Tuesday, January 22Welcome khabarica24 Online

জাতীয়

বিএনপির হরতাল শেষে পরবর্তী নতুন কর্মসূচি ঘোষনা

বিএনপির হরতাল শেষে পরবর্তী নতুন কর্মসূচি ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিনিধি টানা ৬০ ঘন্টার হরতালে শেষে, হতাহতের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বৃহস্পতিবার সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং শুক্রবার গায়েবানা জানাজা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে হরতাল পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি বলেন, সংলাপের নামে সরকার নাটক সাজাচ্ছে। সরকারকে টালবাহানা না করে নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিতে আবারো আহ্বান জানান তিনি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্রীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও গায়েবানা জানাজা হবে বলেও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
পিলখানা হত্যা মামলার রায় বুধবার হচ্ছে না

পিলখানা হত্যা মামলার রায় বুধবার হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিনিধি বহুল প্রত্যাশিত বিডিয়ার বিদ্রোহের হত্যাকান্ডের রায় আগামীকাল বুধবার  মামলার রায় হওয়ার কথা ছিল। তবে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সূত্রে থেকে জানা গেছে, কাল বহুল আলোচিত ঐ মামলার রায় হচ্ছে না।বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটি শরু হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের  দরবার হল থেকে। সকাল আটটায় দরবার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, সেদিন দরবার বসেছিল সকাল নয়টা দুই মিনিটে।দরবার হলে উপস্থিত ছিলেন আড়াই হাজারেরও বেশি বিডিআর সদস্য। তত্কালীন বিডিআরের মহাপরিচালক শাকিল আহমেদের বক্তব্যের সময় দুজন বিদ্রোহী অতর্কিতে মঞ্চে প্রবেশ করে। বিদ্রোহের শুরু। সকাল সাড়ে ১০টায় বিদ্রোহীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে দরবার হলে ঢোকে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে কর্মকর্তারা এক সারিতে দরবার হল থেকে বের হন। সিঁড়িতে পা দিতেই ব্রাশফায়ার। মুহূর্তে ঢলে পড়েন ডিজিসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা।২৫ ফেব্রুয়ারি সকালেই মহাপরিচালক খুন হয়েছিলেন।বি
দুই নেত্রীর বিস্তারিত ফোনালাপ

দুই নেত্রীর বিস্তারিত ফোনালাপ

ঢাকা : গত শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন করেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে। প্রধানমন্ত্রীর এডিসি এমরানের মোবাইল থেকে বিরোধী দলীয় নেতার বিশেষ সহকারী এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের মোবাইলে এই ফোনালাপ হয়। দীর্ঘ ফোনালাপে দুই নেত্রী ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলেন। তিক্ত অভিজ্ঞতাও বিনিময় করেন। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপা কেমন আছেন? আমি আপনাকে দুপুরে ফোন দিয়েছিলাম। জবাবে খালেদা বলেন, আপনার কোন ফোন আমি পাই নি। শেখ হাসিনা : আমি নিজে ফোন করেছি। কিন্তু আপনি ধরেন নি। খালেদা জিয়া : রেডফোন তো অনেকদিন ধরে বিকল। আমার অফিস থেকে চিঠি দেয়ার পরেও এই ফোন ঠিক করা হয়নি। শেখ হাসিনা : কেন আমি তো রিংয়ের শব্দ শুনেছি। আপনি শুনেন নি। খালেদা জিয়া : না না কোন রিং হয়নি। আমিতো বাসায়ই ছিলাম। রিং হবে কিভাবে? ওই ফোনতো নষ্ট দু’বছর ধরে। শেখ হাসিনা : ফোন নষ্ট ছিল, না নষ্ট করে রেখ
সংলাপের জন্য আরেকবার আমন্ত্রণ চায় বিএনপি

