Friday, July 12Welcome khabarica24 Online

কবিতা ও গল্প

লেখালেখির ক্ষেত্রে পাঠকের ভালোবাসা সবচেয়ে বড় পুরষ্কার : মীনা উজ্জ্বল

লেখালেখির ক্ষেত্রে পাঠকের ভালোবাসা সবচেয়ে বড় পুরষ্কার : মীনা উজ্জ্বল

কবি মীনা উজ্জ্বল। জন্ম ১৯৭৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলে। বাবা আওলাদ হোসের, মা রওশন আরা বেগম। ৪ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বড়। পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশনে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ৯ বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে গাজীপুরে একটি প্রফেশনাল অনার্স কলেজে (চীফ অব এডমিন, বিআইএসটি) দায়িত্বরত। সম্প্রতি তিনি কথা বলেন বইমেলা, নতুন বই ও তার লেখালেখি নিয়ে- কথা বলেন পাক্ষিক খবরিকা বার্তা সম্পাদক ইমাম হোসেন এর সাথে। সাহিত্যে এলেন কেন এবং কিভাবে? মীনা ঃ সাহিত্য কেউ তো পরিকল্পনা করে আসেনা, আমিও আসিনি। তবে সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রীতি এবং সাহিত্যের প্রতি একটু বেশি টান ছিল সব সময়। গত বছর কয়েক আগে হঠাৎ বিশেষ একটি আহ্বান হতেই জেগে উঠি আমি ভিন্নরূপে, কলম হাতে তুলে নিই সাহসীকতায় এবং সকলের উৎসাহে প্রেরনায় এগিয়ে চলছি। মেলায় এবার কী বই আসছে? মীনাঃ আমার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'শয্
২০১১ সালে ঘটে যাওয়া মীরসরাই ট্রাজেডী অবলম্বনে রচিত গল্প ‌‌‌‍‍‌‌‌‌”স্বপ্নভঙ্গ”

২০১১ সালে ঘটে যাওয়া মীরসরাই ট্রাজেডী অবলম্বনে রচিত গল্প ‌‌‌‍‍‌‌‌‌”স্বপ্নভঙ্গ”

ইমরান হোসেন সোহান, অনার্স, গনিত বিভাগ। ফেনী সরকারী কলেজ। বাবা, ভাত খেয়ে নাও, কথাটা শুনতেই মাথা উঠায় জমির শেখ। মিশুক নাকি রে... বলেই আবার নিজের কাজে মন দে সে। কিছুক্ষন পর আলের পানিতে হাত দুয়ে বলে, দে, ভাত। মিশুক নিজের হাতে থাকা বাসন টা বাবাকে এগিয়ে দেয়। বাবা ভাত খাচ্ছে আর ছেলে অপলক দৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকিয়ে আছে। বাবা ছেলের এমন চাহনি সত্যিই দেখার মতো। কিরে, তুই খেয়েছিস? হুম বাবা, আমি খেয়েছি। তোর মা খেয়েছে? হুম মা ও খেয়েছে। তো স্কুলে যাবি না আজ? আজ বাবা আমাদের স্কুলের সাথে মীরসরাই পাইলট স্কুলের খেলা আছে। পরক্ষনেই মিশুক আবার বলে, বাবা তুমি মা কে বলো না আমিও খেলা দেখতে যাবো। আমাদের স্কুলের সবাই যাবে। আচ্ছা, আচ্ছা আমি তোর মাকে বলবো। বাবার মুখে কাথাটা শুনা মাত্রই মিশুক বাবার হাত থেকে বাসন টা নিয়েই ভোঁ দৌড় দিল সবুজ ক্ষেতের মাঝখান দিয়ে। যেন হরিণ শাবক ছাড়া পেয়ে দুর-দুরান্তে থাকা তার মায়
নিজেকে সময় দেয়া খুব প্রয়োজন

