শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

দুর্গাপুর স্কুলের ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নওশাদের পাশে দাঁড়ালে আপনি হতে পারেন গর্বিত দানবীর

mirsarai pic fff

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মীরসরাই উপজেলার দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র নওশাদ। বাবা মায়ের একমাত্র আদরের সন্তান। কিন্তু সুখের ঘরে এখন কান্না আর আহাজারি। শুধু দুর্গাপুর নয় ভারী হয়ে উঠছে চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিট। বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে শরীরের বেশীর ভাগ অংশ পুড়ে গেছে নওশাদের। চিকিৎসকরা বলছেন উন্নত চিকিৎসা পেলে ঝলসে যাওয়া শরীর সার্জারী করে নওশাদকে সুস্থ্য করা সম্ভব। কিন্তু নওশাদের খেটে খাওয়া দরিদ্র পিতার যা ছিলো ইতিমধ্যে একমাত্র সন্তানের জন্য শেষ সম্বলটুকুও শেষ করেছেন। নওশাদ এর মা যাকেই কাছে পায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন, ভাই আমার একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে আপনারা কিছু করেন। আমরা কি পারবোনা সব সন্তানরা মিলে একটা প্রাণ বাঁচাতে। কেউ কি নেই এক মায়ের মুখে হাসি ফুটাতে,মায়ের বুকের ধন, মায়ের কোলে সুস্থ করে ফিরিয়ে দেবার ?
সন্তানের এমন মূমর্ষ অবস্থায় মা-আর কি বলবে। আসুন সবাই মিলে বলি , এক কাপ চা কম খাবো ,নওশাদকে বাঁচাবো,পান-সিগারেট ছাড়বো নওশাদ কে বাঁচাবো। উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যদি একদিনের টিফিনের টাকা নিয়ে হাত বাড়ায়। নওশাদ সুস্থ্য হয়ে ফিরবে আবার বিদ্যালয়ে। বাট আর বল নিয়ে ফিরবে বন্ধুদের কোলাহলে খেলার মাঠে। চিকিৎসার অভাবে টাকার জন্য জীবনের কাছে হারবেনা মা বাবার আদরের একমাত্র সন্তান নওশাদ। নওশাদের দরিদ্র পরিবার চিকিৎসা ব্যায় বহন করতে পারছেনা। আমরা মীরসরাইয়ের ৫ল মানুষ কি পারবোনা নওশাদকে বাঁচাতে। নওশাদের জন্য আমরা সবাই এগিয়ে আসবো। নওশাদকে বাচাঁতে মীরসরাইয়ের বিত্তবানরা একটু এগিয়ে আসুন।
যোগাযোগ : মাস্টার জামশেদ আলম (নওশাদের মামা) মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক
বি ক্যাশ নং ০১৮১৯৩৩১২৯২,০১৮১৫৫০০৯৮৮ । সঞ্চয়ী হিসাব নং- ১৮, ইসলামী ব্যাংক, মীরসরাই শাখা, চট্টগ্রাম।