Sunday, September 23Welcome khabarica24 Online

সম্পাদকীয়

রিয়াজকে নিয়ে কিছু কথা

রিয়াজকে নিয়ে কিছু কথা

॥ রণজিত ধর ॥ ‘ফখরুল ইসলাম রিয়াজ’ মীরসরাইয়ের একটি দুখের নাম, একটি শোকের নাম। একটি হৃদয় নিংড়ানো বেদনা বিধুর নাম। এ নামটি মীরসরাই সাংবাদিক মহল সর্বস-রের সাধারণ মানুষ তার সহকর্মী ও সহপাঠীদের বহুদিন পর্যন- শোকের নাম হিসেবে হৃদয়ে একটি স'ান করে নিয়েছে। এ নামটি কিছুতেই ভোলার নয়। গত ২০১২ সালে ১৫ আগস্ট একটি ঘাতক ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে অকালে ঝরিয়ে দিয়েছে সম্ভাবনাময় একজন সংবাদকর্মীর জীবন। অল্পবয়সেই তিনি মিরসরাইয়ের সর্বমহলে একটি ভালো অবস'ানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এখনো তার চেহারা সবার চোখে জ্বলজ্বল করে ভাসছে। কিছু কিছু মৃত্যু মেনে নেওয়া যায়। কিন' রিয়াজের মতো মৃত্যুাগুলো কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। যদিও বলা হয়-‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা রবে’ কিন' এর মাঝেও একটি কথা থাকে পৃথিবীতে। তবুও মনে পড়ে যায়। পৃথিবীতে সবচাইতে বেদনার বিষয় হলো প্রিয়জনকে হারানো। যেদিন পৃথিবীতে কোন জীব জন্ম নিয়ে থাকে সেদিন থেকে মৃত্যু
আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

॥ শেখ আতাউর রহমান ॥ আমরা তো এক লড়াকু জাতি। আমরা ইংরেজ বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়াই করেছি স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে। আমরা পাকিস-ানি বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়েছি মায়ের ভাষাকে মর্যাদা দিতে এবং এক দীর্ঘ সংগ্রাম আর রক্তাক্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে চরম আত্মত্যাগ বিনিময়ে প্রিয় স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে। ভাবতে আশ্চর্য লাগে বিদেশী বেনিয়াদের বিরুদ্ধে এতসব লড়াই করে টিকে থাকে যে জাতি, তাকে কিনা আজ দেশীয় বেনিয়াদের কাছে মার খেতে হচ্ছে নিরবে। আজ দেশী-বিদেশী চক্রানে- একে একে অবলুপ্ত হয়ে গেল আমাদের সকল অর্জন। তবু আমাদের ঘোর কাটছেনা। আমাদের সংকট আজ বহুমুখী। কিন' সব সংকটের মূলে রয়েছে মূল্যবোধের সংকট। যে নৈতিক মূল্যবোধ এবং আদর্শিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আমরা অতীতে লড়াই করেছিলাম নিরাপোষভাবে। আজ তা তিরোহীত। বিশ্বায়ন আর আকাশ সংস্কৃতির তোড়ে আমাদের নিজস্ব সব অর্জন, ঐতিহ্য, কৃষ্টি যেভাবে একে একে বিলীহ হয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই আমাদের
মিরসরাইয়ের শতবর্ষী ‘মহুয়া’ নিয়ে যত কথা

মিরসরাইয়ের শতবর্ষী ‘মহুয়া’ নিয়ে যত কথা

মিঠানালায় দু’শ বছরের পুরোনো বিরল প্রজাতির ফলসহ মহুয়া গাছ এনায়েত হোসেন মিঠু মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা রাম দয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর পাড়ে প্রায় দু’শ বছরের একটি গাছ। এটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। বছরের পর বছর এ গাছ নিয়ে এলাকার মানুষের কৌতুহলের অন- নেই। স'ানীয়দের দেওয়া ‘হানজ্‌ ফল’ নামেই এটি পরিচিত। এ প্রতিবেদক ২০১২ সালের জুন (বাংলা আষাঢ়) মাস থেকে চলতিবছর পর্যন- বিভিন্ন ঋতুতে গাছটির আচরণ, প্রাকৃতিক বিবর্তন, ফুল, ফল এবং বীজের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে ব্যাপক পর্যবেক্ষণের পর বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। বের করা সম্ভব হয়েছে এটির প্রকৃত নাম, গুনাগুন এবং আদি-অন-  রহস্য।জানা গেছে, নন্দ কেরানী নামে এক ব্যবসায়ী  সখের বসে নিজেদের পুকুর পাড়ে এ গাছটি লাগিয়েছিলেন। এটি আনা হয়েছিল মায়ানমারের কোন এক শহর থেকে। স'ানীয় লোকজনের কাছে গাছটির প্রাকৃতিক আচরণ রহস্যময়। তাদের ধারণামত
সংঘাতময় রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা

সংঘাতময় রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা

॥ আনোয়ারুল হক নিজামী ॥ ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ তথা প্রবাসী এবং বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র জাতিসংঘসহ বিশ্বনেত্রীবৃন্দ মনে করছে বাংলাদেশ অনিবার্য সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে কালোমেঘের ঘনঘটা, অনিশ্চয়তা, অসি'রতা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় ধেয়ে আসছে এক বিভীষিকাময় সময়। কখন কার জীবন প্রদীপ নিভে যায় কার অন্ধকার রাজনীতির বলি কে হয় কেউ জানে না। এমনি এক দুঃসহ দূর্দিনে কে দেখাবে আলোর পথ, কে আগামী দিনের একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবে? ক্ষমতাসীনদের কর্মকান্ড : ক্ষমতাসীনরা ড়্গমতার মোহে এতই অন্ধ হয়ে যান যে, বিরোধীদের দাবির প্রতি অবজ্ঞা অবহেলা করে ‘৭৪ এর মতো কালো আইন নিজ নিজ সময়ে নিজেদের মতো করে আইন পাশ করে। জনগণ বিরোধীদের পক্ষে গিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতাচ্যূত করে। এবার সংখ্যা গরিষ্ঠতার সুযোগে কেয়ার টেকার বিল রহি