
বিশেষ প্রতিনিধি- গাজায় চলমান যুদ্ধ ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু মন্ত্রিসভার পরামর্শে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অভিবাসন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং একটি বিশেষ উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করার জন্য “Maldivians in Solidarity with Palestine” নামে একটি তহবিল সংগ্রহ কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।
ইসরায়েল সরকার এই নিষেধাজ্ঞার পর তাদের নাগরিকদের মালদ্বীপ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে এবং যারা বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন, তাদের দ্রুত ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছে। মালদ্বীপের এই সিদ্ধান্তে দেশটির পর্যটন শিল্পে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে, কারণ ২০২৩ সালে প্রায় ১১ হাজার ইসরায়েলি নাগরিক মালদ্বীপ সফর করেছিলেন, যা সে বছরের মোট বিদেশি পর্যটকের শতকরা শূন্য দশমিক ছয় ভাগ।
মালদ্বীপ ১৯৭৪ সালেই ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। পরে ২০১০ সালে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ২০১২ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই প্রচেষ্টা স্থগিত হয়। সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মালদ্বীপ আবারও ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
