মেসির হাতে ট্রফি চান নেইমার
বপ্নপূরণের আনন্দ যেমন প্লাবিত করে হৃদয়কে, আশাভঙ্গের বেদনায় তেমনি হৃদয় হয় বিদীর্ণ। জীবনের মতো ফুটবলেও অঘটন-চক্রান্ত ওঁৎপেতে থাকে আশপাশে। জীবনের মতো ফুটবলেও দুর্ঘটনা-দুর্বিপাক হানা দেয় অকস্মাৎ। কত স্বপ্ন নিয়ে সেলেকাওরা সাজিয়েছিল বিশ্বকাপের সংসার। সেই সংসার সুখে থৈ থৈ করছিল হলুদ-সবুজের সমারোহে।
হঠাৎ সাত গোলের প্লাবনে ভেসে গেল আনন্দের খড়কুটো। আমাজন অরণ্যের নিঃসীম শূন্যতা সাও পাওলো থেকে রিও ডি জেনিরোতে।
ঘরভর্তি অতিথি, অথচ কর্তা নিঃসঙ্গ! নিজেদের আঙিনায় বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপে ব্রাজিল দর্শক। সাত গোলের অঙ্গারে পুড়ছে। মারাকানায় রবিবাসরীয় দ্বৈরথ। সেখানে আর্জেন্টিনা-জার্মানি লড়বে প্রাণপাত। জীবনের চাইতেও বড় যুদ্ধ। মেসি-মুলাররা নিজেদের নিংড়ে দেবেন মুকুট মাথায় তুলতে। সেখানে ব্রাজিল নেই। নেইমার নেই। ৬৪ বছর আগে মারাকানায় যে অঘটনের আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল সারা ব্রাজিলে, তার আঁচ এতদিন পরও ডেভিড লুইজরা পাচ্ছেন স...







