শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

পাঁচ বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি

29783_f1

বিগত পাঁচ বছরে কোন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। গতকাল সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। লিখিত উত্তরে মন্ত্রী আরও জানান, গত ৫ বছর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা না ঘটলেও চলতি বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হয়। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এ ঘটনা তদন্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা একটি কমিটি গঠন করে। বিষয়টি তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একটি কমিটি গঠন করে। যার তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ দু’টি ঘটনায় দায়েরকৃত দু’টি মামলায় তিন জন হাজতে আছে। মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি স্কুলের বেতন ও ভর্তি ফি প্রদানের জন্য সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওই নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অধিক ফি আদায় করলে তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, শিক্ষার গুণগত মান কম হওয়ায় গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী কম ভর্তি হয়। তবে বর্তমানে সরকারের নানাবিধ উদ্যোগের ফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মানের ফারাক কমে এসেছে। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি ও সরকারিকরণের প্রক্রিয়াধীন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৩৬৫টি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য একেএম মাইদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বেশ কিছু পদক্ষেপের কারণে অদূর ভবিষ্যতে সেশনজটের মতো জটিল সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে। আগামী বছর থেকে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশে তৃতীয় পরীক্ষক প্রথা বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়ন ও দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য ইতিমধ্যেই বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।