রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

মীরসরাই ট্রাজেডীর চতুর্থ বার্ষিকী পালিত

mirsori tr, chobi 1111
অশ্র“সজল নয়নে গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নিজে শনিবার (১১ জুলাই ) সকাল ১১টায় নিহত ৪৪ শিশুদের স্মরনে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন স্মৃতিসৌধ আবেগ এ। ঘোষনা দেন এই শিশুদের নিহত হবার ঘটনাস্থল সেই মরণ খাদে শীঘ্রই নির্মান কাজ শুরু হওয়া অন্তিম ১ বছরের বধ্যেই সম্পন্ন হবার। এলজিইডি মন্ত্রনালয় থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজ শুরু হওয়া এই স্মৃতি সৌধে আগামী বছর এই দিনে ফুল দিবে পারবে সবাই বলেন মন্ত্রী। এছাড়াও তিনি দূর্ঘটনায় দায়ী অদক্ষ চালকদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আইন প্রণয়নে সংসদে প্রস্তাব রাখবেন বলে জানান।
সকাল ১১টায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয় আঙ্গিনায় পৌছালেই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শোকাবহ মীরসরাই ট্রাজেডীর চতুর্থ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
র‌্যালিশেষে মন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নিহত ছাত্রদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আরো বলেন ‘ এই শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন ‘‘ দূর্ঘটনায় দায়ী অদক্ষ চালকদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আইন প্রণয়নে সংসদে প্রস্তাব ও রাখবো আমি।’ নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন গৃহায়ণ ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মহিউদ্দিন রাশেদ, উপজেলা প্যানেল চেয়ারম্যান ইয়াছমিন শাহীন কাকলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গির কবির চৌধুরী, মায়ানী ইউপি চেয়ারম্যান কবির নিজামী প্রমুখ। এছাড়া, যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, দূর্বার প্রগতি সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। বিকালে স্কুল প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৩টায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার আলম চৌধুরী ও বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুবুর রহমান রুহেল।

উল্লেখ্য ২০১১ সালের এই দিনে মীরসরাই ষ্টেডিয়াম থেকে খেলা দেখে যাওয়ার পথে আবুতোরাব সড়কের সৈদালী নামক স্থানে পিকআপ উল্টে ৪৪ জন স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর ১১ জুলাইকে মীরসরাই ট্রাজেডী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।