Thursday, October 24Welcome khabarica24 Online

সুস্বাস্থ্য

বিছানার পাশে যেসব গাছ রাখলে দূর হবে অ্যালার্জি-অনিদ্রা

বিছানার পাশে যেসব গাছ রাখলে দূর হবে অ্যালার্জি-অনিদ্রা

বাগানের শখ অনেকেরই। যাদের বাড়তি জমির অভাব, অনেক সময়ে বাড়ির জানলায় বা ছাদে গাছ লাগান তারা। তবে জানেন কি, শুধু গাছ দিয়ে মনোরঞ্জনই নয়, কিছু গাছ আপনার অ্যালার্জি, অনিদ্রার মতো রোগগুলোকেও দূরে রাখে। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, ঘরে যদি বিছানার পাশে এই গাছগুলো রাখেন, ফল পাবেন খুবই দ্রুত। ১। স্নেক প্ল্যান্ট- খুব সহজেই এই গাছ পাওয়া যায়। নাম শুনে অবশ্য ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই গাছ ঘরের মধ্যে ক্ষতিকারক টক্সিন তাড়াতে সাহায্য করে। যারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত বা যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভাল। ২। ল্যাভেন্ডা- ল্যাভেন্ডার রক্তচাপ কমায়। এছাড়াও শরীরে স্ট্রেস হরমোন কমাতেও সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্ত চলাচলেরও উন্নতি ঘটায়। এমনকী এও দেখা গেছে যে, এই গাছ বাচ্চাদের দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ৩। স্পাইডার প্ল্যান্ট- স্নেক প্ল্যান্টের মতই স্পাইডার প্ল্যান্ট
গরম পানি পানের বিস্ময়কর ৭ উপকারিতা

গরম পানি পানের বিস্ময়কর ৭ উপকারিতা

  ডেস্ক: আপনি হয়তো গরম পানি ও লেবুর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে থাকবেন। কিন্তু শুধু গরম পানি পানের উপকারিতা সম্পর্কে অবগত আছেন কি? প্রাচীন চৈনিক পথ্য ব্যবস্থা এবং ভারতীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী, দিনের শুরুতে এক গ্লাস গরম পানি পান আপনার পরিপাক প্রক্রিয়াকে সচল রাখবে এবং স্বাস্থ্যের নানারকম উপকার সাধন করবে। তার মানে এই নয় যে, পানি যত বেশি গরম, তত বেশি উপকারিতা। গরম পানির তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করা উচিত নয়। মুখ ও গলার এপিথেলিয়াল কোষের ক্ষতি এড়াতে গরম পানির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হবে ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে শুধু গরম পানি পান ওজন কমায় না, কিন্তু ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে। পুষ্টিবিজ্ঞানী ও রেজিস্টার্ড ডায়েটিশিয়ান কারা ওয়ালশ বলেন, বিপাক প্রক্রিয়াকে অধিকতর কার্যকরী করতে গরম পানি ও লেবু দিয়ে সকাল আরম্ভ করুন, যা সারাদিন আপনার শরীরকে ব
আঙুরের যত উপকারিতা…

আঙুরের যত উপকারিতা…

আঙুর বিদেশি ফল হলেও এখন তা অনেকটা দেশি ফলের মতোই পরিচিত হয়ে গেছে। ভিটামিন এ, বি৬, বি, ফোলেট, পটাশিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেলসে ভরপুর এই ফলের আছে অনেক উপকারিতা। আর একারণেই প্রতিদিন মাত্র আধাকাপ পরিমাণে আঙুর দূর করার ক্ষমতা রাখে নানা শারীরিক সমস্যা। চলুন জেনে নিই আঙুরের কিছু গুণাগুণ- ১. আঙুরের পাতলা খোসায় রেসভেরাট্রোল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানের দেখা মেলে। গবেষণায় দেখা যায় এই রেসভেরাট্রোল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠন করতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। ২. অ্যামেরিকান সোসাইটি অফ বোন অ্যান্ড মিনারেলস রিসার্চের মতে আঙুর মাইক্রো নিউট্রিইয়েন্টস যেমন, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ম্যাংগানিজে ভরপুর একটি ফল যা হাড়ের গঠন এবং মজবুত হওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরী। ৩. আঙুরের ফাইটোকেমিক্যাল হৃদপিণ্ডের পেশির ক্ষতি নিজ থেকেই পূরণে ব
শিশুর মেধার বিকাশে বাবা মায়ের করনীয়

