Wednesday, September 26Welcome khabarica24 Online

সুস্বাস্থ্য

যে ৬ কারণে নিয়মিত গাজর খাবেন…

যে ৬ কারণে নিয়মিত গাজর খাবেন…

গাজর কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না যে কোন ভাবেই খাওয়া যায়। কেন গাজর খাবেন? গাজরের গুণাগুণ সম্পর্কে জানতে সারা বিশ্বে বহু গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। গাজরের অসংখ্য গুণের মধ্য থেকে ৬টি সেরা স্বাস্থ্য-উপকারিতার তথ্য এখানে উপস্থাপন করা হলো:  বার্ধক্য দেরিতে আসে: অবশ্যই প্রথম যে বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হলো একটি সুনয়ন্ত্রিত জীবনযাপন পদ্ধতি বা লাইফস্টাইল। খাদ্যাভ্যাস সেখানে অন্যতম ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন গাজর খাওয়ার অভ্যাসে আপনি বার্ধক্যকে অপেক্ষা করাতে পারেন দীর্ঘ সময়ের জন্য। কারণ, অ্যান্টি-এজিং যে খাবারগুলো রয়েছে, তার মধ্যে গাজর অন্যতম। বিটা-ক্যারোটিন জাতীয় অ্যান্টি অক্সিডেন্টে উপাদানে সমৃদ্ধ গাজর ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ ফেলতে দেয় না। শরীরের ভেতরটা সজীব থাকার ফলে বাইরেও তারুণ্যের ভাবটা বজায় থাকে।  সৌন্দর্য বাড়ায়: গাজর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ। এ দুটি উপাদানই ত্বক, চুল ও নখের সৌন্দর্য
যে ৫ বিশেষ কারণে নিয়মিত ব্যায়াম করবেন

যে ৫ বিশেষ কারণে নিয়মিত ব্যায়াম করবেন

ব্যায়ামের কোন নেতিবাচক দিক নেই। স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বরাবরই বিষয়টা প্রমাণ করেছেন। কেন আপনি ব্যায়াম করবেন? নিচে ৫টি বিশেষ কারণ উল্লেখ করা হলো, যা আপনাকে ব্যায়ামের প্রতি উৎসাহিত করবে: আত্মবিশ্বাস বাড়ায়: যারা ব্যায়ামের একটি রুটিন অনুসরণ করেন, তারা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও আত্মপ্রত্যয়ী। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ব্যায়াম করা শুরু করেছেন, তাদের আত্মবিশ্বাসের স্তরটাও ধীরে ধীরে বাড়তে আরম্ভ করেছে। সামান্য শরীরচর্চাতেও তারা উপকার পেয়েছেন। সুস্বাস্থ্যের জন্য: ব্যায়াম শুধু দৃঢ় শারীরিক ও মানসিক গঠনের মূলে রয়েছে, তা নয়। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। মুড ভালো রাখে: যাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বা হতাশায় ভোগার প্রবণতা বেশি, ব্যায়ামের পর তারা অনেক ভালো ও হালকা অনুভব করেন। মানসিক চাপমুক্ত থাকতে সহায়তা করে ব্যায়াম। কর্মক্ষমতা, দক্ষতা ও স
হার্ট অ্যাটাক : প্রয়োজন সাবধানতা

হার্ট অ্যাটাক : প্রয়োজন সাবধানতা

হৃদপিণ্ডের কোনো অংশে, যেমন পেশীতে যদি অক্সিজেনপূর্ণ রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তখন হার্ট অ্যাটাক হয়। যদি যথাসময়ে সেই রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা যায় তবেই আবার সব স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। আর যদি না যায়, তাহলে হৃদপিণ্ডের ওই অংশ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে মানুষের মত্যু পয়ন্ত ঘটতে পারে। উপসর্গ হার্ট অ্যাটাকে সবার ক্ষেত্রে একই রকম উপসর্গ নাও হতে পারে। অনেক সময় কোনোরকম উপসর্গ ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হয়। একে নীরব হার্ট অ্যাটাক বলে। তবে সাধারণত নিম্নোক্ত উপসর্গ দেখা যায়- বুকে চাপ চাপ ব্যাথা বা এর আগে অন্য কোনো কারণে বুকব্যাথা থাকলে তার পরিবর্তন হওয়া এবং অন্য ধরনের ব্যাথা অনুভুত হওয়া। ব্যাথার স্থায়িত্বকাল কয়েক মিনিট হতে কয়েক ঘণ্টাও হতে পারে। ব্যথার তীব্রতা কম বা অনেক বেশিও হতে পারে। অনেক সময় পেটে গ্যাস হলে যেমন ব্যথা হয় এখানেও তেমন ব্যথা হতে পারে। শরীরের উপরের অংশে অস্বস্তি অনুভুত হও
মাছের তেলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি

মাছের তেলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি

মাছের তেল স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। সাম্প্রতিক সময়ের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্যটি। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের আকার বৃদ্ধি করে এবং অ্যালঝেইমার্সের মতো জটিল অসুখও প্রতিরোধ করে মাছের তেল। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ নিউরোলজির একটি জার্নালে এই গবেষণা রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে। নারীদের স্বাস্থ্য ও স্মৃতি সংক্রান্ত একটি গবেষণা রিপোর্টে গবেষকরা জানিয়েছেন, মাছের তেলে থাকা উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের আকার বৃদ্ধি করে। একই সাথে বয়স্কদের স্মৃতিধারণ ক্ষমতা আরো দু-এক বছর বাড়িয়ে দেয়। সঙ্কুচিত মস্তিষ্ক অ্যালঝেইমার্সের লক্ষণ। মধ্যবয়সীদেরও এই সমস্যা হতে পারে। এই গবেষণায় এক হাজার ১১ জন নারীর লোহিত রক্তকণিকায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই সময় তাদের বয়স ছিল গড়ে ৭৮ বছর। ৮ বছর পরে ওই নারীদের এমআরআই স্ক্যান করে দেখা গেছে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ যাদের বেশি রয়েছে, তাদের ম
সাবধান! ওজন কমাতে গিয়ে যা করবেন না…

সাবধান! ওজন কমাতে গিয়ে যা করবেন না…

ওজন কমানোর চেষ্টায় উল্টো আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে বা আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। ওজন কমাতে ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে গিয়ে অনেকেই একটা ভুল করে বসেন। তারা হয়তো কোন এক বেলার খাবারই খান না বা একেবারেই অল্প খান। কিন্তু, তারা যেটা ভুলে যান, সেটা হলো সবকিছুই একটি পরিমিত মাত্রায় করা ভালো। কারণ, যে কোন এক বেলার খাবার না খেলে, শরীরের যা উপকার হবে, তার চেয়ে ক্ষতি হবে ঢের বেশি। এ ধরনের বিপজ্জনক অভ্যাসে আপনার শরীর অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানসমূহ থেকে বঞ্চিত হয়। এটা বিপাকীয় বা হজম প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে, যার কারণে ওজন বেড়ে যায় বা ডায়াবেটিসের সমস্যায় আক্রান্ত হন ওই ব্যক্তি। বিশেষ করে সকালের নাস্তা না খাওয়ার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। তারা চান খুব দ্রুত অতিরিক্ত ওজন শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতে। তা করতে গিয়ে স্বাভাবিক বিপাকীয় প্রক্রিয়াকেই নষ্ট করে ফেলেন তারা। আমরা যে খাবার খা