Thursday, November 15Welcome khabarica24 Online

কবিতা ও গল্প

নিজামপুরে নাচে গানে কবিতায় হৈমন্তি সাহিত্য আসর : স্বজন নিজামপুর ইউনিট গঠন

নিজামপুরে নাচে গানে কবিতায় হৈমন্তি সাহিত্য আসর : স্বজন নিজামপুর ইউনিট গঠন

মাহবুব পলাশ :: ঝাউ গাছের দোল খাওয়া ঢালের ফাঁকে পূর্বদিকের সারি সারি ঢেউ খেলানো নীলিমা ছোঁয়ানো পাহাড়। স্বচ্ছ আকাশের পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘমালার অপরুপ প্রকৃতির মেলায় নিজামপুর কলেজের যুগান্তর স্বজন বন্ধুরা নাচে গানে কবিতায় একাকার হয়ে হারিয়ে গিয়েছিল হৈমন্তি সাহিত্য আসরে। কবিতা, গান আর শৈল্পিক নৃত্যের তালে পুরো বেলাটুকুন পুরো প্রকৃতি ও যেন বিমুগ্ধতায় বিমোহিত হয়েছিল সেদিন। সোমবার ( ২৭ নভেম্বর) নিজামপুর কলেজের সেমিনার কক্ষে অধ্যাপিকা সারওয়াত নাজনীন এর সভাপতিত্বে, কবি ও সাংবাদিক মাহবুব পলাশের সঞ্চালনায় উক্ত সাহিত্য আসরে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সহ ৩ টি মহাকাব্যের রচয়িতা মহাকবি কাইয়ুম নিজামী। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিজামপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ রফিক উদ্দিন। বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডাঃ জামশেদ আলম। কবি নজরুলের ‘দাও সৌর্য্য দাও ধৈর্য্য হে উদার নাথ,
কবি বিদিশা দাস  এর কবিতা এই খুশির ঈদে

কবি বিদিশা দাস এর কবিতা এই খুশির ঈদে

এই খুশির ঈদে  *** বিদিশা দাস  *** আমি বেশি কিছু চাইনা ! শুধু এতটুকু চাই, কিছু চাওয়া তার পাওয়া খুঁজে পাক, কিছু করুণ মুখে ফুটুক খুশির হাসি, কিছু এতিম শিশু পেটভরে খেতে পাক, মনের আঁধার কোণে কিছু আলো পৌঁছাক । কিছু দুঃখ-ব্যথার অশ্রু ধুয়ে মুছে যাক, কিছু আশা দীপ জ্বালুক না বাতায়নে ! যত হিংসা-বিদ্বেষ জ্বলেপুড়ে হোক খাক, সব শূণ্যতার মুঠোগুলো পূর্ণতায় ভরা থাক । কিছু আনন্দ ভাগাভাগি করে নিক মন, ধনী-দরিদ্র,দুঃখী-আর্ত-আতুর নির্বিশেষে সেমাই ফিরনি খাওয়ার সকল আয়োজন, তবেই হবে সবাই প্রকৃত মানুষ প্রভুর প্রিয়জন ।।
কবি অহিদুল ইসলামরে কবিতা “স্বপ্ন দিগন্ত”

কবি অহিদুল ইসলামরে কবিতা “স্বপ্ন দিগন্ত”

স্বপ্ন দিগন্ত অহিদুল ইসলাম স্বপ্ন দিগন্তে স্বপ্ন ছুটে চলা বাদ্য বাজে বাজাও বেহুলা।। যন্ত্র বাজে মন্ত্রের সুরে মানুষ ভবঘুর দূরের আকাশ ছোঁয়ার স্বপন ইচ্ছে বহুদূর। ইচ্ছের রঙ নির্বাসনে অনিচ্ছেরী সানাই স্রষ্টার খেল রঙধনুতে বুঝোরে ও ননাই।। স্বপ্ন দিগন্তে।...৪ যতবার খুলি স্বপ্ন দুয়ার ততবার দেখি মুখ ক্লান্ত হৃদয় ভাবনায় খুঁজে স্বপ্নে বুনা সুখ। সুখের আকাশে ইচ্ছে ঘুড়ির লুকোচুরী মন খেলা দূর দিগন্তে স্বপ্ন প্রিয় মন মিতালীর মেলা। খেলাঘর ভাঙে পুতুলের ঘরে নির্বাসনে স্বপন অনিচ্ছেরী সানাই বাজে মিথ্যে আলাপন। স্মৃতির আকাশে বিস্মৃতি মন আঁধার শুধু আঁধার বারবার খুঁজি নির্বাক চোখে নিরব হাহাকার। হাহাকার মন কে বুঝে ক্ষণ বাজে না মন সানাই স্রষ্টার খেল রঙধনুতে বুঝরে ও ননাই। স্বপ্ন দিগন্ত।.....

কবি শংকর ব্রহ্ম কবিতা ‍‍‌‌”খেলা”

খেলা শং ক র ব্র হ্ম মুখোশ পরে থাকলে সবাই মুখোশ ছেঁড়ার দায়িত্ব কার তোমার নাকি আমার ? তোমার আমার কারও - ই নয় মুখোশ পরা লোকগুলি তাই ? পাচ্ছে না তো ভয় | এসো , তোমার মুখোশ আমি ছিঁড়ি আমার মুখোশ তুমি এমন করেই শুরুটা প্রথম করি | খেলাটা ধীরে উঠলে জমে মুখোশ পরা লোকগুলো সব অনেক যাবে কমে |
কথাসাহিত্যিক কাইয়ুম নিজামীর “ভালোবাসি তোমাকেই” টক ঝাল মিষ্টিতে ভরপুর

