Sunday, May 31Welcome khabarica24 Online

স্বজন

নীলিমা শামীম এর দুটি কবিতা : দূর আকাশের পানে / রোজা

নীলিমা শামীম এর দুটি কবিতা : দূর আকাশের পানে / রোজা

  দূর আকাশের পানে ........ মন তোর কথা আজ পড়ছে খুবই মনে, যতন করে যাকে রেখেছি এই হৃদয়ের কোণে। যৌবনের সেই বন্ধুকে কখনও ভুলিনি আমি, কত ভালবাসি তাকে জানে অন্তর্যামি! আমরা একসাথে তখন করতাম খেলা কত শত খেলাচ্ছলে একটু-আধটু ঝগড়াও হত কত। বিয়ের পরে সেইসব দিন কবেই হারিয়ে গেছে- স্মৃতির পাতায় আজও তা সযতনে লেখা আছে। মনের ভিতর তোকে আমি একাকী খুঁজে বেড়াই, ভয় হয় আবার যদি বেঘোরে তোরে হারাই। তোর কি মনে পড়ে স্বপ্নময় সেইসব দিন? তুই আমার মনের মাঝে আজও আছিস অমলিন। চলে যাবার সময় যখন দেখা করতে এলি এইখানে বলে ছিলি কবিতার কথা রেখেছিস আমার যতনে। দেখবি আজ হতে রাখি কত আমার ডাইরীর পাতা খুলে তুই আমারে বলেছিলে যেওনা আমায় ভুলে। হাজার বছর পার হলেও কিভাবে তোকে ভুলি? তোর কত ছবি এঁকেছে আমার স্বপ্নের রংতুলি। বহুদুরে চলে গেলেও যেখানেই থাকি আমি, ছায়া
পাহাড়ের কাছে চিঠি : সোমা মুৎসুদ্দী

পাহাড়ের কাছে চিঠি : সোমা মুৎসুদ্দী

প্রিয় পাহাড়, কেমন আছো তুমি? খুব জানতে ইচ্ছে করছে, তাই তোমাকে দুকলম লিখতে বসা। তুমিতো আমার থেকে, অনেক অনেক দূরে থাকো। তাই আমার মনের কথা, তোমার কাছে, ঠিকমতো পৌঁছায় না। আমি থাকি একটি ছোট্ট শহরে, জানতো এখানে মানুষগুলো, খুবই ব্যাস্ত। এখানে কেউ কারো কষ্ট নিতে চায়না, কিন্তু সুখ নিতে চায়। কিন্তু তুমিতো জানো আমার সব কষ্ট, সব কথা,তোমার কাছেই জমা রাখতে চাই আমি এখানে প্রাণহীন জড় পদার্থ সম, আমিতো তোমার কাছে গেলেই, প্রাণ ফিরে পাই। গতকাল রাতে তোমায় স্বপ্নে দেখলাম, তুমি আমার জন্য নীল শাড়ি পাঠালে, মেঘের খামে, আর বললে, আমি যেনো খুব তাড়াতাড়ি, তোমার কাছে ছুটে যাই। আচ্ছা, আমি যদি সত্যি তোমার কাছে ছুটে যাই, তুমি সবুজ মায়ায় সবুজ ভালোবাসায় আমাকে বেঁধে রাখবেতো। যদি সত্যি রাখো, আমিও কথা দিলাম, আমার সব কথা আজন্ম তোমাতেই জমা থাকবে। তুমি ছাড়া আমি আর কারও হবোনা, আমার স্বপ্নগুলোও আর ক
আমিরাতে কবি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্নার উদ্যােগে কর্মহীন প্রবাসীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

আমিরাতে কবি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্নার উদ্যােগে কর্মহীন প্রবাসীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