শিশুর মেধার বিকাশে বাবা মায়ের করনীয়

আজকের শিশু আগামী দিনের পরিপূর্ণ মানুষ এবং জাতির ভবিষ্যৎ । এই জন্য শিশুকে জন্মের শুরু থেকে একটু বেশি দেখা-শুনা করা প্রয়োজন। কারন শিশুর জন্মের পর থেকেই প্রথম কিছু বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্তপূর্ণ। এই কিছু বছরের কার্যকলাপের উপরেই শিশুর পরবর্তী জীবনের বুদ্ধিমত্তা নির্ধারণ করে। অনেকেই হইত মনে করতে পারেন, এই সময় শিশুর মেধাবিকাশের জন্য তেমন কিছুর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই অবহেলাই শিশুর পরবর্তী জীবনের বড় কোন মানসিক সমস্যার কারন হয়ে দাড়াতে পারে। শিশুর সুন্দর শৈশব এবং অনাবিল ভবিষের জন্য দরকার সঠিকভাবে বেড়ে উঠা। লেখা-পড়া, খেলা-ধুলা এবং সুন্দরভাবে তার জীবনকে আনন্দময়  করতে স্বাভাবিক জীবন একান্ত কাম্য। এই সময়ই শিশুর মেধাবিকাশে ও পর্যাপ্ত চর্চায় আগামী দিনের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।  তাই শিশুর প্রথম বছরে বাবা-মা তার বিকাশের অবদান রাখতে পারেন এমন ছয়টি টিপস জে
কালোজিরা ও কালোজিরা তেলের উপকারিতা

কালোজিরা ও কালোজিরা তেলের উপকারিতা

কালোজিরা আমরা সকলের পরিচিত। কালোজিরা একটি মাঝারী আকৃতির মৌসুমী গাছ। এই গাছের একবার ফুল ও ফলহয়। কালোজিরার ইংরেজি নাম Fennel flower। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। এই গাছের স্ত্রী, পুরুষ দুই ধরণের ফুল হয়। সাধারণত নীলচে সাদা (জাত বিশেষে হলুদাভ) রং হয়। এই ফুল পাঁচটি পাঁপড়ি বিশিষ্ট। কিনারায় একটা রাড়তি অংশ থাকে। তিন-কোনা আকৃতির কালো রং এর বীজ হয়। গোলাকার ফল হয় এবং প্রতিটি ফলে ২০-২৫ টিবীজ থাকে। কালোজিরা আয়ুর্বেদীয় , ইউনানী, কবিরাজী ওলোকজ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। নিমকি বা কিছু তেলে ভাজা খাবারে ভিন্ন ধর্মী স্বাদ আনতে কালোজিরা বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া   অনেকেই কালজিরার ভর্তা খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার কালোজিরা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু কালোজিরার ব্যবহারে খাবারে একটু ভিন্ন ধরনের  স্বাদ নিয়ে আসে। যা কোন সীমাবদ্ধতা নেয়। এটি পাঁচ ফোড়নের এ
সুস্থ থাকতে কলা প্রতিদিন

