Friday, December 6Welcome khabarica24 Online

সম্পাদকীয়

পানি শূন্য আগামী পৃথিবী

পানি শূন্য আগামী পৃথিবী

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন :- আজ ২২শে মার্চ।বিশ্ব পানি দিবস।প্রতি বছরের মত এবারও বিশ্ব পানি দিবস পালিত হচ্ছে।পানির অপর নাম জীবন।পানি ছাড়া আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায়না। পানি আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্ব অংশ।দৈনন্দিন কাজের প্রতিটি কাজে পানির প্রয়োজন।তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে , যত দিন গড়াচ্ছে ,আমরা সবাই পানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি তীব্র ভাবে।কখনো আমাদের এই পৃথিবী যদি পানিশূন্য হয়ে পড়ে তবে কি হবে,একবারও কি ভেবে দেখেছি? কল্পনা করতেই শরীরটা শিউরে উঠে।পানি শূন্য পৃথিবীতে  বাঁচবেনা পশু পাখি,বাঁচবেনা গাছপালা।মানব জাতিই বা বাঁচবে কেমন করে?তাই পানি সংকট বর্তমান বিশ্বের একটি আলচিত বিষয়।পরিবেশ বিজ্ঞানীদের ধারনা ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বের অনেক অঞ্চলে পানি ঘাটতি দেখা দিবে। ভবিষ্যতে খাবার পানি ফুরিয়ে যাবে কিনা?এই প্রশ্নও আজকাল দেখা দিচ্ছে অনেকের মনে।পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে মোট পানির ৯৭.৪ শতাংশ রয়েছে
‘ধূমকেতু থেকে খবরিকা’ প্রকাশনার ১৫ বছর

‘ধূমকেতু থেকে খবরিকা’ প্রকাশনার ১৫ বছর

  : কামরুল হাসান জনি :     প্রকাশনা ও কিছু কথা- .................... সম-সাময়িক ঘটনা, দুঃখ-দুর্দশা, সফলতা আর সম্ভাবনার নিত্য-নতুন সংবাদ পৌঁছে দেয়ার মাধ্যম, উত্তর চট্টলায় প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে থাকা গণমানুষের মুখপত্র ‘খবরিকা’র বর্ষপূর্তি ও প্রকাশনার ১৫ বছরের পদাপর্ণ ১৪ এপ্রিল(১লা বৈশাখ)। ‌’ধূমকেতু’র যাত্রা শুরু করে সাহিত্য বিষয়ক ম্যাগাজিন, নিউজ পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন ও বই প্রকাশের মাধ্যমে এই প্রকাশনা বুনেছে ভালবাসার বীজ। পাঠক হৃদয়ে তৈরি করেছে স্বপ্ন কুড়ির। মফস্বল থেকে একটি পত্রিকা বের করা যতটা সহজ তার চেয়েও অধিক কঠিন ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। এই কঠিন কাজটি সাফল্যের সাথে করতে সক্ষম পত্রিকা খবরিকা পরিবার। উপদেষ্টা আর পৃষ্ঠপোষকদের সার্বিক সহযোগিতা এবং সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সার্বিক দায়িত্ব পালনে অব্যাহত রয়েছে পত্রিকার ধারাবাহিকতা। দীর্ঘদিনের এই পথ চলা হৃদয় থ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

  ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সমাধান চান রাষ্ট্রপতি। ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি ও এর ২০১১ সালের প্রটোকল, তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর আশু সমাধান চান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। আজ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।ভেরামারা-বহরামপুর ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বাগেরহাটের রামপালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কয়লা প্রকল্প নিয়েও সন্তোষ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি। এই প্রকল্প বাংলাদেশে জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা করেন।  রাষ্ট্রপতি আরো আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি করুক।পঙ্কজ শরণ রাষ্ট্রপতিকে বলেন, তাঁর দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের ব্যাপার
বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বন্য প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালবাসা ও সৌজন্যবোধ। সহিংসতার এই দুংসময়েও মানুষ পরস্পরের প্রতি এমন সহানুভূতি ও মমত্ববোধ আশা করে। ছবিতে হাতিটি সাধারণ মানুষের দেওয়া টাকা তার ভরন পোষণের জন্য তার মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছে। মীরসরাই পৌর সদর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) তোলা।  -ছবি তিলক বড়ুয়া ॥
দখল-দূষণে বিপন্ন কর্ণফুলী

দখল-দূষণে বিপন্ন কর্ণফুলী

বিশ্বজিৎ পাল : বাংলার সভ্যতা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ, ইতিহাস, ঐতিহ্য নদীকেন্দ্রিক। একইসঙ্গে শিল্প, সাহিত্য, ধর্ম, গ্রাম, নগর, বন্দর, মানববসতি, ভূ-ভাগ ধারাসৃষ্টি, আবর্তন, উন্নয়ন নদীতীরবর্তী। ব-দ্বীপ আকৃতির এ ভূখ-ে ছোটবড় ২৩০টি নদ-নদী প্রবহমান। কোনো এক সময়ে যাত্রীবাহী নৌকা ভ্রমণ, পরিবহন তৎপরতায় জলমহলের রূপ ছিল এই বাংলায়। নৌপথ ছিল ২৫ হাজার ১৪০ কিলোমিটার। খাল, বিল, নদীনালা পরিবহনযোগ্য জলাভূমি ছিল ৪ হাজার। প্রবহমান নদীপথের দাপট বাংলাকে গৌরবান্বিত করেছিল। সওদাগরি নৌকা আর ভাসমান ভেলার খেলা চলেÑ এমন নদীপথ বর্তমানে ভরা বর্ষা মৌসুমে ৫ হাজার ৯৬৮ কিলোমিটার। গ্রীষ্ম মৌসুমে অনিবার্যভাবে তা ২ হাজর কিলোমিটারের বেশি নয়। অর্থসাশ্রয়ী বিকল্প পথ যতই সৃষ্টি প্রক্রিয়া সমুন্নত করা হয়েছে, নদীপথের গ্রহণযোগ্যতা ততো বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপদ বাহন হিসেবে নদীপথের সুবিধা ব্যবস্থা আজ প্রশ্নাতীত হয়ে উঠেছে
রিয়াজকে নিয়ে কিছু কথা

