শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

বিনোদন

ফিরিয়ে দাও সকল উৎসব : পিউলি খাতুন

ফিরিয়ে দাও সকল উৎসব : পিউলি খাতুন

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, জনপদ, জাতীয়, প্রথম পাতা, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
আমরা সদ্য পার করে এসেছি ঈদ-উল-ফিতর। প্রতি বছরের মত খুশী জোটেনি এবার। এই ঈদে খুশী খুঁজে নেওয়ার মত মানসিকতাও ছিলনা কারোর। প্রতি বছর রমজান শুরুর সাথে সাথেই প্রতিদিন ইফতারের সময় গোনা হয় - আজ চারটে রোজা,কাল পাঁচটা,পরশু ছ'টা.... এই করে করে একদিন আসে সাতাশ রোজা, বিশেষ দিন। এই সাতাশ রোজার সারারাতের নামাজের পর একটা ঈদ - ঈদ গন্ধ নেমে আসে মহল্লায়। এ বছর সাতাশ রোজার সমবেত নামাজ বা ঈদের গন্ধ কোনোটাই ছিলনা; ছিলনা চাঁদ ওঠার খবরের অপেক্ষা বা অপেক্ষার আনন্দ। আবার ও আসলো ঈদুল আযহা। সমস্ত অশুভকে কোরবানী করে নতুন করে আলো জ্বালানোর উৎসব। এবারও চাঁদ রাত হবে বটে, কিন্তু চাঁদরাতে দল বেঁধে মেয়েদের মেহেন্দী পরাটা বোধ হয় আবারও হবেনা; মায়েদের আগের দিন থেকে রান্নার জোগার করতেও দেখতে পাবনা হয়তো। একমাস আগে থেকে ঈদের বাজার, দর্জির দোকানে জামা বানানোর লড়াই,ম্যাচিং জুতোর জন্য পরিবার শুদ্ধ শপিংমল; নাহ্, কোনোটাই হয়নি এব...
সন্দেহবাতিক  : শাহীন চৌধুরী ডলি

সন্দেহবাতিক : শাহীন চৌধুরী ডলি

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, খবরিকাকাগজ, গ্যালারি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বিনোদন, বিশেষখবর, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, সুস্বাস্থ্য, স্বজন, স্লাইড
রিয়াদ অফিসে চলে যাওয়ার পর সুধার খুব নিঃসঙ্গ লাগছে। একা একা কিছু করার নেই। ছুটা কাজের মেয়েটা সকাল সকাল এসে কাজগুলো সেরে দিয়ে চলে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুধার পদচারণা কম। বরং সে গল্পের বই পড়তে এবং বাগান করতেই বেশি ভালোবাসে। রিয়াদ অফিস থেকে বারবার সুধাকে কল দেয়। হ্যালো সুইটহার্ট কি করছো? এই তুমি এতবার কল করো কেন? অফিসে কোন কাজটাজ নেই নাকি? কাজ তো আছেই। কিন্তু কি করে মনকে বুঝাই বলো। সারাক্ষণ নতুন বউয়ের মুখটাই যেন দেখতে পাই। ইচ্ছে করছে অফিসের কাজ ফেলে বাসায় চলে আসি। তোমার সাথে আড্ডা দিই। আচ্ছা আচ্ছা বুঝেছি তুমি বউ পাগলা, বলেই মুচকি হাসে। তা এখন মনোযোগ দিয়ে কাজ করো। আমি একটা বই পড়ছি। দারুণ ক্লাইমেক্সের জায়গায় আছি। অফিস শেষে বাসায় আসো, তখন কথা হবে। রিয়াদ মনে মনে ভাবে। সুধা তো খুব সুন্দর! আচ্ছা ও কি আমার মতন দেখতে খুব সাধারণ একজনকে স্বামী হিসেবে পেয়ে খুশি! নাকি ওকে ভাই - ভাবী জ...
বটতলার সিঁড়ি : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

