Saturday, November 17Welcome khabarica24 Online

সুস্বাস্থ্য

যে ফল খেতে নেই!

যে ফল খেতে নেই!

ফল আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। গর্ভকালীন সময়ের নারী ও গর্ভের শিশুর সুস্থ জীবনের জন্যও জরুরি ফল খাওয়া। তবে কিছু ফল এসময়ে না খাওয়ারই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এগুলো হচ্ছে:  আনারস গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া যাবে কিনা এ প্রশ্নের বেশিরভাগ উত্তরই ‘না’। কারণ এতে রয়েছে উচ্চমানের ব্রোমেলিন যা জরায়ুকে নমনীয় করে ফলে যথাসময়ের ‍আগেই প্রসবযন্ত্রণা দেখা দিতে পারে বা মিসক্যারেজ হতে পারে। আঙুর আঙুর খেতে নিষেধ করা হয় কারণ পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধে আঙুর গাছে প্রচুর পেস্টিসাইড স্প্রে করা হয়। আরও একটি কারণ হচ্ছে আঙুরে থাকে প্রচুর রিসভেরাট্রল যা সন্তানসম্ভবা মায়ের শরীরে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। পেঁপে গর্ভকালে কাঁচা পেঁপে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এটি নিরাপদ নয়। কাঁচা বা অর্ধপাকা পেঁপেতে রয়েছে ল্যাটেক্স নামক এক উপাদান যা ঘনীভূত হয়ে জরায়ুর সংকোচন করে। এসমসয় পেঁপের খোসা বা বীজও খাওয়া ঠিক নয়।

বারইয়ারহাট মেডিকেল সেন্টারে বিজয় দিবস উপলক্ষে রোগীদের ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

নাছির উদ্দিন ঃ হাতের কাছে মায়ের সেবা এই স্লোগানে গড়ে উঠা বারইয়ারহাট পৌরসভার শান্তিরহাট রোড়স্থ শাহজাহান মার্কেটে অবস্থিত বারইয়ারহাট মেডিকেল সেন্টারের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ২শতাধিক রোগীকে এই সেবা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন। এসময় মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের সময় প্রথমে মেয়র নিজাম উদ্দিনের পেশার এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়। পরে সমবেত সকল রোগীরেদ পর্যায়ক্রমে চিকিৎসা করা হয়। এতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন, ডায়ালোজিস্ট, ইন্টেনসিভ কেয়ার মেডিসিন ও ব্যাথা বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জোবায়ের হোসেন, সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা. প্রদীপ কুমার নাথ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লুৎফুল কবির শিমুল, মেডিসিন
শীতের দিনে তৈরি করুন ৪টি সুস্বাদু স্যুপ

শীতের দিনে তৈরি করুন ৪টি সুস্বাদু স্যুপ

    শীত কাটাতে স্যুপের জুড়ি নেই। শীতের বিকেলে কিংবা রাতের খাবারের পর একবাটি ধোঁয়া ওঠা স্যুপ হলে কিন্তু মন্দ হয় না। শীতকে স্যুপময় করে তুলতে আসুন দেখে নেই বাড়িতে সহজেই তৈরি করা যায় এমন ৪টি স্যুপের রেসিপি। ব্রকলি স্যুপ যা যা লাগবে ১টি মাঝারি আকারের ব্রকলি ১টি বড় পেঁয়াজ (কুচি) লবণ পরিমাণ মতো ১ টেবিল চামচ মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ জলপাই তেল বা মাখন সাজানোর জন্য ক্রিম যেভাবে বানাবেন প্রেসার কুকারে তেল বা মাখন গরম করে নিন। পেঁয়াজ ও রসুন যোগ করে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। এবার ব্রকলির টুকরার সাথে লবণ মিশিয়ে একসাথে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ করতে দিন এবং একটি সিটি দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। একবার ঠাণ্ঠা হয়ে গেলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার মিশ্রণটি কয়েক মিনিট তাপ দিন। মরিচের গুঁড়া যোগ করুন। ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। সালসা স্যুপ যা যা লাগবে ৫-৬টি কাটা টমেটো
হলি ফ্যামিলিতে অন্যরকম শিশুর জন্ম

হলি ফ্যামিলিতে অন্যরকম শিশুর জন্ম

খবরিকা ডেক্সঃ : হলি ফ্যামিলতে ভিন্ন রকমের এক শিশুর জন্ম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা জেনেটিক সমস্যা। প্রতি তিন লাখে একজন শিশু এভাবে আক্রান্ত হয়ে জন্মায়। তাই মাতৃত্বকালীন সময়ে অস্বাভাবিক কিছু অনুভব হলে আল্টাসনোগ্রাফি করে গর্ভপাত করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। জানা যায়, জন্মের পর ওই নবজাতককে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের এনআইসিউতে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে নিয়ে যান। নবজাতকে দেখলে মনে হবে না যে সে আসলেই মানুষ! মনে হতে পারে প্লাস্টিক দিয়ে বানানো একটি ভুতুড়ে পুতুল। তার চোখ দুটো রক্তের দলা। ঠোঁট রক্তাক্ত। হাত-পায়ের আঙ্গুলগুলো জোড়া লাগানোর মতো। শরীরের চামড়ার শেফ হচ্ছে, ডায়মন্ড পাতের মতো। শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত, পুরু গভীর ক্ষতের মতো। শুকনো মৌসুমে যেমন মাটি ফেটে চৌচির হয়, তেমন নবজাতকের শরীরও ফেটে চৌরির। শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন
কচুর মুখির স্বাস্থ্য উপকারিতা

