Wednesday, May 27Welcome khabarica24 Online

সাহিত্য-সংগঠন

বাঁকা চাঁদের আলোয় : মাহবুব পলাশ

বাঁকা চাঁদের আলোয় : মাহবুব পলাশ

বাঁশ বাগানের ওই আঁধার বিদীর্ণ করে তারার মেলায় বাঁকা চাঁদে এলো আলোর নাচন। খোকা হাসে, খুকি হাসে গ্রীস্মের দাবদাহে বেল ও হাসে বুড়ো বুড়ি বেজায় ভারি এমন করোনা খরতাপে। আম, জাম, কাঠালের দেশে কোকিলের কুহুতান আজ দোয়েল টুনির সমস্বরে ঈদ এলো খুশির লাগাম ঝেড়ে।
দাদা নাতির গল্প ( ১)  : সোনা মিয়া

দাদা নাতির গল্প ( ১) : সোনা মিয়া

তখনকার দিনে বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের আসর বসতো।এক বাড়িতে দাদা নাতি দুজনে ছিল, নাতি বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের শোলক বলত, আর দাদা এটা কে সারমর্ম বুজাইদিতো। পন্ডিতির জন্য ১০ টাকা পেত, দাদা নাতি ৫ টাকা করে নিতো, নাতি বৌউয়ের কাছে যাই গল্প করতো,আজকে আমি এমন ভাবে পন্ডিতি করছি, কালকে বলতো আমি এমন করছি, তখন নাতি বৌ বুদ্ধি দিলো,তোমার দাদাকে টাকার ভাগ দাও কেন,তুমিই তো পন্ডিতি কর, তখন নাতি ঠিক করলো দাদা কে ভাগ দেবো না। অন্য একদিন দাদা কে না নিয়ে,একা চলে গেল। সেখানে যাওয়ার পরে লোকজন জিজ্ঞাসা করল আজকে কি দিয়ে ভাত খেয়েছেন। তখন নাতি বললো আমাদের উঠোনে ইছা গুড়া মাছ পেয়েছি সেটা আমার বৌ রান্না করেছে খেতে খুব মজা হয়েছে। তখন উৎসুক লোক জিজ্ঞাসা করল উঠানে ইছা মাছ পাওয়া যায় কিভাবে। তখন নাতি আর কিছু বলতে পারেনা। তখন লোকজন নাতিকে, একটা গাছের সাথে বেধে রেখে দাদা কে খবর দিলো।দাদা নাতির কথা শুনে যথা সময়ে হাজির
অন্তকাল বেঁচে থেকো  : পারভীন লিয়া

অন্তকাল বেঁচে থেকো : পারভীন লিয়া

সেদিন সন্ধার আধো আলো, আধো আঁধারে সে হাটতে হাটতে মিলিয়ে গেলো। নিজের চিন্তার ভেতরে বেঁচে থাকার অস্থির অচেনা মানুষটা পরিচিত পথ ধরে হয়তো পৌছে যাবে সেই শহরে, নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার গন্তব্যে, বহুক্ষণ আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম, ক্লান্ত পায়ে ধীরে ধীরে একটু সামনে যেতেই আর দেখতে পেলাম না। অস্থির নয়নে অন্ধকারে উকিঝুকি মেরে দেখি মিলিয়ে গেছে অজানায়, আঁধারের যন্ত্রণা লেপটে থাকা পৃথিবীটা আমার সাথে ঠিক আগের মতই দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর যাওয়ার পথে বহু দূর চেয়ে থাকলো জেগে থাকা চোখ, তবুও থামেনি, থামবে না, যেন থামতে নেই। সেই যে গেছে, ব্যাথার বাহানাতে পিছু ফিরে দেখেনি আর একটিবারও। মনে কি পড়েনি তার কষ্ট বহন করা বাহনটি ভেঙ্গে চুরে দুমড়ে যেতে পারে। হয়তো পেরেছে। সেই যে ছুটি নিয়েছিলো তারপর আর দেখা হয়নি, বহু বছর কেটে গেলো, বহু কাল পরে অন্য পথে সে-একটু অন্যভাবে। জানা নেই তার প্রিয় পথের মানুষটি ঠিক আগের মতোই আছে, তাঁর স্বপ্নের
চকিত প্রাণ : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চকিত প্রাণ : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চকিত প্রাণ অনমনে রয়ে করছে এপাশ ওপাশ, স্থিতিজড়তা আচ্ছন্ন থেকে মেলেনা হিসাব নিকাশ। সমান্তরালে হাঁটা তনু মনে, এ কেমন পরবাস? এরই মাঝে তাপদাহে শ্রান্ত, অগনিত উৎকন্ঠার প্রশ্বাস, অগোচরে হানা দেওয়া বালাই করছে পৃথিবীতে ত্রাস! প্রলয়ের ঢঙে দেখায় কেবল, আপন নীতির প্রকাশ! জানালার কাছে ডাকছে ঐ স্বাধীন মুক্তো আকাশ, ছাদ বাগানে ফুলের পাশে আমাদের মুগ্ধ গৃহবাস।
সোমা মুৎসুদ্দী’র দুটি কবিতা :  # মেঘবরণ কন্যা  # মন খারাপের দিন

