Saturday, October 24Welcome khabarica24 Online

হরতাল-অবরোধের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা ১ এপ্রিল

image_204498.hsc

 

হরতাল-অবরোধের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১ এপ্রিল বুধবার। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৬৭ হাজার ৪৯০ জন। মোট অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর মধ্যে এবার ছাত্র ৫ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৩ এবং ছাত্রী ৫ লাখ ২ হাজার ৮৯১ জন।

এবার ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৩, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৮৪ হাজার ৩৬০, কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৯৮ হাজার ২৪৭ ও ডিআইবিএসে (ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ) ৪ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানে তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ১৩ জুন থেকে ২২ জুন।

তিনি বলেন, আমরা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা নিচ্ছি। আতঙ্কের মধ্যে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। এটা কাটিয়ে উঠতে তাদের ৩০-৪০ বছর লাগবে, আমাদের এর খেসারত দিতে হবে। হরতাল-অবরোধের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে নাহিদ বলেন, কোনো হরতাল-অবরোধ আসলে হচ্ছে না। পরীক্ষা না নিলে ছেলেমেয়েদের এক বছর নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পাবলিক পরীক্ষার মধ্যে হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি না রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আবারও আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা শেষ হবে ১১ জুন। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ জুন শুরু হয়ে শেষ হবে ২২ জুন। এবার ৮ হাজার ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ২ হাজার ৪১৯টি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া দেশের বাইরে ৭টি কেন্দ্রে ২৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মন্ত্রী জানান, ২০১২ সালে শুধু বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা সৃজনশীল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রের পরীক্ষা সৃজনশীল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।