Saturday, November 25Welcome khabarica24 Online

স্মার্টফোনে ৫ কারণে পর্নোগ্রাফি দেখা উচিত নয়

অনেকেই স্মার্টফোনে পর্নোগ্রাফি দেখে থাকেন। তবে পর্নোগ্রাফি দেখার আগে ঝুঁকিগুলো সম্বন্ধে গ্রাহকের সতর্ক হওয়া জরুরী। কেননা স্মার্টফোনে পর্নোগ্রাফি দেখলে তথ্য চুরি, ম্যালওয়্যার সংক্রমণসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই পাঠকদের জন্য স্মার্টফোনে পর্নোগ্রাফি না দেখার ৫টি কারণ তুলে ধরা হলো:

র‌্যানসমওয়্যার

অনলাইনে টাকা দিয়ে যারা পর্নোগ্রাফি দেখেন তাদেরকে প্রতারক চক্র ট্র্যাক করার চেষ্টা করে। এই ধরণের প্রতারণাকে বলে র‌্যানসমওয়্যার। গ্রাহকরা পর্নোগ্রাফি দেখতে কোন অজ্ঞাতনামা ওয়েবসাইটে ঢুকলেই নতুন একটি পপ আপ উইন্ডো স্ক্রিনে আবির্ভূত হয়। এই স্ক্রিন কম্পিউটার লক করে দিতে সক্ষম। পরবর্তীতে অনলাইনের মাধ্যমে টাকা না দিলে গ্রাহক কম্পিউটারে প্রবেশ করার জন্য পাসওয়ার্ড পান না। স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও একটি পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন গ্রাহকরা। তাছাড়া টাকা দিলেই যে আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোন আনলক হয়ে যাবে এমনটা নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে অনেক সতর্ক থাকতে হবে।

শিশু পর্নোগ্রাফি

অনলাইনে শিশু পর্নোগ্রাফি দেখা বিপজ্জনক। কেননা হ্যাকররা খুব সহজে এসব পর্নোগ্রাফি গ্রাহকের স্টোরেজে দিয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে শিশু পর্নোগ্রাফি রাখার দায়ে জেল হয়ে যেতে পারে। আর স্মার্টফোনে এ ধরণের কন্টেন্ট থাকলে খুব সহজেই আপনাকে ট্রাক করতে পারবে পুলিশ।

অনলাইন হ্যাকিং

অনলাইনে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা প্রতিদিন গ্রাহকদের ট্রাকিং করে থাকে। ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে তারা জানার চেষ্টা করে আপনি কী ধরণের বিজ্ঞাপন দেখতে পছন্দ করেন। বেশিরভাগ গ্রাহকই নিজের স্মার্টফোনের সাথে ব্যাঙ্কিং সার্ভিস, ইমেইল আইডি সিঙ্ক করে থাকে। সাইবার অপরাধীরা খুব সহজে মোবাইল লগ ইনের মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে নিতে পারে। কুকিজ ডিলেট এবং প্রাইভেট ব্রাউজিং অপ্টিং করার মাধ্যমে অনলাইনে হ্যাকিং প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রেও ঝুঁকি থেকে যায়।

অপ্রয়োজনীয় পেইড সার্ভিস

পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটগুলো প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন পেইড সার্ভিস খুলে থাকে। পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট ঢুকতে গিয়ে মোবাইল গ্রাহকদের অজান্তেই এসএমএস, প্রিমিয়াম এসএমএস, ডব্লিইএপি, লোকেশনসহ অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস চালু হয়ে যায়। আর এসব সার্ভিস চালু হওয়ার মাধ্যমে টাকা আয় করে সাইটগুলো। সেক্ষেত্রে যেকোন মুহূর্তে এসব সাইট চালুর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

পর্ন টিকার

শুধুমাত্র সার্ভিস প্রোভাইডারই নয়, অ্যাপ এবং ব্রাউজার যারা ট্রাকিং করছেন তারাও আপনার মোবাইল অ্যাক্টিভিটি নজরে রাখছে। এটি গ্রাহকের নিরাপত্তায় ঝুঁকিপূর্ণ। স্মার্টফোনে পর্ন দেখার সময় পর্ন টিকারস বা ভুয়া মোবাইল অ্যাপ চলে আসতে পারে। গেমিং অ্যাপ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য বা বিনোদন যেকোন ধরণের অ্যাপই স্মার্টফোনে চলে আসতে পারে। এসব অ্যাপ গ্রাহকের ব্যক্তিগত এবং মূল্যবান তথ্য চুরি করে থাকে।

সূত্র: জি নিউজ