শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

বিনোদন

ফেরিওয়ালা :: আমিনুর রহমান প্রামাণিক

ফেরিওয়ালা :: আমিনুর রহমান প্রামাণিক

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
নির্ঘুম রাত মগজে হানে ঘুণপোকা কবিতার গোলাঘরে অকারণে দিই টোকা গৃহস্থ হতে চেয়ে হয়ে গেছি ফেরিওয়ালা অকারণে হাঁক ডাক শিখে গেছি ছলাকলা শীত বসন্ত কিংবা ফেরি করি শারদাকাশ ফেরি করি রোদ ঝড় বৃষ্টির বারোমাস হাসিখুশী ভরা উঠোন রেখেছি রঙীন রেখেছি আষাঢ় মন মাতানো রাতদিন গল্প - নাটক - ইতিহাসও আছে ঢের লাল নীল হলুদ ভালোলাগা রকমফের কি নেবে তুমি? রাত ভরা ঘুম নেবে? স্বপ্ন সাজানো আছে মন ভরা উৎসবে ফুল চাও তাও দিতে পারি টেকসই সুবাস ভরা, নিষ্পাপ শিশুদের হৈচৈ সাঁঝের আকাশ বেলা শেষের আয়োজন দিতে পারি আরও ধ্যানমগ্ন তপোবন নেবে নাকি কেউ সাত রাজার ধন অশেষ বলবো না স্টক সীমিত,উর্বর বাংলাদেশ।...
পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা  # অপরাধী ভেজা চোখ # তুমি কি আমার ছিলে

পারভীন লিয়া’র দুটি কবিতা # অপরাধী ভেজা চোখ # তুমি কি আমার ছিলে

আমিরাত সংস্করণ, কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, খবরিকাকাগজ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
পারভীন লিয়া'র দুটি কবিতা অপরাধী ভেজা চোখ" ----------------------------- আমি তোমাদের সেই চিরচেনা অভিমান,, ব্যাথা ভরা কষ্টের অবহেলার অভিযোগ,, আমি তোমাদের অপরাধী ভেজা চোখ,, তোমাদের সেই চিরচেনা বিদায়ের নত মুখ,, হৃদয়ে প্রেম দেয়না দোলা আর যুদ্ধে সর্বনাশ,, আমি তোমাদের সেই চিরচেনা প্রিয় দীর্ঘশ্বাস,, বিষাদের মনে প্রণয়ের নেই কোন অঙ্গীকার,, বিশ্বজয়ী মানবীর মনবসন্তে ফুরালো গন্ধভার,, আমি তোমাদের সেই চিরচেনা অভিমান,, ক্লান্ত প্রাণ, হৃদয়ের সংগ্রামে ক্ষীপ্ত অভিযান,, খোঁজিনা তো আর কোথাও কোন ঠিকানা,, তোমাকে ভুলে যাওয়া এখন ভিতর থেকে মানা,, অস্থির অভিযোগ ভবিষ্যতের পথে হলো চলা,, জীবনের গল্পে নিজের মতো অন্যরকম কিছু বলা,, বুঝিনা কোন কিছুই কেনো ক্ষদ্র হলো অন্তরাল,, নিবে কি আবার চিনে নিজের করে চিরকাল,, শূণ্যতার বুকে আজ তৃষ্ণা কেনো ভালোলাগায়, অনিশ্চয়ের আঁধারেও তৃপ্তি আমার ভালবাসায়। তুমি...
নাটাই  : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