বটতলার সিঁড়ি : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, সুস্বাস্থ্য, স্বজন, স্লাইড
সময়ের তোড়ে বিরান এই বটতলার সিঁড়িগুলো শেওলা জমেছে পার্কিং টাইলসের ফাঁকে স্বার্থপর চাটুকারের দল গেছে নির্বাসনে , চরম হতাশায় বিষন্ন সরব নাট্য ঐ মঞ্চটা। মোসাহেবী অভিনয়টাই যেনো হলো সার। প্রাণভয়ে গুটিয়ে গেছে রঙিন সব অভিনয়। মঞ্চটা একা হয়ে গেলো অবেলার অবহেলায়, আহা!কতো নামডাক আর নেই তো হাঁক…! এমনটাই কি ভাগ্যে ছিলো লেখা সবার? অনন্তলোকে দিয়ে পাড়ি কেবা হয়েছে কার?...
ফেরিওয়ালা :: আমিনুর রহমান প্রামাণিক

ফেরিওয়ালা :: আমিনুর রহমান প্রামাণিক

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
নির্ঘুম রাত মগজে হানে ঘুণপোকা কবিতার গোলাঘরে অকারণে দিই টোকা গৃহস্থ হতে চেয়ে হয়ে গেছি ফেরিওয়ালা অকারণে হাঁক ডাক শিখে গেছি ছলাকলা শীত বসন্ত কিংবা ফেরি করি শারদাকাশ ফেরি করি রোদ ঝড় বৃষ্টির বারোমাস হাসিখুশী ভরা উঠোন রেখেছি রঙীন রেখেছি আষাঢ় মন মাতানো রাতদিন গল্প - নাটক - ইতিহাসও আছে ঢের লাল নীল হলুদ ভালোলাগা রকমফের কি নেবে তুমি? রাত ভরা ঘুম নেবে? স্বপ্ন সাজানো আছে মন ভরা উৎসবে ফুল চাও তাও দিতে পারি টেকসই সুবাস ভরা, নিষ্পাপ শিশুদের হৈচৈ সাঁঝের আকাশ বেলা শেষের আয়োজন দিতে পারি আরও ধ্যানমগ্ন তপোবন নেবে নাকি কেউ সাত রাজার ধন অশেষ বলবো না স্টক সীমিত,উর্বর বাংলাদেশ।...
পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা  # অপরাধী ভেজা চোখ # তুমি কি আমার ছিলে

পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা # অপরাধী ভেজা চোখ # তুমি কি আমার ছিলে

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, খবরিকাকাগজ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
পারভীন লিয়া'র দুটি কবিতা অপরাধী ভেজা চোখ" ----------------------------- আমি তোমাদের সেই চিরচেনা অভিমান,, ব্যাথা ভরা কষ্টের অবহেলার অভিযোগ,, আমি তোমাদের অপরাধী ভেজা চোখ,, তোমাদের সেই চিরচেনা বিদায়ের নত মুখ,, হৃদয়ে প্রেম দেয়না দোলা আর যুদ্ধে সর্বনাশ,, আমি তোমাদের সেই চিরচেনা প্রিয় দীর্ঘশ্বাস,, বিষাদের মনে প্রণয়ের নেই কোন অঙ্গীকার,, বিশ্বজয়ী মানবীর মনবসন্তে ফুরালো গন্ধভার,, আমি তোমাদের সেই চিরচেনা অভিমান,, ক্লান্ত প্রাণ, হৃদয়ের সংগ্রামে ক্ষীপ্ত অভিযান,, খোঁজিনা তো আর কোথাও কোন ঠিকানা,, তোমাকে ভুলে যাওয়া এখন ভিতর থেকে মানা,, অস্থির অভিযোগ ভবিষ্যতের পথে হলো চলা,, জীবনের গল্পে নিজের মতো অন্যরকম কিছু বলা,, বুঝিনা কোন কিছুই কেনো ক্ষদ্র হলো অন্তরাল,, নিবে কি আবার চিনে নিজের করে চিরকাল,, শূণ্যতার বুকে আজ তৃষ্ণা কেনো ভালোলাগায়, অনিশ্চয়ের আঁধারেও তৃপ্তি আমার ভালবাসায়। তুমি...
নাটাই  : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

