Tuesday, September 25Welcome khabarica24 Online

সম্পাদকীয়

এবারও কি ভুক্তভোগী নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত ?

॥ ওমর ফারুক ইমন ॥ অরুপ কুমার ধর একজন বেসরকারি চাকুরিজীবি। সারা মাস কাজ করে যা পান তা দিয়ে কষ্ট করে হলেও চালিয়ে নিচ্ছেন ছেলে মেয়েদের পড়ালেখাসহ সংসারের খরচ। প্রতিদিনের মত বাড়ি থেকে বের হয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে বাজারে এলেন। সিএনজি অটোরিক্সায় উঠবেন এমনসময় ড্রাইভার বলে উঠলো, ভাইজান ভাড়া দশ টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। অরুপ কুমার দাঁড়িয়ে গেলেন, প্রশ্ন করলেন কেন ? উত্তরে অটোরিক্সা চালক বললো, একেতো মহাসড়কে যেতে পারছিনা তার উপর সিএনজি রিফুয়েলিংয়ের জন্য সময় দিয়েছে মাত্র দুই ঘন্টা। এ অল্প সময়ে হাজার হাজার সিএনজি কিভাবে সিএনজি সংগ্রহ করবে ? যারা পাচ্ছে তারাও ৮-১০ ঘন্টা বসে থেকে সিএনজি সংগ্রহ করছেন। বাকী সময়ে মালিকের নির্ধারিত জমার টাকা তুলবো নাকি নিজেদের জন্য আয় করবো। অরুপ কুমারকে তো যেতেই হবে অফিসে, বাড়তি ভাড়া হলেও কি। বাড়তি ভাড়ার বোঝা নিয়ে অন্যদিনের মতো সিএনজি অটোরিক্সা করে অফিসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন তিনি।
পথচারীদের জরিমানা এবং অজ্ঞতার মায়া কান্না

পথচারীদের জরিমানা এবং অজ্ঞতার মায়া কান্না

রাজধানীতে যত্র-তত্র রাস্তা পার হওয়া যাত্রীদের জরিমানা করছে ঢাকার ট্রাফিক পুলিশ। এই সংবাদটা নিয়ে পত্রিকা গুলি বেশ সরগরম। এক্ষেত্রে কিছু কলামিস্ট এর কলামও পথচারীদের পক্ষে জোরালো ভুমিকা রাখছে দেখলাম। এটা জরুরী এবং স্বাভাবিক। আমরা যারা কলাম লিখি তারা নয় শুধু, যারা সংবাদ কর্মি আছেন তারা প্রত্যেকেই সাধারনের বন্ধু। সমাজের হিতৈষী। আমিও এর ব্যাতিক্রম না। তবে এ ক্ষেত্রে পথচারীদের পক্ষে থাকার চেয়ে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে পথচারীদের ভুল গুলিকে পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে ঐ সমস্ত লেখা। আমি স্বীকার করছি আমাদের দেশের রাস্তার দুর্দশার কথা। চালক ও ট্রাফিকদের স্বেচ্ছাচারিতার কথা। মন্ত্রী-মিনিস্টারদের যাতায়াতের নামে গাড়ি ও পথচারীদের হয়রানির কথা। কিন্তু তাই বলে কোন শুভ উদ্দ্যোগ কে নিরুৎসাহিত করার পক্ষে আমি নেই।ছোট্ট একটা কৌতুক মনে পড়ে গেলো-একদা রাস্তা পার হতে গিয়ে এক ভদ্রলোক একটি গাড়ির ধাক্কা খেয়ে ড্রাইভারের
বিশেষ সম্পাদকীয় : পাঠকদের আরো কাছাকাছি থাকতে চাই

বিশেষ সম্পাদকীয় : পাঠকদের আরো কাছাকাছি থাকতে চাই

: কামরুল হাসান জনি : দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে পাঠকদের চাহিদা মতো প্রাপ্তি আর মনের খোরাক মিটিয়ে হৃদয় হতে হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে উত্তর চট্টলার গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত পাক্ষিক খবরিকা। বাংলা নববর্ষে পঞ্জিকার প্রথম দিন পাঠকদের ভালবাসা সাথে নিয়ে আরো অধিক প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকারে শুরু হলো খবরিকার নবযাত্রা। দায়বদ্ধতা ও নিরাপক্ষতার পরিচয় দিয়ে মীরসরাই উপজেলার ষোলটি ইউনিয়নে নিয়মিত প্রকাশনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরায় খবরিকা বদ্ধপরিকর। প্রতিযোগিতার ভিড়ে পাঠক প্রিয়তায় শীর্ষে থেকে তেমনি ভাবে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করে তুলেছে পাশ্ববর্তি কয়েকটি উপজেলায়ও। প্রকাশনার পনের বছরে এসে স্বীকার করছি - প্রশংসার দাবিদার পাঠকরাই ; যারা ভালবেসে খবরিকাকে আপন করে নিয়েছে। সফলতার দাবিদার হকার ভাইয়েরা; যাদের হাত ধরে পৌছে যায় পত্রিকা দিগন্ত জুড়ে। কৃতিত্বের দাবিদার বিজ্ঞাপন দাতা, পৃষ্ঠপোষক  আর নিঃস্বার্থে কাজ করা একঝা
পানি শূন্য আগামী পৃথিবী