সংলাপের জন্য আরেকবার আমন্ত্রণ চায় বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দুই নেত্রী সংলাপে বসার জন্য  আরেকবার বেজে উঠতে হবে লাল টেলিফোন । কিন্তু কে করবেন সেই ফোন? এ নিয়ে এখন দেখা যাচ্ছে, দুই পক্ষের দুরকম অবস্থান। ২৯ তারিখের পর বেগম খালেদা জিয়া যে কোনো সময় যে কোন জায়গায় গিয়ে সংলাপে বসবেন। এ জন্যে আরেকবার নিমন্ত্রণ জানাতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। কিন্তু ক্ষমতাসীন জোট  জানিয়ে দিলো, এদিক থেকে কোনো ফোন যাচ্ছে না। পরের ফোনটি বিএনপি  থেকেই আসতে হবে। গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, গণভবন এখন অপেক্ষা করছে, বিরোধী দলীয় নেত্রীর পক্ষ থেকে ফোনের। চৌদ্দ দলের নেতারা দুপুরে বৈঠক সারার পর, জোট নেতাদের ব্রিফিং-এ রাশেদ খান মেনন স্পষ্ট করেই বললেন, পরের ফোনটা অপর প্রান্ত থেকেই আসতে হবে। বুঝা যাচ্ছে সংলাপের জন্য আরেকটা টেলিফোন কল অপেক্ষা করছে। তবে কে কল করবে সেটাই প্রশ্ন.....
আগামি ১০ নভেম্বর  থেকে আওয়ামী প্রার্থীদের মননোয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে

আগামি ১০ নভেম্বর থেকে আওয়ামী প্রার্থীদের মননোয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি আগামী ১০ নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের মননোয়নপত্র দেওয়া শুরু করবে আওয়ামী লীগ। গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার আওয়ামী লগের মনোয়নপত্রের দাম ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই সাথে গত এক মাসের বেশি সময় ধরে  প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর যে বৈঠক হয়েছে সেখান থেকে আসা সুপারিশ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
১ নভেম্বর শুক্রবারের কর্মসূচি প্রত্যাহার করছে না হেফাজতে ইসলাম

১ নভেম্বর শুক্রবারের কর্মসূচি প্রত্যাহার করছে না হেফাজতে ইসলাম

নিজস্ব প্রতিনিধি মন্ত্রিসভা থেকে কওমি মাদরাসা বিল প্রত্যাহার করা হলেও কর্মসূচি প্রত্যাহার করছে না হেফাজতে ইসলাম। এ তথ্য জানিয়েছে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। নিজেদের কর্মসূচি সম্পর্কে আজিজুল হক বলেন, ‘মন্ত্রিসভা থেকে কওমি মাদরাসা বিল প্রত্যাহার করা হলেও আমাদের কর্মসূচি প্র্যত্যাহার হচ্ছে না।’ তবে বিলটি প্রত্যাহার করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই হেফাজত নেতা। গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে হাটহাজারী মাদরাসার সামনে একটি কমিউনিটি সেন্টারে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, কওমি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৩ পাস করলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হবে। এই আইন পাস করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিন দিনের নতুন কর্মসূচি দিয়েছিল সংগঠনটি। তাদের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো হচ্ছে- ১ নভেম্বর শুক্রবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, ২ নভেম্বর
বিএনপি না এলে অন্যদের কে নিয়েই সর্বদলীয় সরকার গঠন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি না এলে অন্যদের কে নিয়েই সর্বদলীয় সরকার গঠন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রধান বিরোধী দল হিসাবে বিএনপি অংশগ্রহন না করলে তাদের কে ছাড়াই    নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের চিন্তা করছে সরকার। অন্যান্ন  রাজনীতিক দলসহ - বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি  এই ধরনের দলকে সর্বদলীয় সরকারে যোগদানের আহ্বান জানাতে পারে সরকার। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অন্য মন্ত্রীদের এমন কথাই জানিয়েছেন বলে বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে।  বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার কোনো চিন্তাভাবনা নেই সরকারের । প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নির্বাচনকালীন সরকারে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে  প্রধানমন্ত্রী এখনো আশাবাদী। নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সংলাপে বসার ক্ষেত্রে বিএনপির সাড়া দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি প্রহর গুনছেন। যদি সব চষ্টোর পরও বিএনপি সংলাপে না আসে তবে বিএনপিকে ছাড়াই সর্বদলীয় সরকার গঠনের পথে এগোবে বর্তমান সরকার। কিছু দিনের ম
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর পদ থেকে হানিফকে অব্যাহতি

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর পদ থেকে হানিফকে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর পদ থেকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে এক আদেশ জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সোবহান সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে মাহবুব উল আলম হানিফ জানান, তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতেই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগের জন্য আবেদন করেছিলেন। সেই হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। দলের নেতাদের কেউ বলছেন হানিফকে আরো আগে সরানো দরকার ছিল। আবার কেউ বলছেন হানিফ নিজেই নেত্রীর কাছে অব্যাহতি চেয়েছেন নির্বাচনে কাজের সুবিধার জন্য।