কথাসাহিত্যিক কাইয়ুম নিজামীর “ভালোবাসি তোমাকেই” টক ঝাল মিষ্টিতে ভরপুর

তাসলিমা সুরভী :: সৃষ্টির আদিকাল থেকেই “ভালোবাসা” মানব চরিত্রের অন্যতম উপাদান হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে আজ অবদি এ উপাদান কে বাদ দিয়ে মানব জীবন রচিত হয় না। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে ভালোবাসার রং রুপ ও বিভিন্নতর হয়। নন্দিত কথা সাহিত্যিক মীরসরাইয়ের গর্ব কথাসাহিত্য বিকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র কাইয়ুম নিজামী বরাবরই এর জনপদবাসীকে তার নতুন নতুন প্রতিভাউদ্ভাসিত করেছেন। দীর্ঘ দিন থেকেই আমরা তার উপন্যাস, কাব্য, মহাকাব্য, গল্পগ্রন্থ তার প্রতিভার উপস্থাপনা দেখে আসছি। ‘ভালোবাসি তোমাকেই’ কাব্য গ্রন্থটি ও তার অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর প্রতিটি মানুষের জীবনের পরতে পরতে আষ্ঠে পৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে ভালোবাসা। জীবন নাট্যের রঙ্গ শালায় মানুষের জীবনে ভালোবাসা প্রহসন, প্রতারণা সহ নানা অনুসঙ্গ নিয়ে তেমনি নানা চড়াই-উৎরাই প্রসঙ্গ ভাবনা নিয়ে কবি ও সাহিত্যিক কাইয়ুম নিজামী প্রকাশ করেছেন প্রেমের কবিতা গ্রন্থ “ভালোবাসি তোমাকেই”। গ্
কবি বিদিশা দাসের কবিতা ”বাঁশিডাক ”

কবি বিদিশা দাসের কবিতা ”বাঁশিডাক ”

বাঁশিডাক বিদিশা দাস ইদানীং প্রায়ই বুক হু হু করা বাঁশিডাক শুনি ! যে বাউণ্ডুলে ছেলে এলোমেলো বিকেলে আজো আবছায়া পথ ধরে হেঁটে চলে যায়, নাজানি কবে থেকে ধুলোপথে সে চলে যাচ্ছে,যাচ্ছে... চলে যাওয়ার কোন শব্দ থাকেনা, শুধু থাকে হঠাৎ ফুরিয়ে যাওয়া গল্প, নিবিড় কুয়াশা আর স্তব্ধতার ভাষা। বড় আশ্চর্য বাঁশি বেজে ওঠে ছেলের ঠোঁটে। ইচ্ছে করে ছুঁয়ে দেখি ওই চলে যাওয়াকে, ছুঁয়ে ফেলি ধু ধু করা শব্দহীন বহুদূর অথবা ওই মনখারাপিয়া বাঁশির সুর । আমিতো সম্পূর্ণ হতে চেয়েছি শুধু ওই বাঁশির ডাকেই ! দূরত্ব ঘোলাটে হয়ে যায়,সময় বয়ে যায় ; বাউণ্ডুলে ছেলেটা আজো চলে যায়,চলে যায়... ফুল-পাতা ঝরার, দীর্ঘশ্বাসের কোন শব্দ শুনিনা, শুধুই বুক হু হু করে ওঠা বাঁশিডাক শুনি,শুনি... ।।
কবি আহমেদ পলাশের কবিতা ‌‌‍‌‌‍‌‌‌‌‌‌‍”নিঃসঙ্গ নীড়”

কবি আহমেদ পলাশের কবিতা ‌‌‍‌‌‍‌‌‌‌‌‌‍”নিঃসঙ্গ নীড়”

  নিঃসঙ্গ নীড় আহমেদ পলাশ . শান্তিটা বেশ খুঁজি- কোথায় আছে শান্তি বলো স্বস্তিতে চোখ বুজি। . বার্মা থেকে ইরাক চলো কোথায় শান্তি আছে বলো বুলেট বোমে বিদ্ধ সব বর্বরতার কলরব! মানবতা শুধুই মেকি আসুন তাদের দৃশ্য দেখি- . হায়! ইরাকে চোখ যায় নির্বিচারে একটি দেশ ধ্বংস এখন প্রায়, রক্তরঙা কাফন উড়ে ধূসর সিরিয়ায়! . নিঃসঙ্গ আজ নীড় নষ্ট জনের ভীড়। তবু শান্তি খুঁজি, একফোঁটা সুখ পারবে দিতে স্বস্তিতে চোখ বুজি।
কবি তামান্না রসুল এর কবিতা নারী অপরাজিতা

কবি তামান্না রসুল এর কবিতা নারী অপরাজিতা

নারী অপরাজিতা তামান্না রসুল ভালোবাসার মুক্ত আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখাটা, কোনো অন্যায় হবে কেন? বড্ড জানতে ইচ্ছে করে... কি কারণে আজ? নারীদের পড়তে হচ্ছে- বিবেকহীন সমাজের কলুষিত চোখে। কারো মা,কারো বোন,কারো প্রিয়া নারী কিছু নির্লীপ্ত মানুষের মুখে শুনা যায়- মেয়ে চাই না, আমার ছেলে চাই। প্রশ্ন তাদের কাছে... নারী না থাকলে আপনার এই বড়াই থাকতো তো? নারী মহিয়সী, বিভিন্ন ইতিহাসের পাটা উল্টালে দেখা যায়- পৃথিবীতে যত যুদ্ধ হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশির ভাগই নারীদের, পুরুষের সাফল্য অর্জনের পেছনে রয়েছে নারীর অবদান। নারী নন্দীনি,অনন্যা,অপরাজিতা,বনলতা সেন; যেখানেই জয়ের গান... মনে রেখো পৃথিবী, অর্ধেক নারীর দান।