সুস্থ থাকতে কলা প্রতিদিন

আপনি কি কলা খেতে ভালবাসেন? যদি বাসেন তবে এই লেখা পড়ার পর আপনার ভালবাসা বাড়বে বই কমবে না। আর যদি না বাসেন, তবে ভালবাসতে শুরু করবেন কিনা জানি না, তবে হ্যাঁ, কলার প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য। মুহূর্তের মধ্যে এনার্জি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। কিন্তি তা ছাড়াও যে প্রচুর কাজ করে কলা। জেনে নিন কলার বহুগুণ- অবসাদ অবসাদে ভোগা কিছু মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে কলা খেলে ভাল বোধ করেন তারা। কলার মধ্যে থাকা ট্রিপটোফ্যান প্রোটিন মানুষের শরীরে পরিণত করে সিরোটোনিন হরমোনে। সিরোটোনিন হরমোন অফ হ্যাপিনেস নামে পরিচিত। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়লে মুড ভাল হয়ে রিল্যাক্স বোধ করে মানুষ। মুড অফ একটি অতি পরিচিত প্রি-মেন্সট্রয়াল সিনড্রোম। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ শরীরে গ্লুকোজের সামঞ্জস্য বজায় রেখে মুড ঠিক রাখতে সাহায্য করে। অ্যানিমিয়া কলার মধ্যে থাকা প্রচুর
ভয়ংকর ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ‘সুপার ম্যালেরিয়া’

ভয়ংকর ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ‘সুপার ম্যালেরিয়া’

ম্যালেরিয়া পরজীবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এই প্রজাতিকে মূল ম্যালেরিয়ারোধি ওষুধেও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রবলভাবে ‘সুপার ম্যালেরিয়া’ ছড়িয়ে পড়ছে। আর সেটা ঝুঁকি ছড়াচ্ছে বিশ্বব্যাপি- এমনটাই সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কম্বোডিয়ায় প্রথম ছড়িয়ে পড়া সুপার ম্যালেরিয়া এখন থাইল্যান্ড, লাওস ছাড়িয়ে চলে এসেছে ভিয়েতনামের দক্ষিণাংশেও। ব্যাংককের অক্সফোর্ড ট্রপিকাল মেডিসিন রিসার্চ ইউনিটের একটি গবেষকদল জানিয়েছে, সত্যিকার অর্থেই একটি ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আর এই সুপার ম্যালেরিয়া অনিরাময়যোগ্য হয়ে উঠছে। এই ইউনিটের প্রধান আরজেন ডনড্রপ বলেন, মনে হচ্ছে এটি একটি ভয়াবহ হুমকি। এই বিপদটা এই অঞ্চলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ভয় হচ্ছে এটা হয়তো আফ্রিকাতেও ছড়িয়ে পড়বে। প্রতিবছর ২১২ মিলিয়ন মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। সাধারণত এটি একটি পরজীবীর কারণে হয় যেটা রক্তখেকো মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই পরজী
উকুন মারার ঘরোয়া উপায়

উকুন মারার ঘরোয়া উপায়

মাথায় উকুন (Lice) হওয়া এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকেই উকুন সমস্যায় পড়ে থাকে। বিশেষ করে বাচ্চাদের মাথায় উকুন বেশি দেখায় যায়। উকুন একটি পরজীবী প্রাণি যা মানুষের মাথার ত্বকে বসবাস করে এবং খুব সহজেই একজনের মাথা থেকে অন্যের মাথায় চলে আসে। তবে বিরক্তিকর এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় আছে। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে সহজেই এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। আসুন জেনে নেই সেই উপায়গুলোঃ- ১। লেবুর রসঃ লেবুর রসে আ্যাসিড থাকে যা উকুন তাড়াতে এবং আটকাতে উপযোগী। লেবুর রসের সাথে আদা বেটে সেই মিশ্রণটি আমাদের চুলে প্রায় আধ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এরপর জল এবং তারপর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি পর পর ৪-৫ দিন চুলে লাগালে পুরোপুরি উকুন আটকানো যায়। ২। ভিনেগারঃ উকুনকে প্রতিরোধ করার জন্য ভিনিগার হলো খুব ভাল। ভিনিগারে প্রচুর পরিমানে আসিটিক আ্যাসিড থাকে যা আমাদের চুলে হওয়া উকুনকে মারতে সাহায্য করে। সমান