আমিরাত থেকে  আরাফাতুর ইসলাম চৌধুরী :  করােনা ভাইরাসের কবলে দুর্দশাগ্রস্ত অসহায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাশে দাঁড়ানাের জন্য অবস্থাসম্পন্ন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আহবানের ডাকের সাড়া দিয়েছেন জাতীয় কবিতা মঞ্চ সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক, বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্না । করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে থাকা কর্মহীন প্রবাসী ভাইদের কে খুঁজে বের করে তাদের ইফতার সামগ্রী ও ভালোবাসার উপহার তুলে দেন। কবি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্নার উদ্যােগে, বিভিন্ন খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছলা, চিনি,আলু, লবন, তৈল,পেঁয়াজ,ডিম, টমেটো, চাল,মুরগী, আপেল, কমলা, খেজুর, মুড়ি, পানি, দুধ সহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য। গত ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সকাল- বিকাল সংযুক্ত আরব আমিরাত আল আইনে অনেক কর্মহীন প্রবাসীকে ইফতার সামগ্রী ও ভালোবাসার উপহ
মাহে রমজানের অশেষ মহিমা : হাফেজ শহিদুল্লাহ মিয়াজী

মাহে রমজানের অশেষ মহিমা : হাফেজ শহিদুল্লাহ মিয়াজী

পবিত্র মাহে রমজান উম্মতে মোহাম্মদীর (সঃ) জন্য পরম করুণাময় আল্লাহ পাকের প্রদত্ত এক অনন্য নিয়ামত। মাহে রমজানের অশেষ মহিমার ও মর্যাদার কথা পবিত্র কোরআন ও হাদীসে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আরবী ‘রমজান’ শব্দটির মূল ধাতু হচ্ছে ‘রমদ্ব’। এর অর্থ হলো দহন করা, জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া। যেহেতু রমজান মাসে রোযা রাখলে রোযাদার ব্যক্তির গোনাহগুলো জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায় সেজন্য এ মাসের নামকরণ করা হয়েছে ‘রমজান’। পবিত্র তৌরাত গ্রন্থে রোযাকে ‘হাত্ব’ ‘যবুর’ গ্রন্থে রোযাকে ‘ক্বোরবত’ এবং ইনজিল গ্রন্থে রোযাকে ‘ত্বার’ বলা হয়েছে। ‘হাত্ব’ শব্দের অর্থ পাপ ধ্বংস করা, ‘ক্বোরবত’ শব্দের অর্থ নৈকট্য লাভ করা, এবং ‘ত্বার’ শব্দের অর্থ কলুষমুক্ত হওয়া, পবিত্র হওয়া। যেহেতু রোযার মাধ্যমে রোযাদার ব্যক্তি পাপ হতে মুক্তি লাভ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হয় সে জন্যই রোযাকে উল্লেখিত শব্দ দ্বারা বিশেষিত করা হয়েছ
ছায়ায় জীবন  : হামিদুল ইসলাম সেখ

ছায়ায় জীবন : হামিদুল ইসলাম সেখ

শেষ ছায়াটুকু মিশে যায় বিকেলের ফুরিয়ে যাওয়া রোদে, একটা একটা করে শুকিয়ে যাওয়া গান নিস্তব্ধতার গলিতে চিহ্ন এঁকে দেয়। যত আঁকা ছবি ক্যানভাস জুড়ে ছিল সারাটা দিন , এখন হাতের স্পর্শে অনুভূতিহীন বেদনা ভেসে যাওয়া । শূন্যে অবাক দৃষ্টিতে... সন্ধ্যায় হাজারও ভিড়ে ভেসে আসে গোঙানির শব্দ অসহায় হাত দুটো এখন আর নিষেধ করেনা যত আঘাতেও মাটির গন্ধ চুষে খায়। কতটা পাষাণ হতে পারে নবযুগের আলো ! এক বুক মরীচিকা নিয়ে শান্ত হলে আলো নিভে যায় । আবারও ছায়া ভেসে আসে সমুদ্রের ফেনায় মাথা রেখে। শহরের গলিতে ,গ্রামের ঘাম ঝরা দুপুরের পথে।

