রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

‘ধূমকেতু থেকে খবরিকা’ প্রকাশনার ১৫ বছর

 

কামরুল হাসান জনি :

 

 

jony B-W

প্রকাশনা ও কিছু কথা-

………………..

সম-সাময়িক ঘটনা, দুঃখ-দুর্দশা, সফলতা আর সম্ভাবনার নিত্য-নতুন সংবাদ পৌঁছে দেয়ার মাধ্যম, উত্তর চট্টলায় প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে থাকা গণমানুষের মুখপত্র ‘খবরিকা’র বর্ষপূর্তি ও প্রকাশনার ১৫ বছরের পদাপর্ণ ১৪ এপ্রিল(১লা বৈশাখ)। ‌’ধূমকেতু’র যাত্রা শুরু করে সাহিত্য বিষয়ক ম্যাগাজিন, নিউজ পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন ও বই প্রকাশের মাধ্যমে এই প্রকাশনা বুনেছে ভালবাসার বীজ। পাঠক হৃদয়ে তৈরি করেছে স্বপ্ন কুড়ির।

মফস্বল থেকে একটি পত্রিকা বের করা যতটা সহজ তার চেয়েও অধিক কঠিন ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। এই কঠিন কাজটি সাফল্যের সাথে করতে সক্ষম পত্রিকা খবরিকা পরিবার। উপদেষ্টা আর পৃষ্ঠপোষকদের সার্বিক সহযোগিতা এবং সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সার্বিক দায়িত্ব পালনে অব্যাহত রয়েছে পত্রিকার ধারাবাহিকতা। দীর্ঘদিনের এই পথ চলা হৃদয় থেকে হৃদয়ে ছুঁয়ে গেছে সকলের ভালবাসায়। পৌঁছে গেছে দূর-দূরান্তে। মীরসরাইয়ের গণ্ডি অতিক্রম করে সীতাকুণ্ড ও ফেনীর পাঠক চাহিদা পূরণেও গুরুপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কালক্রমে সৃষ্টি করে যাচ্ছে সাফল্যের ইতিহাস।

নিউজ পত্রিকা হিসেবে সব বয়সী মানুষের চাহিদা পূরণ ছাড়াও পত্রিকার তরুণ লেখক ও সাহিত্য প্রেমিদের পছন্দের পাতা তারুণ্য বিভাগ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠক ও লেখকদের সমন্নয়ে গঠিত তারুণ্য বিভাগের ‘তারুণ্য আসর’ নামের ইউনিট সাহিত্য আড্ডা ছাড়াও বিভিন্ন সময় সাহিত্যের উপর প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে অংশ নিয়ে প্রকাশনার সাথে একাত্রতা পোষণ করেন এই অঞ্চলের তরুণ লেখক ও পাঠক ফোরাম। প্রতি বছর প্রকাশনা থেকে আয়োজন করা হয় বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ। যা সকল প্রতিনিধি ও সম্পাদনা বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আরো সু-সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এতে প্রকাশনা এগিয়ে যাওয়ার পথ আরো সুগম হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে গুণীজন সংবর্ধনা, লেখক সম্মাননা ও কৃর্তী ছাত্র-ছাত্রী সংবর্ধনা সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে জয় করতে পারে অনায়াসে।

এই জনপদের প্রতিটি স্তরের মানুষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দৃঢ় প্রত্যয়ী একঝাঁক তরুণ সংবাদকর্মী নিজেদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, মেধা দ্বারা সমাজের নানা সমস্যা-সম্ভাবনা, সফলতা-হতাশার চিত্র এই অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টিপাত ঘটাতে অক্লান্ত শ্রম দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রতিটি নতুন সংখ্যা হাতে পাওয়ার জন্য পাঠক যেমন আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করেন তেমনি একটি নতুন সংখ্যা প্রকাশের জন্য স্ব-প্রচেষ্টার মাধ্যমে সর্বদা ব্যস্ত থাকেন অভ্যন্তরীন বিভাগের কর্মকর্তারা।

পত্রিকার নতুন সংখ্যা প্রকাশের জন্য বার্তা বিভাগকে অনেক শ্রম দিতে হয়। কম্পোজিং, ভুল সংশোধন, সেটিং ইত্যাদি অভ্যন্তরীন কাজের ঝামেলা শেষে প্রেস এ যাওয়া। রাতভর জেগে থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নিয়ে ফের অফিসে। সকাল হতেই হকারদের ভিড়। পাঠকের হাতে পৌঁছে দেয়ার গুরু দায়িত্ব নিয়ে যার যার মত করে পত্রিকা নিয়ে যাওয়া। এক এক করে পাঠকের হৃদয়ে ঠাঁই করে নেয়া আজকের এই প্রকাশনা। এভাবেই সকলের ভালবাসা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যাওয়া।

