বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

সরকারের ওপর জনগণের আস্থা আছে

50969_hs

 

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বর্তমান সরকারকে উৎখাতে অনবরত হুমকি দিচ্ছে, সময় বেঁধে দিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েও জনগণের কাছ থেকে ন্যুনতম কোন সাড়া পাচ্ছে না। এতেই প্রমাণ হয়, বর্তমান সরকারের ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। কারণ দেশের জনগণ জানে যে, বর্তমান সরকারই পারবে দেশকে উন্নত করতে। তাই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, কেউ এই অগ্রযাত্রা পিছিয়ে দিতে পারবে না। সম্প্রতি কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ) ও ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)তে বাংলাদেশের দুই প্রার্থীর বিজয়কে ‘বিরল অর্জন এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সংসদের প্রতি বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আস্থার বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে একটি প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, কার্যকর ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত লাভ করেছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের জয়লাভ একদিকে যেমন বিরল অর্জন, তেমনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে আমাদের ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রমাণ। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি বিশ্ববাসীর শ্রদ্ধা এবং অকুন্ঠ সমর্থন এ বিজয়ের অন্যতম একটি কারণ বলে আমি মনে করি। বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফ ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সিপিএ ও আইপিইউতে বাংলাদেশের দুই প্রার্থীর বিজয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি আগে একজন যুদ্ধাপরাধীকে (সাকা চৌধুরী) ওআইসিতে প্রার্থী করেছিল। কিন্তু বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ওই যুদ্ধাপরাধীকে ভোট দেয়নি। প্রথম রাউন্ডে বিএনপির প্রার্থী দুই ভোট এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে ওই যুদ্ধাপরাধী শুধু নিজের একটি ভোট পেয়েছে। আমরা ওই দুই বিশ্ব সংস্থায় দু’জন বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে প্রার্থী করেছিলাম বলেই এ বিজয় সম্ভব হয়েছে। সংসদ নেতা বলেন, সিপিএ ও আইপিইউতে বিজয়ের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অব্যাহত অগ্রযাত্রার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় পুরোপুরি আস্থা রাখে।