভুলতে বসলাম। যা আমার জীবনে এক ধরনের বিরূপ প্রভাব ফেলতে লাগল। তখন আমার বয়স সবে মাত্র ১৪ ছুঁই ছুঁই। যদিও আমি ইন্টারনেট চালানোর তেমন উপযোগী ছিলাম না। কিন্তু এই ফেসবুক
প্রতারিত প্রবাসীরা অনেকেই জড়িয়ে যায় অপরাধের সাথে !

প্রতারিত প্রবাসীরা অনেকেই জড়িয়ে যায় অপরাধের সাথে !

: মোহাম্মদ আল-আমীন :   প্রবাসের যদি আরেকটা বিকল্প নাম দেয়া হয় তাহলে সেই নামটি হবে “কষ্ট” এতে কোনো সন্দেহ নাই । অনেককেই মাঝে মধ্যে বলতে শুনি শখের বসে সে বিদেশ এসেছেন। এই কথাটা আমি কোনো ভাবেই মানতে পারিনা এবং ভবিষ্যতেও মানতে পারবো না। তবে হ্যা সবাই যে একেবারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর উপার্জনের জন্য বিদেশ আসে তা কিন্তু নয়। অনেকেই মোটামুটি সুখের সংসার ছেড়ে আরো ভালো সুখের আশায় বিদেশ আসেন। আবার অনেক উচ্চ-উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারের লোকও নামিদামী কিছু বহুজাতিক কোম্পানীর চাকুরী নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। আর মধ্য এবং নিম্মবিত্তদের বিদেশের ভবিষ্যতটা কেমন হবে সেটা কাজে যোগদানের আগ পর্যন্ত থাকে একেবারেই ধারনার বাইরে। কিন্তু তাদের মধ্যে নুন্যতম একটা আত্নবিশ্বাস থাকে যে বিদেশে তার জীবনটা এমন হতে পারে। এখানে আসার পর আত্নবিশ্বাস আর দেশ থেকে শুনে আসা কথার সাথে অনেকের বাস্তবতা মিলে যায় পুরোপুরি, অনেকে পায় ধারন
দুবাই ওয়ালার সাত কাহন

দুবাই ওয়ালার সাত কাহন

: এস. এম. মনসুর নাদিম :   প্রবাস জীবন যদিও মধুর তথাপিও কারো কাম্য নয়। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে নির্ভেজাল এই সত্য উক্তিটি বিদেশী এক লেখকের। মেহের আলী (৪৫) এর বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিক ছড়িতে।বুকভরা আশা হৃদয়ে লালিত ছোট ছোট স্বপ্নগুলো নিয়ে আর দশজনের মতো দুবাই এসেছিলো উট চড়ানোর কাজে। ভেবেছিলো কয়েকটা উট, গরু, ভেড়া/ ছাগলের দেখা-শোনা করা তেমন আর কঠিন কি। কিন্তু সেতো জানতোনা, তারজন্য অপেক্ষা করছে একশো টি উট আর দেড়শটি ছাগল। দুবাই থেকে তার মনিব এসে তাকে নিয়ে গেলো সৌদিয়া সীমান্ত সংলগ্ন সিলা’তে মনিবের বাড়িতে। মনিব বয়স্ক এক বেদুঈন মহিলা। একমাস মনিবের বাড়িতে কাজ করার পর, মনিব তাকে নিয়ে সৌদিয়া সীমান্ত পার হয়ে জনমানব শুন্য এক অনন্ত দিগন্ত বিস্তীর্ন মরুপ্রান্তরের একটি তাঁবুতে রেখে আসলো। যেদিকে চোখ যায়, বালি আর বালি। প্রখর রৌদ্র করোজ্জ্বল আকাশ মরুপ্রান্তর দিগন্ত একাকার। এখানেই বেদুঈন বুড়ির একশো টি উট আ
খবরিকা অগ্রযাত্রার মিছিলে

খবরিকা অগ্রযাত্রার মিছিলে

এস, এম, মনসুর নাদিম দীর্ঘ দুই যুগ দুবাইর একটি কোম্পানিতে চাকরি করার সুবাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘোরার সুযোগ হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন দেশের, ভিন্ন ভিন্ন ভাষার বিভিন্ন জাতির সাথে মিশেছি। ভিন্ন সংস্কৃতি দেখে কিছুটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রবাসে মানুষ কিভাবে দিন যাপন করে তা দেখতে দেখতে দুই যুগ পেরিয়ে গেলো। মা- বাবার আদর, ভাই- বোনের ভালোবাসা, স্ত্রীর প্রেম সবকিছু বিমান বন্দরের অশ্রুতে ধুয়ে প্রবাসের অপরিচিত পরিবেশকে আলিঙ্গন করেছি। আমার দীর্ঘ প্রবাস জীবনটাকে আমার কাছে একটি চলন্ত ট্রেন মনে হয়। মাঝে মাঝে ষ্টেশনে দাঁড়ায়, কিছু যাত্রী নেমে যায় আবার কিছু যাত্রী উঠে বসে। আমিই শুধু আমার প্রবাস ট্রেনের দীর্ঘ পথযাত্রি। এই দীর্ঘ যাত্রায় আমার বগী থেকে কতজন যাত্রী নেমেছে, আর কতজন যাত্রী উঠেছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। সেই সত্তরের দশকের শেষের দিকে লেখা- লেখি শুরু। প্রথম যেদিন (১০ আগস্ট ১
‘ সুরাকসিত চেলি, হামরো জিম্মেউয়ালী ’ : নেপালে গ্লোবাল চেইঞ্জ ক্যাম্পেইন