পানি শূন্য আগামী পৃথিবী

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন :- আজ ২২শে মার্চ।বিশ্ব পানি দিবস।প্রতি বছরের মত এবারও বিশ্ব পানি দিবস পালিত হচ্ছে।পানির অপর নাম জীবন।পানি ছাড়া আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায়না। পানি আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্ব অংশ।দৈনন্দিন কাজের প্রতিটি কাজে পানির প্রয়োজন।তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে , যত দিন গড়াচ্ছে ,আমরা সবাই পানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি তীব্র ভাবে।কখনো আমাদের এই পৃথিবী যদি পানিশূন্য হয়ে পড়ে তবে কি হবে,একবারও কি ভেবে দেখেছি? কল্পনা করতেই শরীরটা শিউরে উঠে।পানি শূন্য পৃথিবীতে  বাঁচবেনা পশু পাখি,বাঁচবেনা গাছপালা।মানব জাতিই বা বাঁচবে কেমন করে?তাই পানি সংকট বর্তমান বিশ্বের একটি আলচিত বিষয়।পরিবেশ বিজ্ঞানীদের ধারনা ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বের অনেক অঞ্চলে পানি ঘাটতি দেখা দিবে। ভবিষ্যতে খাবার পানি ফুরিয়ে যাবে কিনা?এই প্রশ্নও আজকাল দেখা দিচ্ছে অনেকের মনে।পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে মোট পানির ৯৭.৪ শতাংশ রয়েছে
‘ধূমকেতু থেকে খবরিকা’ প্রকাশনার ১৫ বছর

‘ধূমকেতু থেকে খবরিকা’ প্রকাশনার ১৫ বছর

  : কামরুল হাসান জনি :     প্রকাশনা ও কিছু কথা- .................... সম-সাময়িক ঘটনা, দুঃখ-দুর্দশা, সফলতা আর সম্ভাবনার নিত্য-নতুন সংবাদ পৌঁছে দেয়ার মাধ্যম, উত্তর চট্টলায় প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে থাকা গণমানুষের মুখপত্র ‘খবরিকা’র বর্ষপূর্তি ও প্রকাশনার ১৫ বছরের পদাপর্ণ ১৪ এপ্রিল(১লা বৈশাখ)। ‌’ধূমকেতু’র যাত্রা শুরু করে সাহিত্য বিষয়ক ম্যাগাজিন, নিউজ পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন ও বই প্রকাশের মাধ্যমে এই প্রকাশনা বুনেছে ভালবাসার বীজ। পাঠক হৃদয়ে তৈরি করেছে স্বপ্ন কুড়ির। মফস্বল থেকে একটি পত্রিকা বের করা যতটা সহজ তার চেয়েও অধিক কঠিন ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। এই কঠিন কাজটি সাফল্যের সাথে করতে সক্ষম পত্রিকা খবরিকা পরিবার। উপদেষ্টা আর পৃষ্ঠপোষকদের সার্বিক সহযোগিতা এবং সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সার্বিক দায়িত্ব পালনে অব্যাহত রয়েছে পত্রিকার ধারাবাহিকতা। দীর্ঘদিনের এই পথ চলা হৃদয় থ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

  ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সমাধান চান রাষ্ট্রপতি। ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি ও এর ২০১১ সালের প্রটোকল, তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর আশু সমাধান চান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। আজ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।ভেরামারা-বহরামপুর ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বাগেরহাটের রামপালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কয়লা প্রকল্প নিয়েও সন্তোষ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি। এই প্রকল্প বাংলাদেশে জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা করেন।  রাষ্ট্রপতি আরো আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি করুক।পঙ্কজ শরণ রাষ্ট্রপতিকে বলেন, তাঁর দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের ব্যাপার
বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বন্য প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালবাসা ও সৌজন্যবোধ। সহিংসতার এই দুংসময়েও মানুষ পরস্পরের প্রতি এমন সহানুভূতি ও মমত্ববোধ আশা করে। ছবিতে হাতিটি সাধারণ মানুষের দেওয়া টাকা তার ভরন পোষণের জন্য তার মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছে। মীরসরাই পৌর সদর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) তোলা।  -ছবি তিলক বড়ুয়া ॥
দখল-দূষণে বিপন্ন কর্ণফুলী

দখল-দূষণে বিপন্ন কর্ণফুলী

বিশ্বজিৎ পাল : বাংলার সভ্যতা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ, ইতিহাস, ঐতিহ্য নদীকেন্দ্রিক। একইসঙ্গে শিল্প, সাহিত্য, ধর্ম, গ্রাম, নগর, বন্দর, মানববসতি, ভূ-ভাগ ধারাসৃষ্টি, আবর্তন, উন্নয়ন নদীতীরবর্তী। ব-দ্বীপ আকৃতির এ ভূখ-ে ছোটবড় ২৩০টি নদ-নদী প্রবহমান। কোনো এক সময়ে যাত্রীবাহী নৌকা ভ্রমণ, পরিবহন তৎপরতায় জলমহলের রূপ ছিল এই বাংলায়। নৌপথ ছিল ২৫ হাজার ১৪০ কিলোমিটার। খাল, বিল, নদীনালা পরিবহনযোগ্য জলাভূমি ছিল ৪ হাজার। প্রবহমান নদীপথের দাপট বাংলাকে গৌরবান্বিত করেছিল। সওদাগরি নৌকা আর ভাসমান ভেলার খেলা চলেÑ এমন নদীপথ বর্তমানে ভরা বর্ষা মৌসুমে ৫ হাজার ৯৬৮ কিলোমিটার। গ্রীষ্ম মৌসুমে অনিবার্যভাবে তা ২ হাজর কিলোমিটারের বেশি নয়। অর্থসাশ্রয়ী বিকল্প পথ যতই সৃষ্টি প্রক্রিয়া সমুন্নত করা হয়েছে, নদীপথের গ্রহণযোগ্যতা ততো বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপদ বাহন হিসেবে নদীপথের সুবিধা ব্যবস্থা আজ প্রশ্নাতীত হয়ে উঠেছে