নাটাই : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
  এই অবণীর সবুজ উঠোনে, অজন্মের চিহ্ন জীবনে, শৈশব থেকে প্রতিটি নিঃশ্বাসে, মননের পুঁজি নিয়ে আনন্দের রেশে, চির বিদ্বেষ গেছে ভুলে বাঁচার মধুর পরশে, প্রত্যাশা চামর দুলিয়ে দিনভর ডেকে চলে বার বার! এমনি ক্ষণে মলয়ের তোড়ে পিয়াস জাগে সুখ কুড়িয়ে নেবার, স্বপ্নলোকে চিত্ত হারায় নিত্য সুখের হাতছানি পায় পুলোকিত ইচ্ছায় ! যাপিত জীবনের বিষাদ ভুলে রয় মোহের শিকল জড়ানো পায়, আশার ঘুড়িটা ওড়ে আকাশে সুতোর টানে টালমাটাল, এখনো নাটাইয়ের সুতোটা ছাড়েনি তো হাল! টিকে থাকার প্রাণপনে আকুতি নিয়ে। পবণ বিমুখ করে ফিরে দিয়ে, অবনতশিরে ফিরে চলে নিয়তির ছায়াতলে মানবাত্মা যে!...
দাদা নাতি (দুই ) : সোনা মিয়া

দাদা নাতি (দুই ) : সোনা মিয়া

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
দু: শ্চিন্তায় রাত্রে নাতির ঘুম হয় নাই, ভোর সকালে দাদার বাড়িতে হাজির। দাদা ফজরের নামাজ পড়ে তখনও ঘুমাচ্ছে। নাতি এসে দাদাকে ডেকে তুললেন দাদা উঠে হাত মুখ দুয়ে নাতিকে নিয়ে নাস্তা করতে বসলেন। নাতি নাস্তা খেতে চাচ্ছে না, দাদা জোর করে একটু খাইয়ে দিলেন দাদা নাতিকে জিগ্যেস করলেন তোমার কি হয়েছে নাতি বলে আমার মন ভালো নেই। তখন দাদা ব'লে কেন, নাতির কোন উত্তর নাই। তখন দাদা ব'লে চল আজকে পাহাড়ের দিকে যাবো, তখন নাতি বলে ওখানে কি আছে, দাদা ব'লে মন ভালো করার ঔষধ আছে। দাদা নাতি রওয়ানা দিলে দাদার পরনে লুঙ্গী নাতির পরনে পেন্ট, দাদা নাতিকে বল্লো লুঙ্গী পরে আসতে, নাতি বলে দাদা তুমি একেবারে বোকা আমরা ঘুরতে যাবো লুঙ্গী কেন , আমার একটা সন্মান আছেনা। তখন দাদা আর কিছু বলেনা, দাদা নাতি পাহাড়ের কিছুটা ভিতরে ঢুকল তখন একটা সরু রাস্তা পেলো এবং রাস্তাটা পিছলা ছিলো, তখন দাদা লুঙ্গীটা গোছমারি নিলো, নাতি তো পেন্ট তা...
চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
বর্ণীল দিনগুলোতে প্রাণবন্ত মানুষ, আমরন চলে ছুটে, বিন্দুতে নেই স্থির। অক্লান্ত পরিশ্রম আর মননের স্বাক্ষর হিসেবে একে একে পাওয়া ছোট বড় মেডেল, দামী ক্রেষ্টের চকচকে আভায় বিমুগ্ধ প্রাণ। সযত্নে দেয়াল শোকেসের প্রতিটি তাকে থরে থরে সাজানো সোনালী, রূপোলী ক্রেষ্টের ফাঁকে এখন জমেছে ধুলো। আর চেয়ে দেখেনা কেউ । এতো দামী সম্মাননার চিহ্নগুলো বিলীন হচ্ছে কালের গর্ভে। এমনি করে একদিন সে স্থান দখলে হয়তো আসবে নতুন কিছু ক্রিষ্টালের চকচকে শো-পিস। নেই আজ শুধু সে মানুষটা ! জানালায় হেলান দিয়ে দাঁড়াতেই হঠাৎ চোখ পড়লো সাজানো ক্রেষ্টগুলোতে, সময়ের হাত ধরে আমরা সবাই এ কোন বৃত্তের চক্রবাকে ঘুরছি ! আশেপাশে মৃত্যুর কঠিন ছোবলে চেনা মুখগুলো দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে, দিনান্তে অনেকটাই হতাশ, বিষন্ন মন, কি এক অচেনা ভয়ে উদ্বিগ্ন জীবাত্মা !...