Sunday, May 31Welcome khabarica24 Online

কবিতা ও গল্প

চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

চক্রবাক : সিত্তুল মুনা সিদ্দিকা

বর্ণীল দিনগুলোতে প্রাণবন্ত মানুষ, আমরন চলে ছুটে, বিন্দুতে নেই স্থির। অক্লান্ত পরিশ্রম আর মননের স্বাক্ষর হিসেবে একে একে পাওয়া ছোট বড় মেডেল, দামী ক্রেষ্টের চকচকে আভায় বিমুগ্ধ প্রাণ। সযত্নে দেয়াল শোকেসের প্রতিটি তাকে থরে থরে সাজানো সোনালী, রূপোলী ক্রেষ্টের ফাঁকে এখন জমেছে ধুলো। আর চেয়ে দেখেনা কেউ । এতো দামী সম্মাননার চিহ্নগুলো বিলীন হচ্ছে কালের গর্ভে। এমনি করে একদিন সে স্থান দখলে হয়তো আসবে নতুন কিছু ক্রিষ্টালের চকচকে শো-পিস। নেই আজ শুধু সে মানুষটা ! জানালায় হেলান দিয়ে দাঁড়াতেই হঠাৎ চোখ পড়লো সাজানো ক্রেষ্টগুলোতে, সময়ের হাত ধরে আমরা সবাই এ কোন বৃত্তের চক্রবাকে ঘুরছি ! আশেপাশে মহামারির কঠিন ছোবলে চেনা মুখগুলো দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে, দিনান্তে অনেকটাই হতাশ, বিষন্ন মন, কি এক অচেনা ভয়ে উদ্বিগ্ন জীবাত্মা !
খামখেয়ালি : পারমিতা দে

খামখেয়ালি : পারমিতা দে

সন্ধ্যার নিভু আলোয়, শার্শির ওপারে তুমি এসে দাঁড়াও বিষন্ন মুখে. নীরব দৃষ্টিকোণে পড়ে থাকে আকাশ. অচেতন মন পার করে যায় নক্ষত্র থেকে গ্রহাণুপুঞ্জে. তুমি পেতে চাও আগুণ পাখি... দমকা হাওয়ায় ডানা গেছে যার খসে. তারাদের মাঝে রামধনু খোঁজো, অন্ধকারের বুকে. আমি চুপটি করে দাঁড়িয়ে দেখি, খামখেয়ালি তোমার মেজাজ. সুযোগ পেলেই পদ্য লেখো, যে যুবক গা ঢেকেছে নিরুদ্দেশে ।
মনের মানুষ : হামিমা জামিল রুমা

মনের মানুষ : হামিমা জামিল রুমা

কখনো মানুষ যে আপন হয়ে রয় কখনো সে ভুল বুঝে দূরে সরে যায় কখনো সে আপন হয়ে বুকে টেনে নেয় কখনো আবার সে অভিমানে হয় স্বার্থপর। কখনো সে মনগড়া কষ্টে বুক ভাসিয়ে দেয় কখনো আবার সে ভালোবেসে মনটাকে স্থির করে দেয়, কখনো যেনো সে ভুলে যায় কষ্টের কাহিনী কখনো যেনো সে হয়ে যায় মনটার অধিকারীনি। কখনো যেনো সে বন্ধু হয়ে আসে মনের আয়নায় কখনো তা হয়ে উঠে ছলনাময়ী মিথ্যা অভিনয়। কখনোবা আবার সে হয়ে উঠে অতুল ভালোবাসার ঢেউ কখনো সে করে উঠে মনভাঙার সেই নিষ্ঠুর ঝংকার কখনো তা হয়ে রয় ভালোবাসার নিষ্ঠুর আহবান। সে আর কেউ নয় মনের কাছের মানুষটি সেই।।
শুভ সকাল : সোনা মিয়া

শুভ সকাল : সোনা মিয়া

আজকের এই সকালটা আবার ঘুরে আসুক, পৃথিবীর যত মসিবত সব ধুয়ে মুছে যাক, আবার যেন আলোকিত হয় পৃথিবী, আবার যেন মানুষ ফিরে পায় তার সেই প্রশান্তি আবার উদ্দাম গতিতে চলতে পারি যেন মোরা সবাই। পৃথিবী তুমি মোদের শান্তি দাও, তোমার বুকে মোদের নিঃশ্বাস নেয়ার পরিবেশ দাও। পৃথিবীর মানুষ তোমরা এবার বুঝে নাও কেন করছে পৃথিবী এই আচরণ ! আমাদের নানান অশোভন আচরনের জবাব দিচ্ছে আজ এই পৃথিবী ও প্রকৃতি মোরা যেন একটা শান্ত পৃথিবী পাই, প্রকৃতিকে ও শান্ত রাখি আসুন আমরা স্রষ্ঠার কাছে শুধু সবার শান্তি প্রার্থনা করি । ।
বাঁকা চাঁদের আলোয় : মাহবুব পলাশ

