মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রবিবারও ভারি বর্ষণ অব্যাহত ছিল চট্টগ্রামে। ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে নগরী ও জেলার আরো কিছু নিম্নাঞ্চল। হাঁটু থেকে গলা পরিমাণ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় জনসাধারণকে।রবিবার বিকাল থেকে আগের ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর ও নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে। উত্তর-বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছে এসে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।জানা যায়, টানা বর্ষনের কারণে নগরীর আরো কিছু নিম্নাঞ্চল নতুন করে পানিতে তলিয়ে যায়। নগরীর মুরাদপুর, মোহাম্মদপুর, জিইসি মোড়, অক্সিজেন মোড়, হামজারবাগ, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, বড়পোল, হালিশহর ও বাকলিয়ার কয়েকটি এলাকা, পতেঙ্গা ও কাঠগড়ের কিছু এলাকায় এবং সিইপিজেড মোড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সকালের দিকে এসব এলাকায় পানির পরিমাণ ছিল বেশি। ভারি বর্ষণের কারণে জেলার হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, রাউজান, আনোয়ারা, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি, ও মিরসরাই উপজেলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কের মাহালিয়া ও বাজালিয়া বড়দুয়ারা এলাকা তলিয়ে গেছে। ফলে বান্দরবান সদরের সাথে সারাদেশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

