সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

মীরসরাইতে মানুষের হিংস্র লোভের শিকার পথ ভোলা চিত্রা হরিণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফুটফুটে সুন্দর একটি হরিণ। জাতে চিত্রা এবং এটি বিরল প্রজাপতির। আকারেও অনেক বড়। হরিণটি পথ ভুলে উপকূলীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে চলে আসে। কিন্তু মানুষের লোভ তাকে বাঁচতে দেয়নি। মীরসরাইয়ে উপকূলীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে চলে আসা চিত্রা হরিণটি জবাই করে মাংস ভাগ করার সময় ধরা পড়ল উপকূলীয় বনকর্মীদের হাতে। সোমবার গভীর রাতে বনকর্মীরা হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা জব্দ করে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রামের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর কার্যালয়ে এই বিষয়ে বন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় মীরসরাই উপজেলার উপকূলীয় সংরক্ষিত বন এলাকা থেকে গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যায় একটি হরিণ মিঠানালা ইউনিয়নের রহমতাবাদ গ্রামের লোকালয়ে চলে এলে এলাকার লোকজন হরিনটিকে ধাওয়া করলে হরিনটি স্থানীয় বাঘা দলিল এর বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে ও লোকজন হানা দিলে হরিনটি ওই বাড়ীর পুকুরে ঝাপ দিলে কিছু লোক
হরিনটি ধরে ফেলে। রাতে হরিণটি জবাই করে মাংস বাটোয়ারা করার সময় স্থানীয় বামনসুন্দর বন বিট কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন খবর পেয়ে বন কর্মীদের নিয়ে ছুটে আসে। এসময় সকলে পালিয়ে গেলে ও কিছু মাংস, হরিণের চামড়া ও মাথা উদ্ধার করে মীরসরাইয়ের উপকূলীয় রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসে। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপকূলীয় বন কর্মকর্তা আরএসএম মনিরুল ইসলাম বলেন এমন ঘটনা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন আইনে গুরুতর অপরাধ। তিনি জানান গতকাল মঙ্গলবার এই বিষয়ে বন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এমন অপরাধের বিষয়ে সবাইকে সচেষ্ট থেকে বন্যপ্রাণী রক্ষার সহযোগিতা করা সকলের দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি। উপকূলীয় মীরসরাই রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল হাসেম ভূঞা জানান জবাই করা হরিণপ্রজাজির চিত্র হরিণ। সাইজে ও অনেক বড়। তিনি বলেন উক্ত ঘটনায় নামীয় ও অজ্ঞাত সহ ১৫ জনকে আসামী করে উক্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে।