মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

যাত্রীদের ফোন বেজেছে কেন- প্রশ্ন স্বজনদের

1394617463bü

বিমান নিখোঁজ হওয়ার পরও সেই যাত্রীদের ফোনে রিং হয়েছে। নিখোঁজ বিমানের স্বজনদের এমন দাবির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।মালয়েশিয়ার বিমান নিখোঁজের পাঁচদিনের মাথায় যাত্রীদের স্বজনের সঙ্গে দেখা করে এ কথা বলেন চীনে নিযুক্ত মালয়েশীয় রাষ্ট্রদূত ও এয়ারলাইনসটির প্রতিনিধি।চীনের বেইজিংয়ের একটি হোটেলে প্রথমবারের মতো ওই প্রতিনিধি এ কথা বলেন।নিখোঁজ বিমানে থাকা স্বজনদের খবর জানতে ওই হোটেলে ৩০০ জনের মতো স্বজন দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের পেয়ে এক স্বজন জানতে চাইলেন, নিখোঁজ ফ্লাইটের পাইলটদের কাছ থেকে শোনা সর্বশেষ কী খবর ছিল?
জবাবে জানানো হয়, বিমানটি তখন মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দক্ষিণ চীন সাগরের ওপরে ছিল। বিমানটি চলার পথ বাতলে দেয়ার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তখন ভিয়েতনামের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ বিষয়টি পাইলটদের জানানো হলে তারা উত্তরে বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি।’
এরপর স্বজনরা বলেন, তারা কয়েকজন বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পর্যন্ত তাদের প্রিয়জনের কাছে ফোন করেছেন। সেই ফোনে রিং বেজেছে। এর জবাবে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।
এসময় স্বজনরা জানতে চান, বিমানটির সন্ধানে স্থলভাগে কোনো ধরনের তল্লাশি চালানো শুরু হয়েছে কি না? কিংবা মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা কোনো তথ্য গোপন করছেন কি না?
বিবিসির খবরে বলা হয়, স্বজনদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের এই আলোচনায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে চীনের সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ইন্টারনেটে প্রকাশিত তাদের খবর থেকে জানা গেছে, চীনে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ইস্কান্দার সারুদিন স্বজনদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, স্বজনদের সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়া সব ধরনের চেষ্টা করবে। এতে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আপনারা যেসব প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তা মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। তাদের জবাব পাওয়ার পর এ ব্যাপারে আপনাদের জানানো হবে।
তবে ইন্টারনেট থেকে পাওয়া অসমর্থিত খবরা-খবর আপনাদের জানাবো না। আমাদের বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে আপনাদের কাছে থাকবেন। সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আপনাদের নিয়মিত জানাবেন। গত শুক্রবার মধ্যরাতে ১৪টি দেশের ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংগামী ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আরোহী ১৫৩ জন ছিলেন চীনের। ভিয়েতনামের দক্ষিণে জলসীমায় যাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর পাঁচদিনে ২২টি বিমান ও ৪০টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান হন্যে হয়ে খুঁজছে উড়োজাহাজটিকে। গতকাল মঙ্গলবার এ জন্য চীন ১০টি স্যাটেলাইট মোতায়েন করেছে।

বিমান নিখোঁজ হওয়ার পরও সেই যাত্রীদের ফোনে রিং হয়েছে। নিখোঁজ বিমানের স্বজনদের এমন দাবির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।মালয়েশিয়ার বিমান নিখোঁজের পাঁচদিনের মাথায় যাত্রীদের স্বজনের সঙ্গে দেখা করে এ কথা বলেন চীনে নিযুক্ত মালয়েশীয় রাষ্ট্রদূত ও এয়ারলাইনসটির প্রতিনিধি।

চীনের বেইজিংয়ের একটি হোটেলে প্রথমবারের মতো ওই প্রতিনিধি এ কথা বলেন।

নিখোঁজ বিমানে থাকা স্বজনদের খবর জানতে ওই হোটেলে ৩০০ জনের মতো স্বজন দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের পেয়ে এক স্বজন জানতে চাইলেন, নিখোঁজ ফ্লাইটের পাইলটদের কাছ থেকে শোনা সর্বশেষ কী খবর ছিল?

জবাবে জানানো হয়, বিমানটি তখন মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দক্ষিণ চীন সাগরের ওপরে ছিল। বিমানটি চলার পথ বাতলে দেয়ার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তখন ভিয়েতনামের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ বিষয়টি পাইলটদের জানানো হলে তারা উত্তরে বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি।’

এরপর স্বজনরা বলেন, তারা কয়েকজন বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পর্যন্ত তাদের প্রিয়জনের কাছে ফোন করেছেন। সেই ফোনে রিং বেজেছে। এর জবাবে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

এসময় স্বজনরা জানতে চান, বিমানটির সন্ধানে স্থলভাগে কোনো ধরনের তল্লাশি চালানো শুরু হয়েছে কি না? কিংবা মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা কোনো তথ্য গোপন করছেন কি না?

বিবিসির খবরে বলা হয়, স্বজনদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের এই আলোচনায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে চীনের সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত তাদের খবর থেকে জানা গেছে, চীনে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ইস্কান্দার সারুদিন স্বজনদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, স্বজনদের সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়া সব ধরনের চেষ্টা করবে। এতে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আপনারা যেসব প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তা মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। তাদের জবাব পাওয়ার পর এ ব্যাপারে আপনাদের জানানো হবে।

তবে ইন্টারনেট থেকে পাওয়া অসমর্থিত খবরা-খবর আপনাদের জানাবো না। আমাদের বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে আপনাদের কাছে থাকবেন। সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আপনাদের নিয়মিত জানাবেন।

গত শুক্রবার মধ্যরাতে ১৪টি দেশের ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংগামী ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আরোহী ১৫৩ জন ছিলেন চীনের।

ভিয়েতনামের দক্ষিণে জলসীমায় যাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর পাঁচদিনে ২২টি বিমান ও ৪০টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান হন্যে হয়ে খুঁজছে উড়োজাহাজটিকে। গতকাল মঙ্গলবার এ জন্য চীন ১০টি স্যাটেলাইট মোতায়েন করেছে।

– See more at: http://www.mtnews24.com/details.php?id=10425&page=2#sthash.jHd7BP0x.dpuf

বিমান নিখোঁজ হওয়ার পরও সেই যাত্রীদের ফোনে রিং হয়েছে। নিখোঁজ বিমানের স্বজনদের এমন দাবির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।মালয়েশিয়ার বিমান নিখোঁজের পাঁচদিনের মাথায় যাত্রীদের স্বজনের সঙ্গে দেখা করে এ কথা বলেন চীনে নিযুক্ত মালয়েশীয় রাষ্ট্রদূত ও এয়ারলাইনসটির প্রতিনিধি।

চীনের বেইজিংয়ের একটি হোটেলে প্রথমবারের মতো ওই প্রতিনিধি এ কথা বলেন।

নিখোঁজ বিমানে থাকা স্বজনদের খবর জানতে ওই হোটেলে ৩০০ জনের মতো স্বজন দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের পেয়ে এক স্বজন জানতে চাইলেন, নিখোঁজ ফ্লাইটের পাইলটদের কাছ থেকে শোনা সর্বশেষ কী খবর ছিল?

জবাবে জানানো হয়, বিমানটি তখন মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দক্ষিণ চীন সাগরের ওপরে ছিল। বিমানটি চলার পথ বাতলে দেয়ার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তখন ভিয়েতনামের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ বিষয়টি পাইলটদের জানানো হলে তারা উত্তরে বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি।’

এরপর স্বজনরা বলেন, তারা কয়েকজন বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পর্যন্ত তাদের প্রিয়জনের কাছে ফোন করেছেন। সেই ফোনে রিং বেজেছে। এর জবাবে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

এসময় স্বজনরা জানতে চান, বিমানটির সন্ধানে স্থলভাগে কোনো ধরনের তল্লাশি চালানো শুরু হয়েছে কি না? কিংবা মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা কোনো তথ্য গোপন করছেন কি না?

