ভাইকে আমার সরল পেয়ে
বানিয়েছ বোকা
প্রেম নামের ছলনাতে
দিয়েছ তুমি ধোকা,
বলেছিলে ভাইকে ছাড়া
বাঁচবেনা এ প্রান
কেমনে তুমি করে দিলে
অন্যকে সব দান,
ভাইয়ের মত আর সবাইকে
ভেবোনাত বোকা
মধু খেয়ে চলে যাবে
দিয়ে তোমায় ধোকা।
আমার আকাশে শুধু একটি প্রদীপ
সে প্রদীপ টি শুধু তুমি বঙ্গবন্ধু
যে প্রদীপটি আমায় অন্ধকারে আলো দেখায়
বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখায়।
সেখানে একটিই স্বপ্ন
যে স্বপ্নটি আমার হৃদয়ের হাজারো স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখে
মানুষকে ভালোবাসতে শিখায়।
সে আকাশের চাঁদ মেঘে ঢাকা আঁধার দূর করে দেয়
আলোর দিশা দেখায়
সে চাঁদ আমাদের জাতির পিতা শেখ মুজিব।
আমার আকাশে সূর্য একটিই
পিতা তুমি সূর্যের মতই তীব্র দীপ্তমান
যে সূর্য আমায় দিনের আলোয় পথ চলতে শক্তি যোগায়।
বঙ্গবন্ধু তুমি আমার আলো,
স্বপ্ন আর শক্তি হয়ে
বেঁচে আছো আমার আকাশে । ।...
অফুরন্ত পাত্র থেকে ঢেলে-
দিয়েছে অন্ধকার,
জ্বলন্ত এক প্রতিভাকে আঘাত
করেছে মরত্বের ভাড়,
ইতিহাসের পাতায় পাতায়-
লেখা হয়েছে তারই নাম,
লাল সবুজের পতাকা জুড়ে-
স্বাধীনতা মৃত্যু দিয়েছে তারই দাম,,
সে যে আমার জাতির পিতা-
শেখ মুজিবুর রহমান।।
বিদীর্ণ এই আত্মার মাঝে-
করো অবিরাম চলাফেরা,,
ভুলিনি তোমায় ভুলবো না আর-
মন যে ভারি কষ্টে ভরা,
নিষ্ঠুরতার রক্তের স্রোতে-
ভাসিয়ে দিয়েছে যারা,
আমরা তাদের ঘৃণা ছুঁড়ি-
পঁচে মরুক তারা,,
নির্বিশেষে বিলিয়ে দিয়েছে-
দেশের জন্য শুদ্ধ প্রাণ,,
সে যে আমার প্রিয় নেতা-
শেখ মুজিবুর রহমান । ।
শ্রদ্ধা ভরে রেখেছি তারে-
লক্ষ কোটি মানব মনে,
দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে-
দেশটা বাঁচে তারই ঋণে,
বাবার মুখে শুনেছি তার-
যুদ্ধ জয় গান,
সে যে আমার প্রাণের নেতা-
শেখ মুজিবুর রহমান।...
আমি গর্বিত
সেই বীর সেনানীর সন্তান বলে।
যিনি এই বাংলার বীর স্থপতি
এমন সূর্যসন্তানদের দেশে জন্মগ্রহন করে।
আমি গর্বিত আমার জাতির পিতা ছিলেন
একজন আপোষহীন মুক্তিকামি দেশপ্রেমিক বীর।
আমি গর্বিত এমন দরাজ কন্ঠের
সেই কবির দেশে আমার জন্ম,
যাঁর কন্ঠের সেই অমৃত বাণী
‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’’
আজো প্রেরণা জোগায় লক্ষ কোটি প্রাণে।
আমি গর্বিত সেই মহানায়কের জন্যে
যাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে আমার প্রয়াত পিতা ও
রাইফেল কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সেদিন।
সেই পিতার যুদ্ধের গল্প শুনে একসময় হতাম শিহরিত।
আমি ধন্য সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার
গর্বিত সন্তান হয়ে ।
আমি ধন্য সেই জাতির পিতার দেশে জন্মগ্রহন করে ।
ঘাতকরা সেদিন বুলেটের আঘাতে
এতোটা বিক্ষত করার পর ও
আমার প্রিয় বঙ্গবন্ধু সেদিন
উপুড় হয়ে মৃত্যুবরণ করেননি।
বীরের মতো চিৎকার করে বীরদর্পে
আকাশের পানে বুক রেখে...
সৈকতের একটা নারিকেলতলায়
একদা আমি নিশ্চুপ শুয়েছিলাম,
আকাশের দিকে অবিচল তাকিয়ে...
ডানা মেলে একটা পাখি
বৃত্তাকারে আমার উপর ঘুরছে।
তার সৌন্দর্য্য আমায় বিমোহিত করে
তন্দ্রাচ্ছন্নই করেছিল।
অথচ কিছুক্ষন পর বুঝতে পারলাম
পাখিটা তার লাল কালো ঠোঁট ঝুকিয়ে
আমাকে লক্ষ করছিল
তার কাংখিত ক্ষুধার অন্ন ভেবে।
নিথরতার ঘোর কেটে যখনি বুঝতে পারলাম
আমার স্নায়ুবিক নিয়ন্ত্রণ ফিরে এসেছে,
আমি এখনো বেঁচে আছি পৃথিবীর প্রান্তরে।
তারাপুঞ্জ ফুটে আছে,
কালো জ্যাকেটে মোড়া এই আমি
লাউড স্পীকারে ঝড় তুলে
মাইকেল জ্যাকসনের মতো চিৎকার করে বলি
বেঁচে আছি আমি-
হৃদকম্পন আছে আমার-
পর্বত প্রাচীরের অতলে মৃত ঝর্ণার মতো-
আজো বেঁচে আছি আমি। ।...
মেঘমুক্ত রাত এলেই
জ্যোৎস্না দেখতে বেরিয়ে পড়া মানুষেরা
রূপসজ্জা শুরু করে দিন থাকতেই
চাঁদের আলোর নিচে ওরা হয়ে ওঠে
এক একটি অন্ধকার
ভাসে নিজ নিজ আঁধারে
এদিকে আমি অসজ্জিত অন্তরে জানালার পাশে
মূলত সাজের মধ্যে প্রিয় ছিল কাজল
বাড়ির উঠোনে সবজিবিহীন শূন্য মাচা
বা শূন্য গোয়ালের মতো
অতল শূন্যতায় পূর্ণ হৃদয়
এখন কাজল বলতে-
অন্ধকার ব্যতীত আর কিছু বুঝিনা
বৃষ্টি ভালোবেসে বীজ বোনার স্বপ্ন সাজাই
মধ্যরাত থেকে আকাশে দারুণ মেঘ !
নড়বড়ে চালের নিচে ঝড়ের উদ্বেগ
যদি রৌদ্রে যাবার নিমন্ত্রণ পাই কোনো ভোরে
নির্বাসিত হৃদয় ফিরে তাকাতেও পারে-
পাথর-সময়ে চাপা পড়া নিজ অবয়বে
অথবা রোদ লাগা একান্ত ছায়ায় । ।...