রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

‘গরিবের’ খেজুরের দাম বেড়েছে

30104_33

রমজানে বাড়ে খেজুরের চাহিদা। খেজুর রোজাদারদের ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ। চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা রমজানকে কেন্দ্র করে আমদানি করেন খেজুর। এবারও বিপুল পরিমাণ খেজুর আমদানি করা হয়েছে। খেজুর আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রমজানের চেয়ে এবার ভাল মানের খেজুরের দাম কমেছে। তবে দাম বেড়েছে সাধারণ মানের খেজুরের। দাম কমার কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, এবার রমজান শুরু হচ্ছে ফলের মওসুমে। বাজারে প্রচুর পরিমাণে আম, জাম, কাঁঠালসহ নানা ধরনের ফল রয়েছে। এছাড়া চাহিদা অনুসারে খেজুর আমদানি করা যাচ্ছে। এসব কারণেই অধিকাংশ খেজুরের দাম বাড়েনি। আরব আমিরাত, দুবাই, ইরান, ইরাক, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর আমদানি করা হয়। আমদানিকৃত খেজুরের মধ্যে রয়েছে, মদিনা মনোয়ারা, রাবেয়া, কুরমা, ক্রাপ্ট, ডেইট ক্রাউন, ফরিদা, তিউনিসিয়া, দাবাচ, মরিয়ম, নাগাল, বড়ই, রেজিস ও বস্তা খেজুর। বস্তা খেজুরকে অনেকে বাঙলা খেজুরও বলে থাকেন। তুলনামূলক অন্যান্য খেজুরের তুলনায় বস্তা খেজুরের দাম কম হওয়ায় এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর বাদামতলীর মেসার্স আজমিরের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, খেজুরের দাম গত রমজানের তুলনায় বাড়েনি। বরং কমেছে। মরিয়ম খেজুর গত রমজানে পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতি ৫ কেজি ২৯০০ টাকা মূল্যে। এবার তা ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মদিনা মনোয়ারা প্রতি ৬ কেজি গত রমজানে ছিল ২১০০ টাকা। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকা মূল্যে। ফরিদা প্রতি ৫ কেজি ৯০০ টাকা। গত রমজানে তা ছিল ১০০০ টাকা। ডেইট ক্রাউন প্রতি ১০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকায়। গত রমজানে তা ছিল ২১০০ টাকা। নাগাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি ৫ কেজি ২৫০০ টাকায়। গত রমজানে তা বিক্রি হয়েছে ২৯০০ টাকা মূল্যে। দাবাচ গত রমজানে বিক্রি হয়েছে প্রতি ২৫ কেজি ৩৫০০ টাকায়। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ২৬০০ টাকায়। রাবেয়া গত রমজানে বিক্রি হয়েছে প্রতি ৯ কেজি ১৬০০ টাকা মূল্যে। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়। দাম বাড়েনি এবং কমেনি কুরমা, তিউনিসিয়া ও ক্রাপ্ট খেজুরের। গত রমজানে কুরমা ছিল প্রতি ৫ কেজি ৫০০ টাকা। তিউনিশিয়া ছিল প্রতি ৫ কেজি ২২০০ টাকা। ক্রাপ্ট গত রমজানে ছিল প্রতি ৬ কেজি ৩০০০ টাকা। তবে তিন প্রকার খেজুরের দাম বেড়েছে। বাজারে এ খেজুরের চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় তা বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রেজিস গত রমজানে বিক্রি হয়েছে প্রতি ১০ কেজি ১১০০ টাকায়। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকায়। বড়ই গত রমজানে বিক্রি হয়েছে প্রতি ১০ কেজি ১৩০০ টাকায়। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকা। বস্তা খেজুর গত রমজানে ছিল প্রতি কেজি ৬০ টাকা। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়।