কচুর মুখির স্বাস্থ্য উপকারিতা

কচুর ছরা বা কচুর মুখি Aroid পরিবারের অন্তর্গত উদ্ভিদ। এটি ভুগর্ভস্থ মাংসল মূল। বৃহত্তম এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ, পশ্চিম আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অঞ্চলের জনপ্রিয় সবজি কচুর মুখি। এর পাতা হার্টের আকৃতির এবং গন্ধ বাদামের মত। কচুর মুখির স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে জেনে নিই চলুন। ১। ক্লান্তি হ্রাস করে কচুর মুখি এনার্জি ধরে রাখতে ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে বলে অ্যাথলেটদের জন্য এটি ভালো খাবার। ২। ওজন কমায় যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য একটি ভালো খাবার হচ্ছে কচুর ছরা। কারণ এর ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। ৩। হজম সহায়ক এই সবজিতে প্রচুর ফাইবার থাকে বলে পরিপাক প্রক্রিয়ার জন্য খুবই উপকারী। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ৪। পাকস্থলী পরিষ্কার করে ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে পরিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করার পাশাপাশি পাকস্থলীর বর্জ্য পদা
যে ৫ খাবার বেশি খেলে ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে

যে ৫ খাবার বেশি খেলে ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে

খাদ্য গ্রহণে খুব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। খাবার যেমন শরীর গঠনে সহায়ক, তেমনি এমন কিছু খাবার আছে যা বেশি খেলে শরীরের নানা রকম সমস্যা হতে পারে। লবণ : বেশি লবণ খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে। চোখের চারপাশের চামড়া খুবই পাতলা ও নরম হয়। দ্য ন্যাশনাল হার্ট লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দিনে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খেলে চোখের নিচের অংশ ফুলে যেতে পারে। দুগ্ধজাত খাবার : এই ধরনের খাবার থেকে অনেক উপকার পাই আমরা। কিন্তু দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে চোখের নিচের অংশ ভারী হয়ে যায়,ব্লাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। চিনি : অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার শুধু যে শরীরের মেদ বাড়ায় তাই নয়, ত্বক শুষ্ক করে দেয়। ফলে চোখের কোল, কপালে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। অ্যালকোহল : অতিরিক্ত অ্যালকোহলের নেশায় ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখের নিচের অংশে
পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর ৭ উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর ৭ উপায়

  অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শোনা যায় পড়াশোনায় তাদের মন বসে না। তাদের জন্য পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর ৭ উপায় নিয়ে এবারের অ্যালবাম সাজানো হয়েছে। মনোযোগ বাড়াতে প্রথম কাজ : ‘যখন নিজেকে ক্লান্ত মনে হবে বা যথেষ্ট মনোযোগ নেই পড়াশোনায়, তখন কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়লে তা মনে রাখা সহজ হয়।’ টেক্সাসের একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ৩০০ ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে করা এক সমীক্ষার ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে। দায়িত্ববোধ : শৈশব থেকেই যারা অস্থির প্রকৃতির, পড়াশোনা বা অন্য কিছুতেও তেমন আগ্রহ নেই বা মন বসাতে পারে না। তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছুটা ভিন্ন ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ শিশু বা ছাত্র-ছাত্রীকে কোনো পোষা প্রাণী কিনে দেয়া যেতে পারে। ছাত্র-ছাত্রীদের চাই ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার : পড়ুয়াদের যে যথেষ্ট ভিটামিন দরকার সে কথা আর কে না জানে? তবে শুধু জানা নয়, তা কাজে পরিণত
চোখ ভালো রাখতে এই ৬টি বিষয় অবশ্যই মেনে চলুন

চোখ ভালো রাখতে এই ৬টি বিষয় অবশ্যই মেনে চলুন

ডেস্ক- নিঃসন্দেহে চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। চোখে যিনি দেখেন না তিনিই বোঝেন পৃথিবীতে চোখের কী মর্ম। তাই চোখের ব্যাপারে আমাদের আরও সচেতন হওয়া উচিত। কারণ চোখ মানুষের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের তুলনায় একটু বেশি স্পর্শকাতর। এই জন্য চোখের কিছু বাড়তি যত্নের  প্রয়োজন। জেনে নিন চোখ ভালো রাখার কিছু সহজ উপায়। ফল ও সবজি চোখ ভাল রাখতে গাজর অনেক উপকারি। গাজরের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি, বাদাম, কমলালেবু খান। টাটকা শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’। যা চোখের কর্নিয়া ভাল রাখতে সাহায্য করে। ছানি পড়ার হাত থেকেও বাঁচায়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের স্নায়ুকোষগুলিকে সুস্থ রাখে। রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখে। তাই চোখ ভাল রাখতে স্যামন, টুনা, হ্যালিবাটের মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ খান। ধুমপান ছাড়ুন আমরা