শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

নতুন গ্যাসক্ষেত্রে আরও একটি স্তরের সন্ধান

29046_b3

রূপগঞ্জে আবিষ্কৃত নতুন গ্যাসক্ষেত্রটির আরও একটি স্তরে গ্যাস পেয়েছে রাষ্ট্রীয় তেল, গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনকারী সংস্থা বাপেক্স। এ গ্যাসকূপটি খনন করা হয়েছে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর এলাকায়। বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ বাকি এ তথ্য জানিয়েছেন। ১৪ই জুন এ ক্ষেত্রটিতে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তখন কূপটির ৩,৬০০ মিটার গভীরে গ্যাসের সন্ধান মিলে। গতকাল কূপটির ৩৩০০ মিটার গভীরে আরেকটি স্তর থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, গ্যাসের এই নতুন স্তরটি প্রায় ৬ মিটার পুরু। শুরুতেই ২৫০০ পিএসআই (পাউন্ড পার ইঞ্চ) চাপে কূপটি থেকে গ্যাস উঠছে। কূপটিতে গ্যাস উত্তোলনের চাপ রয়েছে ২২০০ পিএসআই (পাউন্ড পার ইঞ্চ)। নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রে কি পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে- জানতে চাওয়া হলে বাকি বলেন, এখানে আনুমানিক ৫০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি আমরা। গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ২০১০ সালে দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালায় বাপেক্স। ওই জরিপেই রূপগঞ্জের গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। রূপগঞ্জেরটি নিয়ে বাংলাদেশে মোট গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬টি। দেশের ২৫টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। তারপরও বর্তমানের গ্রাহকদের মধ্যেই ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে, এখনও ১৫ দশমিক ৩২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রমাণিত মজুত রয়েছে বলে পেট্রোবাংলার হিসাব।