শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

কুমিল্লা হামলার সূত্র ধরেই অভিযান

263578503_n

মাহবুব পলাশ, ।। মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত অধিক গতিসম্পন্ন গাড়ি চিহ্নিতকরণে চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় অভিযান চলছিল। ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির সার্জেন্ট কামাল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চলাকালীন বেলা সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের অধিক গতি চিহ্নিত হয়।

পুলিশ গাড়িটি ধাওয়া করে থামানোর পর বাস থেকে নেমে আসা যাত্রীবেশী দুই যুবক পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে। বোমাটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় পুলিশ তাদের পেছনে ধাওয়া করলে, তারা বোমা ছোঁড়া অবস্থায় দৌড়ে একটি গ্রামের ভেতরে প্রবেশ করে। ওই সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জসিমকে এবং আহত অবস্থায় হাসানকে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি বোমা ও ১টি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। এরপরই সন্ধান মিলে মীরসরাইয়ে গড়ে তোলা জঙ্গি আস্তানার। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনার কাছ থেকে জানা যায়, কুমিল্লার চান্দিনায় মঙ্গলবার বোমাসহ আটক দুই জঙ্গি হাসান (৩০) ও জসিমের (৩২) স্বীকারোক্তি মোতাবেক কাউন্টার টেররিজম টিম রাতভর অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ সুপার জানান, আন্তর্জাতিক কোনো জঙ্গি সংগঠনকে তারা অনুসরণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কোন সংগঠন তা তিনি বলতে পারেননি। তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত এ চক্রের নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তির আলোকে জানা যায়, চক্রের সঙ্গে আরো ৮/৯ জন জড়িত রয়েছে।

মীরসরাইয়ে অভিযান পরবর্তি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন র‌্যাব-০৭ ফেনী ক্যাম্পের অধিনায়ক শাফায়াত জামিল ফাহিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদৌলা রেজা, মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়া আহমদ সুমন, সহকারী পুলিশ সুপার (মীরসরাই সার্কেল) মাহবুবুর রহমান, মিরসরাই উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আক্তার কাকলী, মীরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন, মীরসরাই থানার ওসি সাইরুল ইসলাম।