সোমা মুৎসুদ্দী’র দুটি কবিতা : # মেঘবরণ কন্যা # মন খারাপের দিন

সোমা মুৎসুদ্দী'র দুটি কবিতা ------------------- মেঘবরণ কন্যা ---------------- যাবে তুমি আমার সাথে উজানতলী গাঁও মেঘ বরণা, রূপের কন্যা ওঠো আমার নাও আমার গাঁয়ে আছে শোন পাখ পাখালীর মেলা ফড়িং যেথা উড়ে উড়ে নিত্য করে খেলা বসতে দেবো পিড়ি পেতে খেতে দিবো পিঠা তোমার সাথে মনের সুখে বলব কথা মিঠা নাইতে নেমো দীঘির জলে পদ্ম ফুলের সাথে কইবে কথা চাঁদের সাথে পূর্ণিমারই রাতে মেঘবরণা রূপের কন্যা ওঠো আমার নাও তোমায় নিয়ে যাবোই আমি উজানতলী গাঁও ------------------------- --------------------- মন খারাপের দিনগুলোতে রবীন্দ্রনাথ থাকেই সাথে নতুন করে যোগ হলো যে অরিজিৎ এর গান শোনা নূতন আশায় স্বপ্ন বুনি নূতন করেই দিন গোনা। সকালেরই স্নিগ্ধ আমেজ মনে আমার,দেয় দোলা আকাশের মতো হয়না কেনো বন্ধু সবার,মন খোলা দূরের পাহাড় ডাক দিলো যায় ঘর ছেড়ে আজ বাইরে আয় ভালোটাকে গ্রহণ করে খারাপটাকে দে
নিস্ফলা গৃহ : নাসিমা হক মুক্তা

নিস্ফলা গৃহ : নাসিমা হক মুক্তা

দুঃখবিলাসী যৌবনের ইচ্ছেগুলো বির্বণ বিকেলের গায়ে ঝরে পড়ছে - জননীর অশ্রুবিন্দুতে। যেদিন সুখে ঘেমে ছিল ঘর সেদিন বৃক্ষের গায়ে জেগে ছিল চর। তখন থেকে নিভৃতে ওষ্ঠ শুষে ধ্যান করি - নিস্ফলা গৃহে যদি তোমার ঝর্ণা বেয়ে রক্তপাত নামে বরফগলা পানির ভেতরে কেবল তোমাকে জাগবো আবার।
পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা : # মুখোশ পরা মানুষ, # দহন ব্যাথায় তুমি

পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা : # মুখোশ পরা মানুষ, # দহন ব্যাথায় তুমি

------------------------- মুখোশ পরা মানুষ -------------------------- মাথায় তুমি বসে আছো চিন্তা শক্তির শত্রু হয়ে, ভাবনা গুলো চিবিয়ে খেলো-- মুখোশ পরা মানুষ যত। ভালো লাগার অলস সময় আসল নকল চিনতে থাকে, চেনা জানার পৃথিবীতে-- নষ্ট মানুষ রাস্তা মাপে। ঘুণ ধরেছে সমাজটাতে সংসার ভুলে ভাঙ্গতে থাকে, ভালবাসার রঙিন ঘরে-- অভিনয়ের গোলক ধাঁ ধাঁ। আমি তুমি নতুন হয়ে ঘুরতে থাকি ঘুর্ণিপাকে, অবুঝ মনে হাজার কথা-- জমতে থাকে দিনে রাতে। হৃদয় মাঝে সবুজ শিশু লতার মতো বাড়তে থাকে, ভালবাসার দাপট দেখায়-- সুখগুলো সব তুলে রাখি। মনের দামে মনকে চিনি চেনা জানার অভিজ্ঞতায়, দুচোখ ভরে স্বপ্ন দেখি-- স্বপ্নের সাথেই মাখামাখি। তুমি আমার অন্য ভাষা শিখতে গিয়ে যায় যে বেলা, সুখে দুখের অন্য মানুষ-- অন্য চাওয়ার উৎসব মেলা। ----------------------------------------- দহন ব্যাথায় তুমি -------০---
নারীর প্রেম : পারভীন লিয়া

নারীর প্রেম : পারভীন লিয়া

  নারীর কাছেই শিখেছো প্রেম শিখেছো ভালবাসা, নারীর কাছেই পেয়েছো সুখ-- এই নারীর কাছেই আশা। নারীই তোমায় যত্ন করে--- করে সর্ব চাওয়া পূরণ, নারীর মাঝেই সুখ খোঁজ তুমি নারীর মাঝেই হাসো। এই নারী আর সেই নারী নয় নারীকেই ভালবাসো--- অবহেলা আর অপমান করে নারীর মাঝেই বাঁচো। নারী তোমায় জন্ম দিলো ভীষন কষ্ট পেয়ে,আঁচল দিয়ে ঢেকে নিলো, আদর শাষনে বড় হলে তুমি এই নারীর অবদানেই। নারীই তোমার আদরের বোন, নারীই, ভাগ্নি, ভাস্তি, এই নারীই তোমার মা,খালা হয় নারীই ফুফু, চাচী। নারী শুধুই অবহেলা নয় ভালবাসার জন্য, বোঝলে ভালো না বোঝলে অন্য পথে চলো, নারীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নতুন কথা বলো। পুরুষ তুমি নারী ছাড়া অসম্পু্র্ণ এক শূণ্য অনাথ জাতি, তোমার চোখের স্বপ্ন পুরণে-- জ্বালাও নারীর চোখেই বাতি।।