Tuesday, November 21Welcome khabarica24 Online

মুক্তাঙ্গন

ফিরে এসো মাশরাফি

ফিরে এসো মাশরাফি

এম.ইমাম হোসেনঃ ১৮৬৮ সাল থেকে বিশ্বে ক্রিকেট খেলা শুরু হলেও প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হয় ১৯৭৩ সাল থেকে। এই থেকে মূলত ক্রিকেটের প্রচার প্রসার বাণিজ্যি করন ও বিশ্বায়ন শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে সর্বপ্রথম মালেশিয়ার মাটিতে স্ক্যাটল্যান্ডকে পরাজিত করে বিশ্বকাপের মূল আসরে অংশগ্রহনের সুযোগ পায় এবং এই থেকে বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকায় নতুন করে পরিচয় করে দেয়। প্রথম আসরে পাকিস্তান কে পরাজিত করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রায় শতাধিক খেলোয়াডের অভিশেক ঘটলেও কিছু খেলোয়াড় অন্তজার্তিক পরিসরে স্থান করে নিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরাদের তালিকা দীর্ঘ হলেও কয়েক জনের নাম না বললে নয়, রকিবুল হাসান, জাহাঙ্গির শাহ বাদশা, আতাহার আলি, সাইফুল ইসলাম, গোলাম নওশের প্রিন্স, জাহাঙ্গির আলম দুলু, নুরুল আবদিন
ঢাকায় এসেছিলেন চে গুয়েভারা

ঢাকায় এসেছিলেন চে গুয়েভারা

খবরিকা ডেস্ক: ১৯৫৯ সালে চে গুয়েভারা পূর্ব পাকিস্তানে এক গোপন সফরে এসেছিলেন। গোপন এ সফরে তিনি আদমজী পাটকলের ৩ নম্বর মিলের শ্রমিক-নেতাকর্মীদের সঙ্গে আধা ঘণ্টার এক অনির্ধারিত বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। ১৯৫৯ সালে কিউবার সামরিক একনায়ক বাতিস্তাকে সশস্ত্র লড়াইয়ে উত্খাতের মাধ্যমে কিউবা বিপ্লব সংঘটিত হয় অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে। আর তার সঙ্গী ছিলেন তখন আর্জেন্টিনার তরুণ ডাক্তার চে গুয়েভারা। বিপ্লব সম্পন্ন হওয়ার পর ফিদেল চে’কে বানদুং প্যাক্টে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোয় সফরে পাঠান। এ উদ্দেশ্যে ১৯৫৯ সালের ১২ জুন দীর্ঘ বিদেশ সফরে চে হাভানা ছাড়েন। সফরের অংশ হিসেবে জুনের শেষদিন চে ভারতে পৌঁছান। আসেন কলকাতায়ও। ভারত সফর শেষে চে গোপনে বাংলাদেশ (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) ঘুরে যান। চে’র বিভিন্ন জীবনীকারদের গ্রন্থ, বিদেশী সাংবাদিকদের অনুসরণ করে চে’র বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এ
‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব’

‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব’

মুহম্মদ জাফর ইকবাল গত শনিবার আমাকে একটা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি বললেন, স্যার, আপনি নিশ্চিন্ত মনে আসতে পারেন। আপনাকে স্টেজে বসতে হবে না, বক্তৃতা শুনতে হবে না, বক্তৃতা দিতেও হবে না! যে অনুষ্ঠানে স্টেজে বসতে হয় না, বক্তৃতা শুনতে হয় না কিংবা বক্তৃতা দিতে হয় না সেটা দেখার আমার খুব আগ্রহ হলো। তাই শনিবার দিন সকাল বেলা আমি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে হাজির হলাম। গিয়ে দেখি এটি একটি বৈশাখী হাট, তবে অন্য দশটা বৈশাখী হাট থেকে ভিন্ন, সেটে বড় বড় করে লেখা ‘বৈশাখী উদ্যোক্তা হাট’! আমি অনেক রকম হাট দেখেছি, আমাদের দেশে ছবির হাট আছে, গাড়ির হাটও আছে, আমস্টার্ডামে উল্কি (Tattoo) হাট দেখেছিলাম। কিন্তু কখনও উদ্যোক্তা হাট দেখিনি। এখানে দেখে আমি চমৎকৃত হলাম। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে ভেতরে গেলাম। মনে পড়ল বছর খানেক আগে এই উৎসাহী কিছু তরুণ মিলেই উদ্যোক্তাদের একটা আন্দোলন
অপরাধীর অভাবে জেলখানা বন্ধ করে দিচ্ছে নেদারল্যান্ড- জুয়েল রানা