যাত্রা শুরু –

………

১৯৯৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐক্যতান সাহিত্য সংসদ এর পক্ষে প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সম্পাদনায় ‘ ধূমকেতু’ নামে সাহিত্য পত্রিকা বের হয়। সাহিত্য পত্রিকা আকারে কয়েক সংখ্যা প্রকাশের পর কয়েকজন পৃষ্ঠপোষকের পৃষ্ঠপোষকতায় মফস্বল থেকে ১৯৯৯ ইংরেজি সালে নিউজ পত্রিকা আকারে ‘ ধূমকেতু’র যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ ছয় বছর মীরসরাইয়ের গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়ে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান নিতে সক্ষম হয় এই পত্রিকা। রেজিষ্টেশন তথা বৈধতার জন্য আবেদন করা হলে ‘ ধূমকেতু’ নামে রেজিষ্টেশন না পাওয়ায় নাম পরিবর্তন করে ‘ খবরিকা’য় নামান্তর করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন প্রাপ্তির পর ২০০৫ সালের ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) নতুন আঙ্গিকে ‘ পাক্ষিক খবরিকা’ নামে প্রকাশনার যাত্রা শুরু হয়।

খবরিকা অনলাইন পোর্টেল-

……………………

২০১৩ এর জুন মাস থেকে খবরিকা পরিবারে নতুন করে যোগ হয় খবরিকাটুয়েন্টিফোর.কম নামে অনলাইন নিউজ পোর্টেল। যাতে মীরসরাই ছাড়াও দেশ-বিদেশের সংবাদ সহ বিনোদন ও খেলার খবর থাকছে ২৪ ঘন্টা। এখানে খবরিকা ই-পেপার পড়া যায় খুব সহজে। তাছাড়া মোবাইলেও চালু রয়েছে এই সংবাদ সেবা।

অফিস –

…….

প্রকাশনার প্রথম থেকেই অভ্যন্তরীণ বিভাগের জন্য বরাদ্ধ অফিস ছিল কলেজ রোডস্থ কাজী নিলয়। ২০১০সালে মীরসরাই সদরের হাওয়া কমপ্লেক্স এ নতুন অফিস থেকে পত্রিকার প্রকাশনার কার্যক্রম চালানো হলেও পরবর্তীতে মীরসরাই কলেজ রোডের পাশে খবরিকা ভবন উদ্বোধনের পর থেকে এটি পত্রিকার অভ্যন্তরীন বিভাগ, কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের স্থায়ী অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

যেখানে পৌঁছে গেছে-

………………

‘ধূমকেতু’ পত্রিকা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও সাহিত্য চর্চায় সহযোগি হয়ে করেরহাট থেকে সাহেরখালি পর্যন্ত পাঠক হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিল খুব অল্প সময়ে। এটি মীরসরাই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে উপজেলায় ঘটে যাওয়া খবরা-খবর সহ সমস্যা-সম্ভাবনার কথা। এরই ধারাবাহিকতায় সত্যের সন্ধানে নির্ভীক ‌’ পাক্ষিক খবরিকা’ প্রকাশের পর থেকে দিনে দিনে পাঠক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পত্রিকা প্রকাশের সংখ্যা যেমন বাড়ানো হয়েছে তেমনি যুক্ত হয়েছে পৃষ্ঠা। ৮পৃষ্ঠা থেকে করা হয়েছে ১২ পৃষ্ঠা। বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে পত্রিকার সাথে প্রকাশ করে চলছে ক্যালেন্ডার ও ম্যাগাজিন। প্রকাশনার ধারাবাহিকতার সাথে মীরসরাইয়ের পাঠক চাহিদা পূরণ করে ‘খবরিকা’ স্থান করে নিয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও ফেনী জেলায়। সাফল্যের সাথে সীতাকুণ্ড ও ফেনীর পাঠক চাহিদা পূরণেও সার্থক। ২০০৯ইং সালে সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত একটা অনুষ্ঠানে পাঠক চাহিদাও পত্রিকার সার্থকতা নিয়ে প্রেস ক্লাবের নেতারা ব্যক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘ সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন পত্রিকা থাকা সর্ত্বেও মীরসরাইয়ের এই পত্রিকার প্রতি সীতাকুণ্ডবাসী দূর্বল। একটি নতুন সংখ্যার জন্য অপেক্ষায় থাকে এখানকার পাঠকরা, খবরিকা হচ্ছে সীতাকুণ্ডের ইত্তেফাক।’ মীরসরাইয়ের সাহেবনীখিল ত্রিপুরা পাড়ায় খবরিকার অনুসন্ধানী রিপোর্ট সংগ্রহে গিয়ে ত্রিপুরাদের প্রশ্ন করা হলে, মীরসরাইয়ের কোন পত্রিকার সাথে তাদের পরিচয়। সকলের কণ্ঠে একটাই উত্তর ‘ মীরসরাইয়ের খবরিকা।‘