‘ সুরাকসিত চেলি, হামরো জিম্মেউয়ালী ’ : নেপালে গ্লোবাল চেইঞ্জ ক্যাম্পেইন

: মোহছেনা মিনা : বিদেশের মাটিতে আড়াই মাস ব্যাপী গ্লোবাল চেইঞ্জ ক্যাম্পেইন কোর্স ‘সেইফ সিটি ফর ওমেন’ শীর্ষক বিষয় ভিত্তিক ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হলো। নেপালের কাঠমুন্ডুর গ্লোবাল প্লাটফর্মে একশন এইড কর্তৃক আয়োজিত এ ক্যাম্পেইন কোর্সে বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা ১৩ জন একটিভিস্টা অংশগ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ থেকে আমি (মোহছেনা মিনা), আহনাফ তামিদ ও আসাদুল হক অমি, পাকিস্থান থেকে গোলাম জিলানী ও মাহমুদ বাজাই, ডেনমার্ক থেকে এমিলি এবং নেপাল থেকে শিশির, এঞ্জেলা, আসমা, বিনীতা, কিরণ ও সুরাজ। আমাদের ট্রেইনার হিসেবে ছিলেন একশন এইডের নীলস, আমান, বিকাশ ও জিনিতা। আমাদের ক্লাস চলতো প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। ইংরেজি লেকচারের মাধ্যমেই ক্লাসে ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন টুলস নিয়ে আলোচনা করা হতো। প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হলেও পরে ঠিক মানিয়ে নিয়েছিলাম। ক্লাসে মনোযোগ বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষরা বিভিন্ন ধরনের গেম খেলতে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি পুরোনো সাক্ষাকৎকার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি পুরোনো সাক্ষাকৎকার

খবরিকা ডেস্ক : ওরিয়ানা ফ্যালাচি ইটালীর বিখ্যাত মহিলা সাংবাদিক। রোম থেকে প্রকাশিত ‘এল ইউরোপিও’পত্রিকার সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। সত্তুর দশকের প্রায় পুরো সময় জুড়ে বিশ্বের বিতর্কিত বহু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎকার গ্রহন করে তিনি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এসব সাক্ষাৎকার বিশ্বের প্রধান সকল ভাষায় অনূদিত ও পুনঃ প্রকাশিত হয়েছিল। ফ্যালাচির আক্রমণাত্মক প্রশ্ন সাংবাদিকতার নিয়ম নীতি অনুসারে বস্তুনিষ্ঠতা থেকে বহু দূরে এবং সেজন্যে তাকে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল বহুবার। তিনি যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন তাদের অবস্থান ও মর্যাদার প্রতি তিনি ভ্রুক্ষেপ না করে অনেক ক্ষেত্রে সীমা লংঘন করে ফেলেছিলেন। কিন্তু যে সাহসিকতার সাথে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একনায়কদের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং প্রশ্নবানে জর্জরিত করেছিলেন তা বহুল প্রশংসিত হয়েছিল। পাঠকরা যেন তার সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে সরাসরি
পুরুষ নির্যাতন বিরোধী সংগঠন ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন’

পুরুষ নির্যাতন বিরোধী সংগঠন ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন’

নিজস্ব প্রতিনিধি : নারী নির্যাতন বন্ধ করতে আইন প্রনয়ণ ও কার্যকরে প্রশাসনের উচ্চপর্যায় থেকে শুরু করে নিম্নপর্যায় পর্যন্ত যেখানে হাঁপিয়ে উঠেছে সেখানে পুরুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন অবাক হওয়ার মতোই। এবার দেখা মিলল তেমনই একটি সংগঠনের। সংগঠনটির নাম ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন-বাংলাদেশ’। পুরুষকে নারী কর্তৃক নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ভালবাসা দিবস উপলক্ষে সদস্যরা স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শুক্রবার (১৪ ফেব্র“য়ারি) আনন্দ ভ্রমণে আসেন মীরসরাইয়ের মহামায়াতে। সংগঠনটির সভাপতি ডা. মাহফুজুর রহমান জানান, “সরকার নারী নির্যাতন বন্ধ করতে কাজ করছে। কিন্তু অনেক পরিবার আছে যেখানে ক্ষমতাশালী নারী কর্তৃক ঘরের পুরুষরা নির্যাতিত হয়। সেসব নির্যাতন বন্ধ করে সুন্দর পরিবার গড়তেই আমাদের সংগঠনের পথচলা। তবে এই সংগঠনের কার্যক্রম আমাদের স্ত্রীরাও উপভোগ করেন।” এদিনটিকে স্মরণ