Thursday, July 11Welcome khabarica24 Online

মুক্তাঙ্গন

পুরুষ নির্যাতন বিরোধী সংগঠন ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন’

পুরুষ নির্যাতন বিরোধী সংগঠন ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন’

নিজস্ব প্রতিনিধি : নারী নির্যাতন বন্ধ করতে আইন প্রনয়ণ ও কার্যকরে প্রশাসনের উচ্চপর্যায় থেকে শুরু করে নিম্নপর্যায় পর্যন্ত যেখানে হাঁপিয়ে উঠেছে সেখানে পুরুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন অবাক হওয়ার মতোই। এবার দেখা মিলল তেমনই একটি সংগঠনের। সংগঠনটির নাম ‘পরিবার বাঁচাও আন্দোলন-বাংলাদেশ’। পুরুষকে নারী কর্তৃক নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ভালবাসা দিবস উপলক্ষে সদস্যরা স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শুক্রবার (১৪ ফেব্র“য়ারি) আনন্দ ভ্রমণে আসেন মীরসরাইয়ের মহামায়াতে। সংগঠনটির সভাপতি ডা. মাহফুজুর রহমান জানান, “সরকার নারী নির্যাতন বন্ধ করতে কাজ করছে। কিন্তু অনেক পরিবার আছে যেখানে ক্ষমতাশালী নারী কর্তৃক ঘরের পুরুষরা নির্যাতিত হয়। সেসব নির্যাতন বন্ধ করে সুন্দর পরিবার গড়তেই আমাদের সংগঠনের পথচলা। তবে এই সংগঠনের কার্যক্রম আমাদের স্ত্রীরাও উপভোগ করেন।” এদিনটিকে স্মরণ
বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

বন্য প্রাণীর জন্য মমতা

যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বন্য প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালবাসা ও সৌজন্যবোধ। সহিংসতার এই দুংসময়েও মানুষ পরস্পরের প্রতি এমন সহানুভূতি ও মমত্ববোধ আশা করে। ছবিতে হাতিটি সাধারণ মানুষের দেওয়া টাকা তার ভরন পোষণের জন্য তার মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছে। মীরসরাই পৌর সদর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) তোলা।  -ছবি তিলক বড়ুয়া ॥
আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

আর একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই

॥ শেখ আতাউর রহমান ॥ আমরা তো এক লড়াকু জাতি। আমরা ইংরেজ বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়াই করেছি স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে। আমরা পাকিস-ানি বেনিয়াদের বিরম্নদ্ধে লড়েছি মায়ের ভাষাকে মর্যাদা দিতে এবং এক দীর্ঘ সংগ্রাম আর রক্তাক্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে চরম আত্মত্যাগ বিনিময়ে প্রিয় স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে। ভাবতে আশ্চর্য লাগে বিদেশী বেনিয়াদের বিরুদ্ধে এতসব লড়াই করে টিকে থাকে যে জাতি, তাকে কিনা আজ দেশীয় বেনিয়াদের কাছে মার খেতে হচ্ছে নিরবে। আজ দেশী-বিদেশী চক্রানে- একে একে অবলুপ্ত হয়ে গেল আমাদের সকল অর্জন। তবু আমাদের ঘোর কাটছেনা। আমাদের সংকট আজ বহুমুখী। কিন' সব সংকটের মূলে রয়েছে মূল্যবোধের সংকট। যে নৈতিক মূল্যবোধ এবং আদর্শিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আমরা অতীতে লড়াই করেছিলাম নিরাপোষভাবে। আজ তা তিরোহীত। বিশ্বায়ন আর আকাশ সংস্কৃতির তোড়ে আমাদের নিজস্ব সব অর্জন, ঐতিহ্য, কৃষ্টি যেভাবে একে একে বিলীহ হয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই আমাদের