বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টির কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে রাজধানীবাসী। গত কয়েকদিনের প্রচণ্ড দাবদাহের পর বুধবার রাজধানী ও এর আশপাশ এলাকায় স্বস্তির বৃষ্টি হয়। এতে নগরবাসী কিছুটা স্বস্তি পেলেও বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার পর থেকে ১০ পর্যন্ত থেমে থেকে কয়েক দফার ভারি বৃষ্টিতে রাজধানীর বেশিভাগ এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে কর্মমুখী মানুষ। এসব মানুষদের কেউ কেউ বাধ্য হয়ে আবার বাসায় ফিরে যান। আবার কেউ কেউ পায়ে হেঁটে অফিসমুখি হতে দেখা যায়।নগরের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার তুমুল বৃষ্টিতে শান্তিনগর, মগবাজার, মালিবাগ-মৌচাক, মুগদা, কাজলা, শ্যামপুর, জুরাইন, ডেমরা, ফরিদাবাদ, নয়াপল্টন, রাজারবাগ, শ্যাওড়াপারা এবং মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক তলিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটু পানি জমে গেছে। এমতাবস্তায় পানিতে কোনো গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। আবার পানিতে দীর্ঘক্ষণ আটকা থাকতেও দেখা যায়।প্রকৃতির এমন নিয়তির সামনে পড়ে অফিসমুখো অনেক পথচারী হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট গুটিয়ে ও জুতা হাতে নিয়ে রাস্তা পার হন। এদের অনেকে আবার বাস না চলার কারণে পা হেঁটেই নিজের গন্তব্যে পৌঁছান। আর যারা যাতায়াতের জন্য রিকশা, অটোরিকশা বা অন্য কোনো যান ব্যবহার করছেন তাদেরকে একটু বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে। যদিও তা ছিল খুবই নগন্য।অস্বস্তির এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন মিরপুর থেকে কালশি হয়ে যারা বিমানবন্দর, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর কিংবা বসুন্ধরা, নতুন বাজার, বাড্ডার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। কারণ কালশি রোডের রাস্তাটি পুরোটায় পানিতে তলিয়ে ছিল। যে কারণে সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে ছিল ওই রুটে চলাচলকারী বাসগুলো। এদের মধ্যে অনেকে কোনো উপায়ন্ত না দেখে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পর আবার বাসায় ফিরে যান।