নাটাই : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
  এই অবণীর সবুজ উঠোনে, অজন্মের চিহ্ন জীবনে, শৈশব থেকে প্রতিটি নিঃশ্বাসে, মননের পুঁজি নিয়ে আনন্দের রেশে, চির বিদ্বেষ গেছে ভুলে বাঁচার মধুর পরশে, প্রত্যাশা চামর দুলিয়ে দিনভর ডেকে চলে বার বার! এমনি ক্ষণে মলয়ের তোড়ে পিয়াস জাগে সুখ কুড়িয়ে নেবার, স্বপ্নলোকে চিত্ত হারায় নিত্য সুখের হাতছানি পায় পুলোকিত ইচ্ছায় ! যাপিত জীবনের বিষাদ ভুলে রয় মোহের শিকল জড়ানো পায়, আশার ঘুড়িটা ওড়ে আকাশে সুতোর টানে টালমাটাল, এখনো নাটাইয়ের সুতোটা ছাড়েনি তো হাল! টিকে থাকার প্রাণপনে আকুতি নিয়ে। পবণ বিমুখ করে ফিরে দিয়ে, অবনতশিরে ফিরে চলে নিয়তির ছায়াতলে মানবাত্মা যে!...
দাদা নাতি (দুই ) : সোনা মিয়া

দাদা নাতি (দুই ) : সোনা মিয়া

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
দু: শ্চিন্তায় রাত্রে নাতির ঘুম হয় নাই, ভোর সকালে দাদার বাড়িতে হাজির। দাদা ফজরের নামাজ পড়ে তখনও ঘুমাচ্ছে। নাতি এসে দাদাকে ডেকে তুললেন দাদা উঠে হাত মুখ দুয়ে নাতিকে নিয়ে নাস্তা করতে বসলেন। নাতি নাস্তা খেতে চাচ্ছে না, দাদা জোর করে একটু খাইয়ে দিলেন দাদা নাতিকে জিগ্যেস করলেন তোমার কি হয়েছে নাতি বলে আমার মন ভালো নেই। তখন দাদা ব'লে কেন, নাতির কোন উত্তর নাই। তখন দাদা ব'লে চল আজকে পাহাড়ের দিকে যাবো, তখন নাতি বলে ওখানে কি আছে, দাদা ব'লে মন ভালো করার ঔষধ আছে। দাদা নাতি রওয়ানা দিলে দাদার পরনে লুঙ্গী নাতির পরনে পেন্ট, দাদা নাতিকে বল্লো লুঙ্গী পরে আসতে, নাতি বলে দাদা তুমি একেবারে বোকা আমরা ঘুরতে যাবো লুঙ্গী কেন , আমার একটা সন্মান আছেনা। তখন দাদা আর কিছু বলেনা, দাদা নাতি পাহাড়ের কিছুটা ভিতরে ঢুকল তখন একটা সরু রাস্তা পেলো এবং রাস্তাটা পিছলা ছিলো, তখন দাদা লুঙ্গীটা গোছমারি নিলো, নাতি তো পেন্ট তা...
চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
বর্ণীল দিনগুলোতে প্রাণবন্ত মানুষ, আমরন চলে ছুটে, বিন্দুতে নেই স্থির। অক্লান্ত পরিশ্রম আর মননের স্বাক্ষর হিসেবে একে একে পাওয়া ছোট বড় মেডেল, দামী ক্রেষ্টের চকচকে আভায় বিমুগ্ধ প্রাণ। সযত্নে দেয়াল শোকেসের প্রতিটি তাকে থরে থরে সাজানো সোনালী, রূপোলী ক্রেষ্টের ফাঁকে এখন জমেছে ধুলো। আর চেয়ে দেখেনা কেউ । এতো দামী সম্মাননার চিহ্নগুলো বিলীন হচ্ছে কালের গর্ভে। এমনি করে একদিন সে স্থান দখলে হয়তো আসবে নতুন কিছু ক্রিষ্টালের চকচকে শো-পিস। নেই আজ শুধু সে মানুষটা ! জানালায় হেলান দিয়ে দাঁড়াতেই হঠাৎ চোখ পড়লো সাজানো ক্রেষ্টগুলোতে, সময়ের হাত ধরে আমরা সবাই এ কোন বৃত্তের চক্রবাকে ঘুরছি ! আশেপাশে মৃত্যুর কঠিন ছোবলে চেনা মুখগুলো দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে, দিনান্তে অনেকটাই হতাশ, বিষন্ন মন, কি এক অচেনা ভয়ে উদ্বিগ্ন জীবাত্মা !...
দাদা নাতির গল্প ( ১)  : সোনা মিয়া