বিবিসির খবরে বলা হয়, স্বজনদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের এই আলোচনায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে চীনের সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত তাদের খবর থেকে জানা গেছে, চীনে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ইস্কান্দার সারুদিন স্বজনদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, স্বজনদের সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়া সব ধরনের চেষ্টা করবে। এতে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আপনারা যেসব প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তা মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। তাদের জবাব পাওয়ার পর এ ব্যাপারে আপনাদের জানানো হবে।

তবে ইন্টারনেট থেকে পাওয়া অসমর্থিত খবরা-খবর আপনাদের জানাবো না। আমাদের বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে আপনাদের কাছে থাকবেন। সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আপনাদের নিয়মিত জানাবেন।

গত শুক্রবার মধ্যরাতে ১৪টি দেশের ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংগামী ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আরোহী ১৫৩ জন ছিলেন চীনের।

ভিয়েতনামের দক্ষিণে জলসীমায় যাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর পাঁচদিনে ২২টি বিমান ও ৪০টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান হন্যে হয়ে খুঁজছে উড়োজাহাজটিকে। গতকাল মঙ্গলবার এ জন্য চীন ১০টি স্যাটেলাইট মোতায়েন করেছে।

– See more at: http://www.mtnews24.com/details.php?id=10425&page=2#sthash.jHd7BP0x.dpuf

বিমান নিখোঁজ হওয়ার পরও সেই যাত্রীদের ফোনে রিং হয়েছে। নিখোঁজ বিমানের স্বজনদের এমন দাবির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।মালয়েশিয়ার বিমান নিখোঁজের পাঁচদিনের মাথায় যাত্রীদের স্বজনের সঙ্গে দেখা করে এ কথা বলেন চীনে নিযুক্ত মালয়েশীয় রাষ্ট্রদূত ও এয়ারলাইনসটির প্রতিনিধি।

চীনের বেইজিংয়ের একটি হোটেলে প্রথমবারের মতো ওই প্রতিনিধি এ কথা বলেন।

নিখোঁজ বিমানে থাকা স্বজনদের খবর জানতে ওই হোটেলে ৩০০ জনের মতো স্বজন দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের পেয়ে এক স্বজন জানতে চাইলেন, নিখোঁজ ফ্লাইটের পাইলটদের কাছ থেকে শোনা সর্বশেষ কী খবর ছিল?

জবাবে জানানো হয়, বিমানটি তখন মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দক্ষিণ চীন সাগরের ওপরে ছিল। বিমানটি চলার পথ বাতলে দেয়ার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তখন ভিয়েতনামের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ বিষয়টি পাইলটদের জানানো হলে তারা উত্তরে বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি।’

এরপর স্বজনরা বলেন, তারা কয়েকজন বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পর্যন্ত তাদের প্রিয়জনের কাছে ফোন করেছেন। সেই ফোনে রিং বেজেছে। এর জবাবে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

এসময় স্বজনরা জানতে চান, বিমানটির সন্ধানে স্থলভাগে কোনো ধরনের তল্লাশি চালানো শুরু হয়েছে কি না? কিংবা মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা কোনো তথ্য গোপন করছেন কি না?

বিবিসির খবরে বলা হয়, স্বজনদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের এই আলোচনায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে চীনের সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত তাদের খবর থেকে জানা গেছে, চীনে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ইস্কান্দার সারুদিন স্বজনদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, স্বজনদের সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়া সব ধরনের চেষ্টা করবে। এতে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আপনারা যেসব প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তা মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। তাদের জবাব পাওয়ার পর এ ব্যাপারে আপনাদের জানানো হবে।

তবে ইন্টারনেট থেকে পাওয়া অসমর্থিত খবরা-খবর আপনাদের জানাবো না। আমাদের বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে আপনাদের কাছে থাকবেন। সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আপনাদের নিয়মিত জানাবেন।

গত শুক্রবার মধ্যরাতে ১৪টি দেশের ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংগামী ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আরোহী ১৫৩ জন ছিলেন চীনের।

ভিয়েতনামের দক্ষিণে জলসীমায় যাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর পাঁচদিনে ২২টি বিমান ও ৪০টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান হন্যে হয়ে খুঁজছে উড়োজাহাজটিকে। গতকাল মঙ্গলবার এ জন্য চীন ১০টি স্যাটেলাইট মোতায়েন করেছে।

– See more at: http://www.mtnews24.com/details.php?id=10425&page=2#sthash.jHd7BP0x.dpuf