
নিজস্ব প্রতিনিধি ::
মীরসরাই উপজেলার ১২ নং খৈয়াছরা ইউনিয়নের মসজিদিয়া ছরারকুল গ্রামের এক ভ্যান চালক ও প্রবাসীর পরিবারকে উচ্ছেদ করতে প্রতিপক্ষের হামলায় তরুণী ও শিশু সহ অন্ত:ত ১০ জন আহত হবার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার এক পর্যায়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
ভুক্তভোগি পরিবারের মমতাজ বেগম ( ৪৮) বলেন প্রতিপক্ষ হেলাল ও বেলাল গংরা আদালতে মামলা চলমান থাকা স্বত্বে ও দীর্ঘদিন যাবত তাদের বসতঘরের জমিটি দাবী করছিল। মঙ্গলবার ( ১৮ মার্চ) রাতে অতর্কিত লাঠিসোটা দা ছুরি নিয়ে আমার দেবর ভ্যানচালক আরিফ ও আমার সন্তানদের উপর হামলা চালায়। ওরা বহিরাগত লোক নিয়ে আমার কলেজ পড়–য়া সন্তান সাদিয়া সুলতানা ( ২০), স্কুল পড়–য়া আরেফা আক্তার আন্নী ( ১৭), নুসরাত জাহান (১২), আমার অপর জ্যা হাসনা বানু (৬০)সহ ছোট বড় অন্ত:ত ১০ জনকে পিটিয়ে আহত করে আমাদের ঘরের মালামাল সব রান্নাঘরের দিকে ফেলে দিয়ে বসতগৃহ দখল নেয়। এক পর্যায়ে মীরসরাই থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকা সহ আইনি ভাবে আগানোর ও স্থিতি অবস্থার পরামর্শ প্রদান করেন। আহতদের মধ্যে সাদিয়া সুলতানাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে সেবা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাড়ীর বৃদ্ধা বিবি আয়েশা ( ৭৪) এই বিষয়ে বলেন জমি পেয়ে থাকলে বাড়ীর ও এলাকার মানুষ ও আইন আদালতের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। এভাবে শিশু নারী- পুরুষের উপর নগ্নভাবে হামলা করার সঠিক বিচার প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এই বিষয়ে হামলাকারী প্রতিপক্ষের বেলাল হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই জমিটি আমাদের, ওরা জোর ঘরে ঘর নির্মান করেছে। ওরা ওদের জমির দখল নিয়েছি মাত্র এমনটাই বলে । এদিকে উক্ত ঘটনার পর এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সহ মমতাজ বেগম ও ভ্যানচালক আরিফ তার পরিবার নিয়ে একটি রান্নাঘর ও একটি গোয়াল ঘরে মালামাল নিয়ে অবস্থান করছেন। হামলার ঘটনার সুরাহা সহ মানবেতর জীবনযাপনের মানবিক সমাধান প্রত্যাশা করছেন বাড়ীর অন্যান্য সকলে ও এলাকাবাসী।
এই বিষয়ে মীরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন উক্ত বিষয়ে বুধবার ( ১৯ মার্চ) সকালে আমরা উভয় পক্ষের চলমান বিভিন্ন অভিযোগাদি গ্রহন করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন সহ সুষ্ট সমাধানের চেষ্টা ও অব্যাহত রয়েছে।