নিজেকে সময় দেয়া খুব প্রয়োজন

  প্রযুক্তি যতো এগিয়ে যাচ্ছে, ততোই বেড়ে যাচ্ছে আমাদের ব্যাস্ততা। জীবন মানেই এখন এক অন্তহীন মাঠে দৌঁড় প্রতিযোগীতা, টিকে থাকার এক কঠিন লড়াই। সংগ্রামময় জীবনে টিকে থাকার জন্য দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে একদিন হুট করেই পৃথিবী থেকে চলে যাই আমরা। জীবনের এই ছোট্ট পরিসরে আমরা কতভাবে সময় পার করি, কতকিছু নিয়ে ব্যাস্ত থাকি, কখনো পড়াশুনা নিয়ে, কখনো চাকরী নিয়ে, কখনোবা সামাজিকতা রক্ষার ক্ষেত্রে। এতকিছুর ভীড়ে নিজেকে দেওয়ার মতো সময় আমাদের প্রায় কারোই হয়ে ওঠেনা। অথচ আমরা নিজেরাই তো আমাদের সবচেয়ে আপন তাইনা? তাহলে কেন নিজেদের প্রতি এই অবহেলা? একবার ভেবে দেখুন তো, সপ্তাহে অন্তত একটা দিন কিছু সময়ের জন্য হলেও শুধু নিজেকে নিয়ে ভেবেছেন, শুধু নিজেকে সময় দিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষের উত্তর হবে- না। প্রকৃতি যেমন তার ওপর বিরূপ আচরন করার জন্য প্রতিশোধ নেয়, আমাদের শরীরও অবহেলা সহ্য করতে করতে একসময় চরম প্রতিশোধ নেয়। নিজেকে সম
মেয়েটা যেন হঠাৎ করেই অনেকটা বড় হয়ে যায়

মেয়েটা যেন হঠাৎ করেই অনেকটা বড় হয়ে যায়

একটা মেয়ে সাধারনত নিজের বিয়েতে বা গাঁয়ে হলুদে মোটামুটি হাসিখুশি ভাবেই সবার সাথে কথা বলে। কারন তাকে বলতে হয়। মন খারাপ করে থাকলে মানুষ ভাবে- হয়তো পছন্দের মানুষের সাথে বিয়ে হয়নি বা বর পছন্দ হয়নি তাই মন খারাপ। আবার বেশি হাসলেও বেহায়া ভাবে। এসব নেগেটিভ কথার হাত থেকে বাঁচার জন্য ঠোঁটে কৃত্রিম একটা হাসি ঝুলিয়ে রাখে বিয়ের কনেরা। কিন্তু কেও কি বোঝার চেষ্টা করে বিয়ের দিন একটা মেয়ের বুকের ভেতর কতটা ঝড় বয়ে যায়? হলুদের স্টেজে খেলার পুতুলের মতো বসে থেকে সেই ছোট্টবেলার খেলার সাথী টাকে খোঁজে, যার সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেড় ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মেয়েটার খুব ইচ্ছে করে, সেই খেলার সাথীটা এসে যদি গাঁয়ে একটু হলুদ মেখে দিতো! গাঁয়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আনন্দে মেতে থাকে সবাই আর মেয়েটা ভাবে তাকে এই আনন্দ উৎসব ছেড়ে চলে যেতে হবে এক অচেনা ভূবনে, যেখানে এই কাছের মানুষগুলো থাকবেনা। বিয়ের দিন ঘরের প্রতিটা কো
সব দায় কি কেবল মেয়েদের?

সব দায় কি কেবল মেয়েদের?

সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত চিরকাল সবকিছু থেকে মেয়েদের দমিয়ে রাখা হয়েছে। যা কিছু খারাপ হোক, সব দোষ গিয়ে পড়ে মেয়েদের কাঁধে। আর মেয়েরা ভাল কিছু করলেও সমাজে তার মূল্যায়ন নেই। বরং মেয়েরা ভাল কিছু করতে চাইলে সমাজ বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়, সমাজের মানুষেরা টেনে হিঁচড়ে নিচে নামাতে চেষ্টা করে তাদের। একটা মেয়ে যখন ধর্ষনের শিকার হয়, মেয়েটাকে ধর্ষিতা উপাধি দেওয়া হয়। ধর্ষনের জন্য সমাজের অনেক বড় একটা অংশ মেয়েটাকেই দায়ী করে। কিন্তু কোনো মেয়ে কি ইচ্ছে করে ধর্ষিতা হতে চায়? কোনো মেয়ে কি এভাবে নিজের সর্বনাশ ডেকে আনে? বড় হয়ে শুনেছি, সব দোষ সব কলঙ্ক মেয়েদেরই হয়, ছেলেদের গায়ে কোনো কাদা লাগেনা। কিন্তু কেন! পুরুষশাসিত সমাজ বলে? যদি তাই হয়, তাহলে এমন পুরুষ শাসিত সমাজ আমি চাইনা। একটা গণতান্ত্রিক সমাজ চাই আমি, যেখানে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা হবে। আবার, একটা মেয়ে যখন পতিতালয়ে থাকে, তাকে বেশ্যা বলে গালি দেই আমরা, সমাজের আট দশট
প্রকাশিত হলো মীনা উজ্জ্বলের কবিতার বই ‘‘আলতা রঙের নিষিদ্ধ দাগ’’

