বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

শেখ হাসিনাসহ সব আসামিকে দুদকের অব্যাহতি

hasina_duduk_60597

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্য সব আসামিকে নভোথিয়েটার দুর্নীতিতে দায়ের করা তিনটি মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রবিবার কমিশনের নিয়মিত সভায় মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান ও এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার অনুমোদন দেওয়া হয়।গত সোমবার দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ তিন মামলার ফাইনাল রিপোর্ট  আদালতের জেনারেল রেকর্ডিং শাখায় দাখিল করেন। অভিযোগ ভিত্তিহীন হওয়ায় মামলার তদনে্ত এ সব অভিযুক্তকে দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।জানতে চাইলে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ২০০২ সালে রাজনৈতিক উদ্দেশে দুর্নীতি দমন ব্যুরো মামলাগুলো দায়ের করেছিল। মামলার তদনে্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে ফাইনাল রিপোর্ট কমিশন থেকে আদালতে পাঠানো হয়।দুদক সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট একনেক সদস্যদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় তিনটি মামলা করে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরো। তৎকালীন ব্যুরোর পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাদী হয়ে একটি এবং এন্টি করাপশন অফিসার (এসিও) খান মো. মিজানুল ইসলাম বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন। তিনটি মামলায়ই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলাগুলোতে যথাক্রমে ৭ জন, ৮ জন এবং ১২ জনকে আসামি করা হয়।আসামিদের মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া এবং শিক্ষামন্ত্রী এএইচএসকে সাদেক মারা গেছেন। অন্যদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চেৌধুরী, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর অভিযোগের হতে উচ্চ আদালত থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।সূত্র আরও জানায়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা আলোচিত এ তিন মামলা ১৩ বছর ধরে দুদকের অনিষ্পন্ন শাখায় পড়ে ছিল। দুর্নীতি দমন বু্যরো থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন রূপান্তর হওয়ার পর ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের কমিশন মামলাগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা করে অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনা পৃথক দুটি রিট (নং-৭৯৬৬/০৫ এবং ৭৯৬৭/০৫) করেন। এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের ৪ মার্চ চার্জশিট দাখিলের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন।