কুমারখালী উপজেলার কালুয়া এলাকায় তরমুজ খেয়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু ও ১৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। রোববার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্মৃতি উপজেলার কালুয়া এলাকার আসকর আলীর মেয়ে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এঘটনায় হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন।আহতরা-হলেন আসকর ও তার স্ত্রী রেবেকা, ঝন্টু, রেখা মীম, জীম, আলতাফ, মারুফ, আবুল,কাশেম, নিলুফা, সারুফ, নীলা মোনয়ারা, ফজিলা। এরা সবাই আসকরের আত্মিয়স্বজন।নিহতের চাচা রাসেল বলেন, শনিবার রাতে আসকর ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার সময় কুমারখালী বাজার থেকে একটি বড় ডোরাকাটা তরমুজ কিনে বাড়িতে আসে। রোববার সকালে সেই তরমুজ বাড়ির লোকজনসহ অন্য স্বজনরা খায়। এরপরেই সবার ডায়রিয়া, বমি ও পেট ব্যথা শুরু হয়। দুপুরে এলাকাবাসীরা তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে নেয়ার পথে আসকরের মেয়ে স্মৃতির মৃত্যু হয়।কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরবিন্দ পাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে ১টা দিকে অসুস্থ ১৮ রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে স্মৃতি নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে রাসেল নামের আরেক রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অসুস্থদের হাত-মুখ ফোঁলা ছিল। এবং তারা প্রচণ্ড পেট ব্যথায় কাঁতরাচ্ছিল। তরমুজে বিষাক্ত কেমিকেল থাকায় তারা খাদ্য বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আজিজুন নাহার ও কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঢাকার আইসিসিইউ টিমকে জানানো হয়েছে। তারা কুষ্টিয়া রওয়ানা দিয়েছে। তবে রোগীদের ঠিকমতো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
উৎস- যুগান্তর