প্রকাশিত হলো মীনা উজ্জ্বলের কবিতার বই ‘‘আলতা রঙের নিষিদ্ধ দাগ’’

নিজস্ব প্রতিনধি ঃ এবারের অমর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হলো মীনা উজ্জ্বলের প্রথম একক কবিতার বই আলতা রঙের নিষিদ্ধ দাগ। মীনা উজ্জ্বলের রচিত কব্যগ্রন্থ প্রেম ও প্রকৃতি, বিরহ সহ সমাজের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে মোট ৪৯টি কবিতা রয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারী থেকে অমর একুশের বই মেলার দেশের স্বনামধন্য সূচীপত্র প্রকাশনী (৩৪৮-৩৪৯-৩৫০) স্টলে পাওয়া যাচ্ছে কাব্যগ্রন্থ 'আলতা রঙের নিষিদ্ধ দাগ'। বইটির সৃজনশীল প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন রাগীব আহসান। মীনা উজ্জ্বলের লেখালেখি, সাহিত্য-ক্ষেত্রে পদচারণা বেশি দিনের নয়। এইতো সেদিন (২০১৫ সালে) নিজের কিশোর-পুত্র উল্লাসের লেখা কিছু কবিতা গোপনে পড়ে দেখতে গিয়ে তাকে বকা দেওয়া তো দুরের কথা ,উল্টো নিজেই সন্মোহিত হয়ে গেলেন কবিতার অলঙ্ঘ প্রেমে। আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেলেন কবিতার সঙ্গে, যেন নিজেরই অজান্তে। তারপর নিজের কলমেও মধ্যে বের হয়ে আসতে লাগলো তার মনের অব্যক্ত কথা গুলো। যেগুলো চিন্তা এভাবে প্রক
কবি এম.এ হান্নান কবিতা ”সাহিত্য”

কবি এম.এ হান্নান কবিতা ”সাহিত্য”

সাহিত্য এম.এ হান্নান পথ- ঘাট প্রান্তর সাহিত্য প্রণয়ে ছুটে অন্তর, সাহিত্য প্রাণের একাংশ এ পথে ধ্বংসি হবে ধ্বংস। ছোট- বড় ধনী গরিব এ ভূমিতে হয় না জরিপ, সাহিত্য পৃথিবীর দেওয়া উপহার ঋণী এ বাংলা ; বিশ্ব সংসার।
আবুধাবীতে জাতীয় কবিতা মঞ্চের মহান বিজয় দিবস

আবুধাবীতে জাতীয় কবিতা মঞ্চের মহান বিজয় দিবস

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় কবিতা মঞ্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্যোগে গত শনিবার আবুধাবীর হিলটন হোটেলের বলরুমে বাংলাদেশের ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও আন্তর্জাতিক কবি সম্মেলন উপলক্ষে এক জম জমাট অনুষ্টান মালার আয়োজন করা হয়। আল সুমাইয়া গ্র্রপের চেয়ার ম্যান ও জাতীয় কবিতা মঞ্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান পৃষ্টপোষক ফখরুল ইসলাম খানের সার্বিক ব্যবস্হাপনায় অনুষ্টান মালায় ছিল কবি পরিচিতি, স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি, ক্রেস্ট প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। জাতীয় কবিতা ম্ঞ্চ সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখার সভাপতি কবি মোহাম্মদ মুসার সভাপতিত্বে অনুষ্টান পরিচালনা করেন কবি ওবাইদুল হক ও জানে আলম জাহাঙ্গীর। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রধান কবি ও চিত্র শিল্পী কবিকবি নির্মলেন্দু গুন । প্রধান বক্তা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নন্দিত কথা সাহিত্যিক কবি কাইয়ুম নিজামী, সংযুক্ত আরব আমিরা