ম্যাগাজিন-

………

মাহবুবুর রহমান সম্পাদিত ‘ ধূমকেতু’ সাহিত্য পত্রিকা দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত থাকার পর ফখরুল ইসলাম রিয়াজ নতুন আঙ্গিকে ‘ ধূমকেতু’ নামে লিটল ম্যাগ সম্পাদনা করেন। কিছু সংখ্যা প্রকাশের পর এটি ম্যাগাজিন আকারে প্রকাশিত হয়। রিয়াজের মৃত্যুর পর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। কামরুল হাসান জনি’র সম্পাদনায় ‘ সন্ধান’ নামে ছোট কাগজ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও রাজিব মজুমদার কর্তৃক সম্পাদিত ‘ দূর্বার’ এর প্রকাশনা সচল রয়েছে।

খবরিকা পাবলিকেশন্স-

………………..

প্রকাশনার যাত্রা পথে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে খবরিকা পাবলিকেশন্স এর মাধ্যমে। তরুণ লেখ সৃষ্টি করার মূল লক্ষ্যেই মূলত পাবলিকেশন্স এর আত্মপ্রকাশ। মাহবুবুর রহমান পলাশ এর ‘ গহীন অরণ্যে’ ও কামরুল হাসান জনি’র ‘ এ পারের হৈম’ গ্রন্থ প্রকাশ করেছে খবরিকা পাবলিকেশন্স।

সাংবাদিকতায় উঠে এলেন যারা-

……………………….

এই প্রকাশনার সাথে যুক্ত থেকে অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষ সংবাদকর্মী হয়ে সাংবাদিকতায় উঠে এসেছেন অনেকেই। ‘ ধূমকেতু’ ও খবরিকা’য় সাংবাদিকতার হাতেখড়ি এমনি কয়েকজন বর্তমানে মীরসরাই উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কর্মরত আছেন তন্মধ্যে এনায়েত হোসেন মিঠু( কালের কন্ঠ), শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী( ইত্তেফাক), এম. মাঈন উদ্দিন( নয়া দিগন্ত), রাজিব মজুমদার(মানব জমিন), মামুন নজুরুল( বাংলাদেশ সময়), ইলিয়াস রিপন(ভোরের ডাক), প্রয়াত ফখরুল ইসলাম রিয়াজ( জনকণ্ঠ)। এছাড়াও মীরসরাইয়ের বাইরে যারা রয়েছেন এদের মধ্যে উল্লেখ্ যোগ্য বিশ্বজিৎ পাল( চীফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম, ভোরের ডাক), সঞ্জিত চক্রবর্তী( সহ-সম্পাদক, আজকাল), জিয়াউল হক জিল্লু( স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা, বাংলাদেশ সময়), কামরুল হাসান জনি (আরব আমিরাত প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রতিদিন)।

সাহিত্যে বিচরণ –

………………..

‘ ধূমকেতু ও খবরিকা’ সাহিত্য প্রেমিদের জন্য তারুণ্য ( সাহিত্য) বিভাগ নামে আলাদা পাতা বের করে। এর মাধ্যমে সাহিত্য চর্চায় সম্পৃক্ত থেকে নিজেদের এগিয়ে নিতে স্বচেষ্ট তরুণ কবি-লেখকরা। তারুণ্য বিভাগে লেখালেখির হাতেখড়ি হওয়া মীরসরাই ও সীতাকুণ্ডের অনেকে আজ জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি প্রাপ্ত কবি ও লেখক।

খবরিকা’র সম্পাদনা বিভাগে প্রথম থেকে সম্পৃক্ত যারা

……………………………………….

