শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

মনের থেকেও জোরে দৌড়াবে ‘হাইপারলুপ ট্রেন’!

image_169419.33128-hyperlooptrain

মনের দৌড় কখনও অনুভব করেছেন? সেকেন্ডের কয়েকশো ভাগ গতিতে মন দৌড়ে বেড়ায়। মন আছে বলেই শুয়ে শুয়ে সুইজারল্যান্ড ঘুরে আসা যায়, আবার গালে হাত দিয়ে মঙ্গলের হালহকিকতও জানা যায়। ঠিক এইরকম গতিতে ট্রেন চালানোর পদ্ধতি ভাবা হচ্ছে যা বাস্তবে ভাবতে গেলে মনের সঙ্গে তুলনা করা ছাড়া উপায় নেই।ইলন মাস্ক ৬০ পাতার এমন এক খসড়া নিয়ে এসেছেন, যেখানে সান ফ্রান্সিসকো থেকে লস এঞ্জেলস যেতে আপনার সময় লাগবে মাত্র ৩৫ মিনিট! আর যার মাধ্যমে যাবেন তার নাম হাইপারলুপ। ২০১৩ তে ইলন মাস্ক অভিনব হাইপারলুপের ভাবনা নিয়ে এসে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।পৃথিবীর সর্বোচ্চ দ্রুত গতি সম্পন্ন পরিবহন ব্যবস্থার পত্তন হতে পারে হাইপারলুপের মাধ্যমে। তবে ভবিষ্যতে এই প্রোজেক্ট কতক্ষানি সফল হবে এনিয়ে বেশ সংশয় রয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে। কিন্তু এইরকম দ্রুতগতি সম্পন্ন যাত্রপথ তৈরি করতে গেলে মাস্কের ভাবনা যথাযথ এই তত্ত্বও উড়িয়ে দিচ্ছেননা তাঁরা। কম চাপ যুক্ত টিউবের ভিতর লিনার ইনডাকশন মোটর ও এয়ার কম্প্রেসরে দ্বারা নির্গত বায়ুর চাপে ছুটে চলবে হাইপারলুপ ক্যাপসুল। ৯৬২ কিমি/ঘণ্টায় দৌড়াবে এই ক্যাপসুল। অর্থাত ৫৭০ কিমি পথ যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩৫ মিনিট। তবে এর সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১২২০ কিমি প্রতি ঘন্টায়।২০১৩, অগাস্টে প্রাথমিক খসড়া প্রকাশ করেছিলেন ইলন মাস্ক। তারসঙ্গে জমা দিয়েছিলেন আকাশচুম্বী খরচের লিস্ট। এই প্রোজেক্টের জন্য প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে বলে আশা করছেন মাস্ক। হাইপারলুপ ট্রান্সপোর্টেশন টেকনোলোজি এই ভাবনাকে সফল করার জন্য তার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। কিন্তু কতটা সফল হবে এই হাইপারলুপ প্রোজেক্ট তা নিয়ে সংশয় রয়েছে খোদ  ট্রান্সপোর্টেশন টেকনোলোজি কম্পানির।