অপরাধীর অভাবে জেলখানা বন্ধ করে দিচ্ছে নেদারল্যান্ড- জুয়েল রানা

 : বাংলাদেশে যখন হত্যা, ধর্ষণ, দুর্নীতি, রাহাজানিতে সমাজের জেরবার অবস্থা, জেলখানাগুলো যখন কয়েদিতে উপচে পড়ছে, তখন ঠিক তার বিপরীত চিত্র ইউরোপের সবচেয়ে কম ধর্ম পালনকারীদের দেশ নেদারল্যান্ডসের।   টেলিগ্রাফের খবর অনুযায়ী, ২০১৩ সালে কয়েদির অভাবে ১৯টি জেলখানা বন্ধ করে দেয় নেদারল্যান্ডস সরকার এবং এর ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে আরো ৫টি জেলখানা বন্ধ করতে হয়েছে সরকারকে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে প্রায় ২ হাজার কারাকর্মী! যাদের মাত্র ৭০০ জনকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য জায়গায় চাকরি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।   ২০০৪ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসের অপরাধীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়ে আসছে। জেলখানা ভরতে দেশটি সম্প্রতি নরওয়ে থেকে ২৪০ জন কয়েদিকে আমদানি করেছে। কয়েদি আমদানির এমন খবর আমাদের হতবাক করে নিশ্চয়ই! এও কি সম্ভব, কারাবন্দির অভাবে অপরাধী ভাড়া করে জেলখানা চালু রাখতে হচ্ছে।   ক
কুমিল্লা সহ সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের ঝড়

কুমিল্লা সহ সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের ঝড়

নাট্যকর্মী ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে কুমিল্লায় আন্দোলনের ঝড় শুরু হয়েছে। গত রোববার এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে তার সহপাঠি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। যা এখনো চলছে। এদিকে তনুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ পর্যন্তই পুলিশের তদন্ত এগিয়েছে। এছাড়া আপাতত নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই পুলিশের কাছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যায় টিউশনি করে বাসায় ফেরার পথে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যার শিকার হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ও ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের (ভিসিটি) নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। রাত ১১টার দিকে ক
যে রাষ্ট্র সোহাগীদের বাঁচতে দেয় না- সুমন্দভাষিণী

যে রাষ্ট্র সোহাগীদের বাঁচতে দেয় না- সুমন্দভাষিণী

সুমন্দভাষিণী:: দুই ভাইয়ের এক বোন ছিল সে। বাবা-মা আদর করে তার নাম রেখেছিল সোহাগী। পুরো নাম সোহাগী জাহান তনু (১৯)। বন্ধুরা তনু নামেই চিনে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের (সম্মান) ছাত্রী এবং একই কলেজের নাট্য সংগঠন ‘ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের (ভিসিটি) সদস্য ছিল এই তনু। এখন আর নেই। সে গত রোববার রাতে লাশ হয়ে গেছে। একটি স্বপ্নে বিভোর মেয়েকে ছিঁড়ে-ছুবড়ে খেয়ে ফেলেছে এই রাষ্ট্র। হ্যাঁ, আমি রাষ্ট্রই বলবো। কারণ যে রাষ্ট্র সাধারণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, একের পর এক দুর্নীতি, অবিচার-অনাচার-অত্যাচার-নির্যাতনের সংস্কৃতির ধারক-বাহক হয়, তখন এসব কিছুর জন্য রাষ্ট্রকেই দায়ী করবো আমি। এ কোন রাষ্ট্রের অধীনে আছি আমরা? যেখানে হাজার-কোটি টাকা লোপাট হয়ে যায়, অথচ নিজেদের ডিজিটাল ডিজিটাল বলে গলা ফাটাই, এ কোন রাষ্ট্র, যেখানে সরকার প্রধান পরিবেশ পদক নিয়ে এসে সুন্দরবন ধ্বংসে নৃত্যগীত শুরু

বাংলাদেশে ধর্ষণের মহোৎসব চলছে- আকাশ ইকবাল

আকাশ ইকবাল দেশে ধর্ষণের মহোৎসব শুরু হয়েছে মনে হয়। ইচ্ছে হয় এই এই দেশ ছেড়ে দূরে কোথাও ছলে যাই। থাকতে ইচ্ছে হয় না, বাঁচতে ইচ্ছে হয় না এমন একটা নোংরা দেশে। এই দিকে সরকার দেশে গণতন্ত্রের সুবতাস বয়, দেশ উন্নয়নের জ্বলে ভেসে যায়। দেশ নারীদের কে তার পূর্ণ অধিকার দিয়েছে। সরকার বার বার বলছে একমাত্র এই সরকার আমলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকার আমলে নারী তার পূর্ণ অধিকার পেয়েছে। কিন্তু কোথায় তার অধিকার? এই দেখছি ধর্ষকদের তার নারী ধর্ষনের পূর্ণ অধিকার । যদি না পেতো তাহলে তাদের অন্যায়ের প্রতিরোধ করছে না কেন? বিচার করছে না কেন? আমি কিভাবে বলব আমার বাংলাদেশ তার নারীদের অধিকার দিয়েছে। গত কিছু মাস আগে ইরান সরকার একটি নির্দোষ মেয়েকে ফাঁসি দিয়ে দেয়। এদিকে মেয়েটির উপর নির্যাতন কারী বেঁছে যায়। আমি কি বলবোনা বাংলাদেশ আজ ইরান থেকে ও কম নয় । মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব ও গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবর থেকে জা
স্মৃতিবিজড়িত মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি দিনের স্মৃতিকথা

স্মৃতিবিজড়িত মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি দিনের স্মৃতিকথা

মেজর মোহাম্মদ মোস্তফার (অবঃ)বিএসএস-৭০৫ ঃ ১। ভয়াল মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলির-১ম দিন (একটি শোকাহত স্বরনীয় ঘটনা)- ১৯৭১ সালের ৩০শে মার্চ- যশোর সেনানিবাসে ১ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সিনিয়ার টাইগার) হতে বিদ্রোহ করে প্রাণে বেচে সম্মুুখ মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি। যশোর সেনানিবাসে ১০৭ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনে ১ম ইষ্ট বেঙ্গল সহ পাকিস্তানের ফ্রন্টিয়ার র্ফোস এবং বেলুচ রেজিমেন্টের দুইটি ব্যাটালিয়ান ছিল আরো ছিল আটিলারি, ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগনাল ই-এম-ই, ফিল্ড এম্বুলেন্স, সাপ্লাই ও সিএমএইচ সহ অনেক ইউনিট। এই সকল ইউনিট বাঙ্গালি সৈনিকে ভরপুর ছিল। ১ম ইষ্ট বেঙ্গলে (সিনিয়ার টাইগার) শতভাগ বাঙ্গালি সৈনিক ছিল। ব্যাটালিয়ান কমান্ডিং অফিসার ছিলেন লেঃ কর্ণেল রেজাউল জলিল তিনি ছিলেন সিলেট জেলার অধিবাসী। সিনিয়র টাইগার্স ১টি ঐতিহ্যবাহি ব্যটালিয়ান। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে শিয়ালকোটের খেমকানন সেক্টরে রয়েছে এই ব্যাটালি