অবসান হোক কালরা‌ত্রির : আফরোজা মুক্তা

কখন হ‌বে এই কালরা‌ত্রির অবসান ? কখন দেখ‌বো রোদ ঝলমল খোলা আকাশ? ডা‌নে বাঁ‌য়ে এ‌তো এ‌তো লাশের স্তু‌পে আমার জানালায় উঁ‌কি দেয়া ছোট্ট চড়ুই ভ‌য়ে জড়োসড়,ম্লান স্ব‌রে ডা‌কে, আমার বারান্দার হাসনা‌হেনা বিষন্ন হ‌য়ে জে‌গে থা‌কে। শিশু‌দের কলহা‌স্যে মুখর হয় না উ‌ঠোন আতং‌কিত নগরীর মুখ, বদ‌লে দেয় সহজ জীবন যাপন। ক‌তো‌দিন বন্ধু তোমার হ‌া‌ত ছুঁ‌য়ে খুব কা‌ছে এ‌সে বলা হয়‌নি ভা‌লোবাসার গল্পগু‌লো অদৃশ‌্য দূরত্ব রেখা থম‌কে দি‌য়ে‌ছে পূর্ণতা সময়। কা‌নে কা‌নে কে যেন ব‌লে এখন তোমার আমার গল্প থাক এখন শুধু মানবতার আলো ছড়াক। কো‌নো এক স্নিগ্ধ সকা‌লে খব‌রের কাগ‌জের শি‌রোনাম হবে "পৃ‌থিবী‌র জয় হ‌য়ে‌ছে অণুজী‌বের বিরু‌দ্ধে" আবার আমাদের পৃ‌থিবীর হা‌সির শ‌ব্দে থম‌কে দাঁড়া‌নো সময় প্রাণ ফি‌রে পা‌বে। আমি বন্দী‌ত্বের মা‌ঝেও আমৃত‌্যু এই স্বপ্ন দে‌খে যা‌বো, হোক না প্রতীক্ষার প্র

যাও তবে : বনশ্রী বড়ুয়া

হে সূর্য সন্তান! ফিরে যাও মৃত্তিকার কাছে, শস্যদেবীর বুকে গড়ে তোল আপনলয়। সোনাঝরা সোনালী ধানে ভরে তোল উঠোন; মায়ের চরণে লুটিয়ে দাও হাসির বন্যা, কাঁধে তুলে নাও প্রস্তরখণ্ড, চাপ-তাপ-দাহ যা ছিল এতকাল শুধুই পিতার; যত পাপ যত অভিশাপ ধরিত্রীর বুকে, আছে অন্যায়-অবিচার যত নিয়ম লঙ্ঘন; মুছে দাও তারে কন্ঠের মাদকতার ছোঁয়ায়; কবিতার স্পর্শে অগ্নিও ডুবে যাক জলে। ফিরে যাও মৃত্তিকার বুকে, সবুজে সবুজে সোঁদা মাটির ঘ্রাণে পবিত্র হও, অঙ্গে মাখো কাদামাটি,কন্ঠে মাখো কবিতা; কবিতার ছন্দে গড়ে তোল অমৃতালোক, আশীর্বাদে পুষ্ট হোক ধরিত্রী। আপনি ছবি দিতে চাননি তাই দিলাম না। ঠিক আছে ?
অভিমানের শেষ চিঠি : পারভীন লিয়া

অভিমানের শেষ চিঠি : পারভীন লিয়া

সুন্দর কোমল মনে আর কতটা কষ্ট ব্যাথা ঢেলে দিবে নিঃশব্দে? অন্তর গভীরে তোমাকে পাওয়ার প্রলোভনে স্তম্ভীত হৃদয় আজ স্তব্ধ হয় বুঝি নির্বাক অভিমানে। বার বার গোপন স্বপ্নের প্রাচীর ভাঙ্গী,গড়ি,জীবন আলোরনে সক্ষম-- সময়েও ঠিক করতে পারেনি কিছুই ঠিক করতে পারেনি পঙ্গু পায়ের ক্ষত। সন্যাসিনী সাজে গভীর রাতেও তোমার অপেক্ষায় পথ চেয়ে থাকি, জনহীন নিরব নেশায় নিজেকে লুকিয়ে রাখি কোন ব্যাথার ঘরে। বেচেঁ আছি আপনদের কে ভালো রাখার ক্ষোধায় সেখানে তুমিও আছো। প্রেমময়, স্নেহময়, ভালো থাকার লোভে ছুটিনি কখনোই স্বার্থের পথে, আজ বিচলিত চিন্তাশীল চোখে-- চারিদিকে দেখি সার্থপর মানুষের নিঃশ্বাস। ক্ষুধিত অক্ষরে লিখে রাখি প্রণয়ের বর্ণমালা। মনে রেখো, অভোক্ত, হিংসুকের নির্লজ্জ, শ্বার্থপর, মানবতাহীন, পরচর্চায় মেতে থাকে যারা কিছুতেই আমি তাদের দলে নই।