বাঁকা চাঁদের আলোয় : মাহবুব পলাশ

বাঁশ বাগানের ওই আঁধার বিদীর্ণ করে তারার মেলায় বাঁকা চাঁদে এলো আলোর নাচন। খোকা হাসে, খুকি হাসে গ্রীস্মের দাবদাহে বেল ও হাসে বুড়ো বুড়ি বেজায় ভারি এমন করোনা খরতাপে। আম, জাম, কাঠালের দেশে কোকিলের কুহুতান আজ দোয়েল টুনির সমস্বরে ঈদ এলো খুশির লাগাম ঝেড়ে।
বিবর্ণ হতাশা : চন্দনা চক্রবর্তী

বিবর্ণ হতাশা : চন্দনা চক্রবর্তী

  সেই সন্ধ্যায়,, বিবর্ণ হতাশা গুলি যখন একটু একটু করে ভেতর টা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, হৃদয় কে করছে রক্তাক্ত দৃষ্টি গুলো হয়ে আসছে ঝাপসা, তুমি তখনও ফিরে চাওনি, শুনতে চাওনি অসহায়ত্বের আর্তনাদ, আহত হৃদয় খানি বার বার বলেছিলো, যেওনা- ওগো যেওনা আমাকে একা করে- স্বল্প ক্ষনের গভীর কষ্টে ডুবে ছিলে তুমি, তাই তো বুঝতে পারোনি, আমার গভীরতা, আমার নিরবতা, হয়তো একদিন ঠিক বুঝবে সেদিন তুমি আমায় খুঁজবে । ।
দাদা নাতির গল্প ( ১)  : সোনা মিয়া

দাদা নাতির গল্প ( ১) : সোনা মিয়া

তখনকার দিনে বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের আসর বসতো।এক বাড়িতে দাদা নাতি দুজনে ছিল, নাতি বিভিন্ন জায়গায় পন্ডিতের শোলক বলত, আর দাদা এটা কে সারমর্ম বুজাইদিতো। পন্ডিতির জন্য ১০ টাকা পেত, দাদা নাতি ৫ টাকা করে নিতো, নাতি বৌউয়ের কাছে যাই গল্প করতো,আজকে আমি এমন ভাবে পন্ডিতি করছি, কালকে বলতো আমি এমন করছি, তখন নাতি বৌ বুদ্ধি দিলো,তোমার দাদাকে টাকার ভাগ দাও কেন,তুমিই তো পন্ডিতি কর, তখন নাতি ঠিক করলো দাদা কে ভাগ দেবো না। অন্য একদিন দাদা কে না নিয়ে,একা চলে গেল। সেখানে যাওয়ার পরে লোকজন জিজ্ঞাসা করল আজকে কি দিয়ে ভাত খেয়েছেন। তখন নাতি বললো আমাদের উঠোনে ইছা গুড়া মাছ পেয়েছি সেটা আমার বৌ রান্না করেছে খেতে খুব মজা হয়েছে। তখন উৎসুক লোক জিজ্ঞাসা করল উঠানে ইছা মাছ পাওয়া যায় কিভাবে। তখন নাতি আর কিছু বলতে পারেনা। তখন লোকজন নাতিকে, একটা গাছের সাথে বেধে রেখে দাদা কে খবর দিলো।দাদা নাতির কথা শুনে যথা সময়ে হাজির
অন্তকাল বেঁচে থেকো  : পারভীন লিয়া

অন্তকাল বেঁচে থেকো : পারভীন লিয়া

সেদিন সন্ধার আধো আলো, আধো আঁধারে সে হাটতে হাটতে মিলিয়ে গেলো। নিজের চিন্তার ভেতরে বেঁচে থাকার অস্থির অচেনা মানুষটা পরিচিত পথ ধরে হয়তো পৌছে যাবে সেই শহরে, নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার গন্তব্যে, বহুক্ষণ আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম, ক্লান্ত পায়ে ধীরে ধীরে একটু সামনে যেতেই আর দেখতে পেলাম না। অস্থির নয়নে অন্ধকারে উকিঝুকি মেরে দেখি মিলিয়ে গেছে অজানায়, আঁধারের যন্ত্রণা লেপটে থাকা পৃথিবীটা আমার সাথে ঠিক আগের মতই দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর যাওয়ার পথে বহু দূর চেয়ে থাকলো জেগে থাকা চোখ, তবুও থামেনি, থামবে না, যেন থামতে নেই। সেই যে গেছে, ব্যাথার বাহানাতে পিছু ফিরে দেখেনি আর একটিবারও। মনে কি পড়েনি তার কষ্ট বহন করা বাহনটি ভেঙ্গে চুরে দুমড়ে যেতে পারে। হয়তো পেরেছে। সেই যে ছুটি নিয়েছিলো তারপর আর দেখা হয়নি, বহু বছর কেটে গেলো, বহু কাল পরে অন্য পথে সে-একটু অন্যভাবে। জানা নেই তার প্রিয় পথের মানুষটি ঠিক আগের মতোই আছে, তাঁর স্বপ্নের