মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

দস্যুতার দায়ে বাগেরহাটে ছয়জনের ফাঁসি

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে দস্যুদের হামলায় র‍্যাব ও কোস্ট গার্ডের তিন সদস্য হত্যা মামলায় ছয় বনদস্যুর ফাঁসি ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম সোলায়মান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।এ সময় আদালতে অভিযোগ প্রমাণীত না হওয়ায় ওই মামলার দায় থেকে দুজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামি পলাতক রয়েছেন। তবে রায় ঘোষণার সময় খালাসপ্রাপ্ত ওই দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন : রফিকুল শেখ, কুদ্দুজ শেখ, ইদ্রিস শেখ, বাবুল শেখ, আলকাচ ফকির এবং ইলিয়াস শেখ। এদের সবার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার খালকুলিয়া গ্রামে।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন : রিয়াজুল শেখ, আকরাম শেখ, আলম শেখ, বাদশা শেখ, জামাল শেখ, কামাল শেখ এবং আসলাম শেখ। এদের সবার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার গাবগাছিয়া ও খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামে। ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামিই সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু।
বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত দুজন হলেন : নান্না শেখ ও মিজানুর রহমান।
দস্যুদের হামলায় নিহত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা হলেন : র‍্যাব খুলনা-৬-এর পিসি মো. কাঞ্চন, কোস্ট গার্ড মংলা পশ্চিম জোনের সদস্য এ এইচ কবির এবং এম এ ইসলাম।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, র‍্যাব ও কোস্ট গার্ডের যৌথদল সুন্দরবনে দস্যু দমনে গত ২০০৬ সালের ১ ডিসেম্বর সুন্দরবনে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলাধীন পশুর নদীতে পৌঁছালে বনদস্যুরা যৌথ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের ওই তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় র‍্যাব খুলনা-৬-এর ডিএডি মো. মহাসীন আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজন বনদস্যুকে আসামি করে মংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০০৭ সালের ৮ মে মংলা থানার তৎকালীন এসআই মো. নাসির উদ্দিন মামলার তদন্ত শেষে ১৫ জন বনদস‍্যুকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।image_118857.court order