রিয়াজকে নিয়ে কিছু কথা

॥ রণজিত ধর ॥ ‘ফখরুল ইসলাম রিয়াজ’ মীরসরাইয়ের একটি দুখের নাম, একটি শোকের নাম। একটি হৃদয় নিংড়ানো বেদনা বিধুর নাম। এ নামটি মীরসরাই সাংবাদিক মহল সর্বস-রের সাধারণ মানুষ তার সহকর্মী ও সহপাঠীদের বহুদিন পর্যন- শোকের নাম হিসেবে হৃদয়ে একটি স'ান করে নিয়েছে। এ নামটি কিছুতেই ভোলার নয়। গত ২০১২ সালে ১৫ আগস্ট একটি ঘাতক ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে অকালে ঝরিয়ে দিয়েছে সম্ভাবনাময় একজন সংবাদকর্মীর জীবন। অল্পবয়সেই তিনি মিরসরাইয়ের সর্বমহলে একটি ভালো অবস'ানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এখনো তার চেহারা সবার চোখে জ্বলজ্বল করে ভাসছে। কিছু কিছু মৃত্যু মেনে নেওয়া যায়। কিন' রিয়াজের মতো মৃত্যুাগুলো কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। যদিও বলা হয়-‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা রবে’ কিন' এর মাঝেও একটি কথা থাকে পৃথিবীতে। তবুও মনে পড়ে যায়। পৃথিবীতে সবচাইতে বেদনার বিষয় হলো প্রিয়জনকে হারানো। যেদিন পৃথিবীতে কোন জীব জন্ম নিয়ে থাকে সেদিন থেকে মৃত্যু
আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

॥ শেখ আতাউর রহমান ॥ আমরা তো এক লড়াকু জাতি। আমরা ইংরেজ বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়াই করেছি স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে। আমরা পাকিস-ানি বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়েছি মায়ের ভাষাকে মর্যাদা দিতে এবং এক দীর্ঘ সংগ্রাম আর রক্তাক্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে চরম আত্মত্যাগ বিনিময়ে প্রিয় স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে। ভাবতে আশ্চর্য লাগে বিদেশী বেনিয়াদের বিরুদ্ধে এতসব লড়াই করে টিকে থাকে যে জাতি, তাকে কিনা আজ দেশীয় বেনিয়াদের কাছে মার খেতে হচ্ছে নিরবে। আজ দেশী-বিদেশী চক্রানে- একে একে অবলুপ্ত হয়ে গেল আমাদের সকল অর্জন। তবু আমাদের ঘোর কাটছেনা। আমাদের সংকট আজ বহুমুখী। কিন' সব সংকটের মূলে রয়েছে মূল্যবোধের সংকট। যে নৈতিক মূল্যবোধ এবং আদর্শিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আমরা অতীতে লড়াই করেছিলাম নিরাপোষভাবে। আজ তা তিরোহীত। বিশ্বায়ন আর আকাশ সংস্কৃতির তোড়ে আমাদের নিজস্ব সব অর্জন, ঐতিহ্য, কৃষ্টি যেভাবে একে একে বিলীহ হয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই আমাদের
মিরসরাইয়ের শতবর্ষী ‘মহুয়া’ নিয়ে যত কথা

মিরসরাইয়ের শতবর্ষী ‘মহুয়া’ নিয়ে যত কথা

মিঠানালায় দু’শ বছরের পুরোনো বিরল প্রজাতির ফলসহ মহুয়া গাছ এনায়েত হোসেন মিঠু মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা রাম দয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর পাড়ে প্রায় দু’শ বছরের একটি গাছ। এটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। বছরের পর বছর এ গাছ নিয়ে এলাকার মানুষের কৌতুহলের অন- নেই। স'ানীয়দের দেওয়া ‘হানজ্‌ ফল’ নামেই এটি পরিচিত। এ প্রতিবেদক ২০১২ সালের জুন (বাংলা আষাঢ়) মাস থেকে চলতিবছর পর্যন- বিভিন্ন ঋতুতে গাছটির আচরণ, প্রাকৃতিক বিবর্তন, ফুল, ফল এবং বীজের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে ব্যাপক পর্যবেক্ষণের পর বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। বের করা সম্ভব হয়েছে এটির প্রকৃত নাম, গুনাগুন এবং আদি-অন-  রহস্য।জানা গেছে, নন্দ কেরানী নামে এক ব্যবসায়ী  সখের বসে নিজেদের পুকুর পাড়ে এ গাছটি লাগিয়েছিলেন। এটি আনা হয়েছিল মায়ানমারের কোন এক শহর থেকে। স'ানীয় লোকজনের কাছে গাছটির প্রাকৃতিক আচরণ রহস্যময়। তাদের ধারণামত