পাকিস্তানে শনিবার এক জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। এরআগে তার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়। কিন্তু পরে নিহতের পারিবারের পক্ষ থেকে তাকে ক্ষমা করে দেয়ার বিষয়টি আদালত নাকচ করে দেওয়ার পর তা পুনর্বহাল করা হয়। কর্মকর্তারা একথা জানান।গত মাসে পাকিস্তানে সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি বিদ্যালয়ে হত্যাযজ্ঞের ঘটনার পর বিভিন্ন সন্ত্রাসী মামলার ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের ওপর আরোপ করা ছয় বছরের স্থগিতাদেশ সরকার তুলে নেয়ার পর থেকে এ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই জংভির সদস্য ইকরামুল হককে শনিবার ভোরে লাহোরের মধ্যাঞ্চলীয় একটি কারাগারে ফাঁসি দেয়া হয়।তিন বছর আগে এক শিয়া মুসলমানকে হত্যার দায়ে সন্ত্রাস দমন আদালত ২০০৪ সালে ইকরামুল হককে মৃত্যুদন্ড দেয়।পুলিশ, কারাগার কর্মকর্তা ও আসামি পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা মানগান মৃত্যুদন্ড কার্যকরের খবর নিশ্চিত করেছেন।ইকরামুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলেও পরে একটি আদালত এ আপসের বিষয়টি নাকচ করে দেয়।মানগান এএফপিকে বলেন, ‘নিহতের পরিবার আমার মক্কেলকে ক্ষমা করে দিলেও আদালত তা বাতিল করে দেয়। এদিকে আদালতের এ ধরণের আদেশের বিরুদ্ধে আমাদের আপিল আবেদনের প্রস্তুতির সময় আমার মক্কেলকে ফাঁসি দেয়া হলো।’
পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী রক্তের বিনিময়ে অর্থ পরিশোধ করলে হত্যাকারী মাফ পেতে পারে।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা মৃত্যুদন্ডের ওপর স্থগিতাদেশ পুনর্বহাল করতে পাকিস্তানের প্রতি আহবান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তা স্থগিত ছিল।
পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী রক্তের বিনিময়ে অর্থ পরিশোধ করলে হত্যাকারী মাফ পেতে পারে।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা মৃত্যুদন্ডের ওপর স্থগিতাদেশ পুনর্বহাল করতে পাকিস্তানের প্রতি আহবান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তা স্থগিত ছিল।