দাদা নাতির গল্প ( ১) : সোনা মিয়া

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
তখনকার দিনে বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের আসর বসতো।এক বাড়িতে দাদা নাতি দুজনে ছিল, নাতি বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের শোলক বলত, আর দাদা এটা কে সারমর্ম বুজাইদিতো। পন্ডিতির জন্য ১০ টাকা পেত, দাদা নাতি ৫ টাকা করে নিতো, নাতি বৌউয়ের কাছে যাই গল্প করতো,আজকে আমি এমন ভাবে পন্ডিতি করছি, কালকে বলতো আমি এমন করছি, তখন নাতি বৌ বুদ্ধি দিলো,তোমার দাদাকে টাকার ভাগ দাও কেন,তুমিই তো পন্ডিতি কর, তখন নাতি ঠিক করলো দাদা কে ভাগ দেবো না। অন্য একদিন দাদা কে না নিয়ে,একা চলে গেল। সেখানে যাওয়ার পরে লোকজন জিজ্ঞাসা করল আজকে কি দিয়ে ভাত খেয়েছেন। তখন নাতি বললো আমাদের উঠোনে ইছা গুড়া মাছ পেয়েছি সেটা আমার বৌ রান্না করেছে খেতে খুব মজা হয়েছে। তখন উৎসুক লোক জিজ্ঞাসা করল উঠানে ইছা মাছ পাওয়া যায় কিভাবে। তখন নাতি আর কিছু বলতে পারেনা। তখন লোকজন নাতিকে, একটা গাছের সাথে বেধে রেখে দাদা কে খবর দিলো।দাদা নাতির কথা শুনে যথা সময়ে হাজির ...
দক্ষিণা বাতাসে : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

দক্ষিণা বাতাসে : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, গ্যালারি, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্লাইড
কাঁচের কপাট খুলে দেই দক্ষিণা বাতাসের আভাসে, অতীত মোহে কাটাই দিবস আনমনে আপন নিবাসে। শুরু হবে নতুন প্রাপ্তি আর প্রশান্তির মিষ্টি আবেশে, পুরানো স্মৃতি কথায় আবিষ্ট এক পিছুটানা রেশে। লোহার শক্ত গ্রীলের মাঝে হাত রাখি অসীম বিশ্বাসে, আবার হাটতে চাই আমি, পৃথিবীর ধুলো মাটি ঘাসে।
প্রলোভন  :  রুমি চৌধুরী

প্রলোভন : রুমি চৌধুরী

কবিতা ও গল্প, খবরিকা আর্কাইভ, বিনোদন, মুক্তাঙ্গন, সাহিত্য-সংগঠন, স্বজন, স্লাইড
  শিকড় থেকে শেখরে জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই তোমাকে খুঁজি। নিরন্তর খুঁজে চলি মনের গহীন বনের সুগঠিত অঞ্চলে গভীর অতলান্ত থেকে শূন্যেরও ওপারে। আধখাওয়া চাঁদ আর আধখানা রুটিতে কিংবা শুচিস্নিগ্ধ নীরব অগ্নিস্নানে উন্মুক্ত মেঘদলের শুভ্র শতদলে অথবা কোমল ওষ্ঠপুটে বিষাদ করতলে। তোমাকেই খুঁজে চলি অচেনা বন্দরে ছনছাওয়া ঘরে আর সুরম্য সুন্দরে খুঁজি আর্তনাদে, খুঁজি প্রতিবাদে জন্মের উৎসবে, অনিত্য শোকসভায়। অথচ অবিশ্রান্ত এই খুঁজে চলায় কেবলই উঠে আসে অসীম শূন্যতা! আদৌ কি তুমি আছো কখনো কোথাও! নাকি থাকার প্রলোভনে কেবলই ঠকাও!...