Tuesday, July 28Welcome khabarica24 Online

সিম নিবন্ধনের সময় বাড়লো এক মাস

i_image_1462030227

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে এক মাস ।আগামী ৩১ মে রাত ১২টা পর্যন্ত সিম পুনঃনিবন্ধন করা যাবে। এরপর যেসব সিমের নিবন্ধন থাকবে না, সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। বিভিন্ন কারণে কয়েক কোটি সিম নিবন্ধিত না হওয়ায় বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষাপটে ঘোষিত সময়সীমার শেষ দিনে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

 

গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙুলের ছাপ নিয়ে মোবাইল সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার সময়সীমা আজ শেষ হওয়ার ঘোষণা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের হাতে থাকা ১৩ কোটি মোবাইল সিমের মধ্যে দুপুর পর্যন্ত ৮ কোটি ৯০ লাখ সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত হয়। এর বাইরে আঙুলের ছাপ না মেলাসহ বিভিন্ন কারণে সোয়া এক কোটি গ্রাহক সিম নিবন্ধনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলে সময় বাড়ানোর দাবি উঠে।

 

বিকালে বিটিআরসিতে সাংবাদিক সম্মেলনে তারানা হালিম বলেন, ‘৩১ মে রাত ১২টার পর কোনো সতর্ক সঙ্কেত ছাড়া সাময়িক নয়, আমরা সম্পূর্ণভাবে সিমটি ডি-অ্যাকটিভ করে দেব। এখনও যারা সিম নিবন্ধন করেননি, তাদের পুনঃনিবন্ধনের জন্য সতর্কবার্তাও দেয়া হবে। পাশাপাশ অনিবন্ধিত কিছু সিম কাল থেকে (আজ) থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এক বারের জন্য তিন ঘণ্টা বন্ধ রাখা হবে। ৩১ মে রাত ১২টার পর যে সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে পরবর্তী ১৫ মাস সেগুলোর বিক্রি স্থগিত থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করলে গ্রাহক সিম ফিরে পাবেন।’

 

দুপুরে হোটেল ওয়েস্টিনে এক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, কোন পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এমন একটি টাওয়ার গাইডলাই তৈরী করা হচ্ছে। ‘বাংলাদেশে টাওয়ার ব্যবসার সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি)। এসময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শওকত মোস্তফা, বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, মহাপরিচালক এমদাদুল বারী, অ্যামটব মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবির, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফায়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসাইনসহ বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য রাখনে।

 

বিকেলে এদিকে অপর এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত না হওয়া মোবাইল ফোন নম্বরগুলো বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা থাকলেও প্রায় ১৫ লাখ প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে সেটা কার্যকর হবে না। শুধু আঙুলের ছাপের পরিবর্তে আইরিশ, রেটিনা, মুখমণ্ডল, ডিএনএ, স্বাক্ষর ও হাতের তালুসহ বিভিন্ন চিহ্নিতকরণ পদ্ধতি ব্যবহার না করায় ক্ষোভও ঝরে প্রতিবন্ধীদের কণ্ঠে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে প্রায় ১৫ লাখ প্রতিবন্ধী মানুষ আছেন। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে তাদের তালিকা ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করব। সেই অনুযায়ী মোবাইল নম্বরগুলো যাতে বন্ধ না হয় সে ব্যবস্থা করব। প্রতি শনিবার প্রতিবন্ধীদের জন্য কাস্টমার সেন্টারগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থাও চালু রাখা হবে।’