বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে চারটি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ

image_158499.2
জনশক্তি রপ্তানি, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা, পর্যটন খাতে সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে চারটি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীরা এসব চুক্তিতে সই করেন। স্বাক্ষরিত চুক্তির মধ্যে একটি হচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার ভিসাপ্রক্রিয়ার অসম্পূর্ণ শর্ত দূরীকরণ চুক্তি। এ ছাড়া জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে ২০১২ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক সংশোধনে একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভিসা সংক্রান্ত চুক্তির ফলে এখন থেকে দুই দেশের অফিসিয়াল ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীরা বিমানবন্দরে নেমে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন বলে জানান পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক।আর জনশক্তি রপ্তানির প্রটোকলের ফলে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক প্রদেশে ১২ হাজার বাংলাদেশির কাজের সুযোগ তৈরি হবে, যা পর্যায়ক্রমে বেড়ে ৬০ হাজারে উন্নীত হবে বলে জানান তিনি। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বড় বাজার মালয়েশিয়া। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন। এ ছাড়া পর্যটন খাতে সহযোগিতা এবং শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ে সহযোগিতায় দুটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে দুই দেশ। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভাল সম্পর্ক রয়েছে। এটাকে আমরা গ্রেটার হাইটসে নিয়ে যেতে চাই।স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় শেখ হাসিনা পুত্রাজায়ার পারদানা স্কয়ারে পৌঁছালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নাজিব রাজাক তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়, একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। পরে পারদানা মিটিং রুমে শুরু হয় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। পরে সেখানেই একটি চুক্তি, একটি প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকে সই করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। তিন দিনের সফরে মঙ্গলবার মালয়েশিয়ায় যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।