প্রধান উপদেষ্টা- এনামুল গোফরান চৌধুরী।

উপদেষ্টা সচিব- অধ্যাপক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, ডা. জামসেদ আলম, কেবি মাওলা।

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- কাজী মোস্তফা আলম এফসিএ।

উপদেষ্টা সম্পাদক- মোস্তাক আহম্মদ, প্রদীপ দেওয়ানজী, আনিছ আলমগীর, আনোয়ারুল ইসলাম বাহার, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী সেলিম, শরফুদ্দিন কাশ্মির, অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন, নুরুল আলম, মোহাম্মদ হাসান, নীরদ বরণ মন্ডল, নিজাম উদ্দিন, এম হেদায়েত, খায়রুল ইসলাম, এহছান তানিম, এডভোটকেট এ কে চৌধুরী পাভেল।

উপদেষ্টা প্রদায়ক- আহমদ মমতাজ, দুলাল জুবাইদ(প্রয়াত), শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আবছার, দেবদুলাল ভৌমিক, নারায়ান সরকার, ছায়েফ উল্ল্যাহ, অ. আখতারুজ্জামান, হেদায়েত উল্ল্যাহ, মনজুরুল হক, এম হেদায়েত, এম এ কাশেম, মহিউদ্দিন, সাইফুল হক সিরাজী, আনোয়ারুল হক নিজামী, রেজাউল করিম চৌধুরী সৈয়দ নাজমুল হক চৌধুরী, মহিউদ্দিন খান রাসেদ, আবদুল হাকিম।

প্রধান পৃষ্ঠপোষক- এম এম এমরান চৌধুরী, নুরুল আলম।

পৃষ্ঠপোষক বৃন্দ- কাজী মোস্তফা আলম, মোস্তাক আহম্মদ চৌধুরী, মাঈন উদ্দিন লিটন, রেদোয়ান কবির(প্রয়াত), নাছির উদ্দিন চৌধুরী, আলা উদ্দিন চৌধুরী, জাহেদুল হক চৌধুরী, মীর্জা মোহাম্মদ মোরর্শেদ, হাজী মোহাম্মদ মহসিন আলী, ফারুক আহম্মদ চৌধুরী, কে এম আবু ইউছুফ, কে বি মাওলা, আলহাজ্ব মাজাহার উল্ল্যাহ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নুরুল আমিন, শহিদুল আলম মন্জু, জাফর উল্ল্যাহ, ইফতেখার উদ্দিন ভূইয়া পিন্টু, মঈনুল কাদের চৌধুরী শিপন, নুরুল আবছার সেলিম।

প্রধান সম্পাদক- এ্যাডভোকেট নারায়ন চন্দ্র চর্মকার, কে বি মাওলা, ডা. জামসেদ আলম, কাইয়ুম নিজামী।

সম্পাদক- মাহবুবুর রহমান পলাশ।

এছাড়া বিভিন্ন সময় খবরিকার সম্পাদনা বিভাগ ও প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

আমিনুল হক, নির্দেশ বড়ুয়া, জীবন কৃষ্ণ দেব নাথ, জিয়াউল হক জিল্লু, শাহ এমরান চৌধুরী, কামরুল হাসান জনি, সৌমিত্র চক্রবর্তী, ফখরুল ইসলাম রিয়াজ(প্রয়াত), রাজিব মজুমদার, ইলিয়াছ রিপন, ছালেক নাছির উদ্দিন, রিয়াজ হায়দার ,শাহিনুল কাদের চৌধুরী, মাঈন উদ্দিন, সোলেমান আজাদ, শফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম ইরান, বিশ্বজিত পাল, আশরাফ উদ্দিন, আবুল খায়ের, জাহেদ, রোকসানা আক্তার লাভলী, শরীফ উদ্দিন শিবলু, মাঈন উদ্দিন, এ এস রিপন, রণজিত ধর, ফারজানা আক্তার পান্না, এস এম তারেক, মনির উদ্দিন মান্না, ফারহানা নিপু, মামুন নজরুল, ওমর ফারুক ইমন, নাছির উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, মনির হোসেন, দীপু চাকমা, হোছাইন সবুজ, দিদারুল আলম, মহীবিল্লাহ আসাদ, রণি নাগ মুন্না, এমদাদ, আলাউদ্দিন, শাখাওয়াত, সুব্রত চক্রবর্তী, নাজিম জাভেদ, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, এমদাদ হোসেন রাসেল, মোশারফ হোসেন, রিপন মুসলিম, রিপন গোপ, তিলক বড়ুয়া, তাসলিম হোসেন, সেবিকা রানী, নিমাই দাস।

হারিয়েছি যাদের-

…………….

দুলাল জুবাইদ(উপদেষ্টা), রেদোয়ান কবির(পৃষ্ঠপোষক), ফখরুল ইসলাম রিয়াজ(সহ-সম্পাদক)।