নারীর কাছেই শিখেছো প্রেম
শিখেছো ভালবাসা,
নারীর কাছেই পেয়েছো সুখ--
এই নারীর কাছেই আশা।
নারীই তোমায় যত্ন করে---
করে সর্ব চাওয়া পূরণ,
নারীর মাঝেই সুখ খোঁজ তুমি
নারীর মাঝেই হাসো।
এই নারী আর সেই নারী নয়
নারীকেই ভালবাসো---
অবহেলা আর অপমান করে
নারীর মাঝেই বাঁচো।
নারী তোমায় জন্ম দিলো ভীষন
কষ্ট পেয়ে,আঁচল দিয়ে ঢেকে নিলো,
আদর শাষনে বড় হলে তুমি
এই নারীর অবদানেই।
নারীই তোমার আদরের বোন,
নারীই, ভাগ্নি, ভাস্তি,
এই নারীই তোমার মা,খালা হয়
নারীই ফুফু, চাচী।
নারী শুধুই অবহেলা নয়
ভালবাসার জন্য, বোঝলে ভালো
না বোঝলে অন্য পথে চলো,
নারীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নতুন কথা বলো।
পুরুষ তুমি নারী ছাড়া অসম্পু্র্ণ
এক শূণ্য অনাথ জাতি,
তোমার চোখের স্বপ্ন পুরণে--
জ্বালাও নারীর চোখেই বাতি।।...
মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার যেমন চলার কথা তেমনি চলছিল।
বাবা বিদেশে মোটামুটি সংসার চলার মত চাকুরী করতো। তাই সংসারের পরিচালনা দায়িত্ব ছিল মায়ের উপরই।
সব সময় যে ভাল যাবে তাও কিন্তু নয়।
কয়েকমাস ধরে পরিবারের আর্থিক অবস্থা বলতে গেলে প্রচন্ড খারাপ।
শখ ছিল ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াবে।
সরকারীতে পড়তেও কপাল লাগে।
সব কপালের দোষ দিলেও হয়না। যাক সেই কথা।
ছেলেকে শখ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে দিল।
প্রতি সেমিস্টারে মোটা অংকের বেতন দিতে কোন সমস্যা হতনা আগে।
সেমিস্টার টাকা দেওয়ার সময় হয়েছে।
কিন্তু এদিকে মা বাবার সেটা মনে নেই।
কিভাবে মনে থাকবে এ অভাবে।
আর ছেলে বললে তো তাদের স্মরণ হবে তাই না।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নোটিশ দিল বেতন দেওয়ার।
কিন্তু পরিবারের এ অবস্থা দেখে সে কিছু বলেনি।
ভাবছিল আরো কিছুদিন যাক তবেই বলবে।
এভাবে অনেকদিন চলে যায়। আর এদিকে বেতন জমা দেওয়ার নিদির্ষ্ট সময় শেষ হয়ে গেছে। জর...
চেয়ে দেখো বন্ধু,
ভীষণ সভ্যতায় শহরটা আজ জ্বলছে পুড়ছে শব্দহীন;
শহরটার বুকের ভেতরে কেমন ঘায়ে পচনের গন্ধ!
এখানে এখনো সোঁদা মাটির গন্ধে সকাল হয়,
সভ্য শহরে শিউলি, বকুল
কিংবা হাসনে-হেনার আকালও নেই;
যদিও শিশিরেরা মাটিতে নামার আগেই মিলিয়ে যায়
অভিমানী পাখায় ভর করে।
তুমি কি বন্ধু টের পাও?
ঝিম ধরে পড়ে থাকে কেবল
এক একটি দিন,
দীর্ঘ ক্লান্তিকর দুপুরগুলি
ফুঁসতে থাকে প্রচণ্ড উত্তাপে।
যেনো বা শহর পোড়া ছাই দিয়ে
মেতে উঠবে ধ্বংস উৎসবে,
আনমনা আর একঘেঁয়ে সুরে
কে যেনো বাঁশি বাজায় দূরে!
মৃতদের মিছিল হেলেদুলে
নগরীর দিকে ধায় ক্রমশ -
অতঃপর একটা একটা করে
প্রহর ফুরায়, ফুরায় স্বপ্নেরা।...
---------০-------
এতটা বাড়াবাড়ি বিরক্তিকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে যদি বোঝতে পারতাম, তাহলে তোমার দেশে নিরবে হাসি মুখে চলে আসতাম একটা প্লেনের টিকেট কেটে।
অন্তত একে অপরের আত্তার মাঝে নির্বিগ্নে আনন্দের আয়োজনে বেঁচে থাকার খেলা করতে পারতাম।
নিষ্ঠুর ভয়াবহতায় আজকাল ভয় লাগছে আমার মানুষের জন্য, প্রিয় আপনদের জন্য।
এখন আর মানুষ মানষের জন্য কথাটি খুব বেশি
কাজে আসে না কারণ ছোঁয়াচে মরণব্যাধি জানো তুমি। বিষন্ন বাতাসে, অন্ধকার সাদা কালো পৃথিবীতে এখন লাশের মিছিলে কত অচেনা মুখ তিন টুকরো সাদা কাপড়ে দাফন হয়ে যাচ্ছে ঐ মাটির কবরে নির্দয়ে।
রাতের অন্ধকার শুধু এখন রাতেই সীমাবদ্ধতায় নেই।
বাহিরের আলোয় কিবা আসে যায়, যেখানে আবদ্ধ জীবন বোবা তিমিরের গর্ভে। ফিরে এসো না এখানে।
কোন রকম বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কান্না শুনতে পারবেনা তুমি। চারিদিকে অসহায় মানুষ পাগলের মতো অনিশ্চিত সামনের দিনগুলোর কথাও এখন ভাবতে পারে...
সময়ের বুকে পদাঘাতে চলে যায় টাট্টুঘোড়া
মাটির বুকে ধূলো উড়িয়ে যায় হাটুরের দল-
হৈ চৈ করে এগোয়, পৃথিবীর ওপারে নতুন অব্দ,
কেউ শুনে না, আমি কেবল-ই শুনতে পাই শব্দ!
জানলায় উঁকি দিয়ে দেখি, কে চলে যায়
কিছুই দেখি না, দেখি শুধু ধু ধু প্রান্তর,
তবে আমার শোনা কী নিছক অবান্তর?
আমি কেবল-ই শব্দ শুনি পায়ের
আমি কেবল-ই শব্দ শুনি ডাকের,
কে যেন ডাকে
কিসের যেন ডাকে ডাক শুনি
সূর্যাস্তের শব্দ শুনি সন্ধ্যার ডানায়
হাট শেষে হাটুরেরা চলে যায় নিভৃতে অজানায়।
আমি কেবল শব্দ শুনি...
পথিকের পায়ের শব্দ,
জুতোর শব্দ,
অশ্বের খুরের শব্দ,
পাখির ডানার শব্দ,
শুকনো পাতার মড়মড় শব্দ।
আমি জানলায় উঁকি দিয়ে দেখি
কে যায়, কি যায়-
কাউকে দেখিনা, কিছুই দেখি না,
তবে কি-
বেলাশেষে হাঁটুরেরা লুকিয়ে চলে যায়?
আমি কেবল-ই শব্দ শুনি, চলে যাচ্ছে কেউ ঘোড়ায়......