Sunday, November 18Welcome khabarica24 Online

খেলাধুলা

বিপিএল ফিক্সিংয়ের শুনানি শুরু কাল

বিপিএল ফিক্সিংয়ের শুনানি শুরু কাল

রোববার রাজধানীর নাভানা টাওয়ারে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় আসরের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের শুনানি শুরু হবে।বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের ম্যাচ ফিক্সিং ঘটনার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠনের ১০১ দিন পর রোববার ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটির কার্যালয়ে এক সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনালের আহ্বায়ক সাবেক বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী। বিসিবি লম্বা তদন্ত সম্পন্ন করে নয়জনের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। অপর দিকে নয় জনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া হয় ট্রাইবুনালের হাতে। কিন্তু দীর্ঘ সময় বিষয়টি ঝুঁলে ছিল। যে কারণে অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা আদালতে মামলা ঠুকে দেয়। ফলে মামলা আর তদন্ত প্রতিবেতদন দুই বিষয় নিয়ে ২৪ নভেম্বর বসছে ট্রাইবুনাল। যদিও ট্রাইবুনাল হবার কথা ছিল ম্যাচ ফিক
১২ ঘণ্টায় শেষ অনলাইন টিকিট

১২ ঘণ্টায় শেষ অনলাইন টিকিট

মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হলো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টোয়েন্টি১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৬ এপ্রিলের ফাইনাল ম্যাচের সব অনলাইন টিকিট। শুধু তা-ই নয়, ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সব কটি ম্যাচেরও অনলাইন টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৭ নভেম্বর রোববার সকাল ১০টা থেকে অগ্রণী, এনসিসি ব্যাংক থেকে এবং অনলাইনে একসঙ্গে শুরু হয় ক্রিকেট বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রয়।কিন্তু রোববার রাত সোয়া ১০টার দিকে আইসিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে বাংলাদেশের ঢাকার ম্যাচ এবং ফাইনাল-সেমিফাইনালের কোনো টিকিট পাওয়া যায়নি।শুক্রবার রাত থেকেই সারাদেশের অগ্রণী ও এনসিসি ব্যাংকে ক্রিকেটপ্রেমীদের ভিড় থাকলেও অনলাইনেও চাহিদার কমতি ছিল না। বাংলাদেশের একটি খেলাসহ ভারত-পাকিস্তান, পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া, ভারত-অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্টইন্ডিজের ম্যাচসহ সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সব অনলাইন টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। শুধুমাত্র ডাচ-বা
টি ২০ বিশ্বকাপের টিকিট কেউ খুশি কেউ হতাশ

টি ২০ বিশ্বকাপের টিকিট কেউ খুশি কেউ হতাশ

টি ২০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে রোববার থেকে। অগ্রাণী ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংকের মোট ৯৪টি শাখায় কাল এই টিকিট বিক্রি শুরু হয়। টিকিট কেনার জন্য শুধু লাইনে দাঁড়িয়ে টোকেন সংগ্রহের মাধ্যমে একটি ম্যাচের জন্য আগ্রহী ব্যক্তি নির্দিষ্ট সংখ্যক টিকিট পাবেন। ঢাকায় একটি শাখায় এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০টি টিকিট কিনতে পেরেছেন। তবে জেলা শহরে অনেক জায়গায় সর্বাধিক ৪টি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পেয়েছেন দর্শকরা। টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিু ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। টিকিট বিক্রি চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একটি ম্যাচের জন্য যে কেউ জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়ে টিকিট কিনতে পারবেন।মতিঝিল এনসিসি ব্যাংক শাখায় ভোর পাঁচটায় ছেলের জন্য টিকিট কিনতে এসেছিলেন রমা রানী। ছোট ছেলে আগের দিন এসে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র নেই বলে মাকে ডেকে আনেন তিনি। পরে র
রোববার শুরু হচ্ছে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি টিকিট বিক্রি

রোববার শুরু হচ্ছে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি টিকিট বিক্রি

রোববার শুরু হচ্ছে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশ ২০১৪ এর টিকিট বিক্রি। টিকিট পাওয়া যাবে এনসিসি ও অগ্রণী ব্যাংকের ১০০টি শাখায়।বিক্রির একদিন আগেই দীর্ঘলাইন দেখা গেছে ব্যাংকগুলোর সামনে। টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ৫০ টাকা; প্রতিটি ব্রাঞ্চ থেকে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে একদিনে ৫০ জনকে টিকিট দেয়া হবে। একজন সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট ছাড়া কেউ টিকিট কিনতে পারবেন না
বিদায়ী টেস্টেও শচীনের ব্যাটে তারুণ্যের ঝলক

বিদায়ী টেস্টেও শচীনের ব্যাটে তারুণ্যের ঝলক

টানা দুই যুগ ধরে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন শাচীন টেন্ডুলকার। শেষ বেলায় এসেও ব্যতিক্রম হলো না তাঁর। বিদায়ী টেস্টেও মুগ্ধতা ছড়ানো ব্যাটিংয়ে করলেন ৭৪ রান।শাচীনের শেষ টেস্ট বলতে কথা। দুদিন ধরে ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনা কেবল তাকে নিয়েই। শেষ টেস্টে কেমন করেন শাচীন, তা নিয়ে আগ্রহের শেষ ছিল না কারও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম দিনে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকা শচীনের আরেকটি সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছিলেন ভক্তরা। দ্বিতীয় দিনেও খেলছিলেন দুর্দান্ত। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭৪ রানে দিউনারায়নের লাফিয়ে ওঠা বলে স্লিপে স্যামির হাতে ধরা পড়ায় সে স্বপ্ন সফল হয়নি। কিন্তু দুই যুগ ধরে আনন্দ দিয়ে আসা এই ব্যাটিং বিষ্ময়কে অভিবাদনে ভাসাতে ভুল করেনি দর্শকরা। যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন, ততক্ষণ তো বটেই থেকে ড্রেসিং ফেরার পুরোটা পথ দর্শক আর ক্যামেরার চোখ ছিল শাচীনকে ঘিরেই। উৎস- ইন্ডিপেনডেন্ট
ইন্ডিয়ান ওপেন গলফে চ্যাম্পিয়ন হলেন সিদ্দিকুর

ইন্ডিয়ান ওপেন গলফে চ্যাম্পিয়ন হলেন সিদ্দিকুর

নিজস্ব প্রতিনিধি হিরো ইন্ডিয়ান ওপেনের শিরোপা জিতলেন বাংলাদেশের গলফার সিদ্দিকুর রহমান। চতুর্থ রাউন্ডে পারের চেয়ে ১৪ শট কম খেলেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশি গলফার হিসেবে দ্বিতীয় বারের মত এশিয়ান ট্যুরের শিরোপা জিতলেন সিদ্দিকুর। প্রথম রাউন্ড থেকেই শীর্ষে ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান। দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাউন্ডেও ধরে রাখেন শীর্ষস্থান। চ্যাম্পিয়ন হবার লক্ষ্যেই শেষ রাউন্ড শুরু করেছিলেন তিনি। শেষ রাউন্ডে কখনো পারের সমান, কখনো পারের চেয়ে বেশি শট খেলেছেন তিনি। দ্বিতীয় ও পঞ্চম হোলে বার্ডি করেন তিনি। তবে ষষ্ঠ হোলে এসে বোগি করেন তিনি। বোগি হয় নবম, দশম এবং একাদশ হলেও। টানা তিনটি বোগির পরই খেলায় ফিরে আসেন দেশসেরা এই গলফার। ১৩ ও ১৪ নম্বর হোলে পারের চেয়ে এক শট কম খেলেন। এরপর আবার চ্যাম্পিয়ন হবার পথ কঠিন করে ফেলেন ১৫ তম হোলে পারের চেয়ে তিন শট বেশি খেলে। ১৬ তম হোলে আবার বোগি। এ সময় তাঁকে ছুয়ে ফেলেন আরো তিনজন গলফার।১
লড়াই করে হারল টাইগাররা

লড়াই করে হারল টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিনিধি একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ১৫ রানে হারলো স্বাগতিক টাইগার বাহিনী। ২০৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৮৯ রান। ব্যাটিংয়ে ঝড়ো সূচনা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে মিডল অর্ডারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ম্যাচের মাঝপথে জয়ের আশা জাগিয়ে তুলে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে। বিশেষ করে মুশফিক-নাসির-রিয়াদ ও নাঈমের ব্যাটে ভর করে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। এর মধ্যে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি পান অধিনায়কক মুশফিকুর রহিম। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২০৪ রান করে নিউ জিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান কলিন মুনরো। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যান্টন ডেভসিচ করেন ৫৯ রান। বাংলাদেশের পক্ষে আল আমীন হোসেন ২টি এবং আব্দুর রাজ্জাক, সোহাগ গাজী ও জিয়
নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ৩-০ তে হোয়াইট ওয়াশ করলো বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রস টেইলরের সেঞ্চুরিতে  বাংলাদেশকে ৩০৮ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় ব্ল্যাক ক্যাপরা। জবাবে শামসুর রহমানের ৯৬ ও নাঈম-নাসিরের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ৪ বল বাকি থাকতেই জয় পায় টাইগাররা।কতো তারা টাইগার স্কোয়াডে। কখনও গাজী, কখনও মুশফিক আবার কখনও বা মুমিনুল। বাংলাওয়াশের পুনরাবৃত্তির দিনে নায়ক নতুন তারা শামসুর রহমান শুভ। শুভর শুরু করা কাজের সফল ইতি টেনেছেন নাঈম ইসলাম আর  নাসির হোসেন । মুশফিকের দল ৩-০ ব্যবধানেই জিতলো সিরিজ।লক্ষ্য ছিল ৩০৮। একদিনের ক্রিকেটে ৩০০ এর ওপর যে কোন স্কোর চেজ করাই কঠিন কাজ। ৬১ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপে শামসুর রহমান আর জিয়াউর রহমান জানান দিলেন ফতুল্লায় রচিত হতে যাচ্ছে বাংলাওয়াশের দ্বিতীয় অধ্যায়। ওডিআই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসেই দ্যুতি ছড়ালেন শুভ। এগুচ্ছিলেন ম্যাজিক ফিগারের দিকে।