বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

লঘুচাপে অসময়ে কালবৈশাখী

মৌসুম শুরু না হলেও রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা কালবৈশাখী ছিলো বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তবে চলতি সপ্তাহে আর কোনো বড় ধরনের ঝড়ের তেমন সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া অধিদফদর জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনগত শেষরাতে এবং সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেশের কোথাও কোথাও হঠাৎ কালবৈশাখী হানা দিয়েছে। অনেক স্থানে শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড়ও হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়ার এই গতি প্রকৃতির কারণে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত  পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এ সময় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার থাকবে। তবে এটি অস্থায়ীভাবে বেড়ে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

এদিকে রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ‍খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

অধিদফতর আরো জানিয়েছে, রোববার রাতে দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে টাঙ্গাইলে। কালবৈশাখীর আঘাতে অনেকস্থানেই বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়েছে। ঝরে গেছে আমের মুকুল।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, কালবৈশাখীর মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। তবে আজ যেটা হয়েছে, সেটা কালবৈশাখী ঝড়। এ সপ্তাহে আর কালবৈশাখীর সম্ভাবনা না থাকলে এখন দু’একদিন পরপরই এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা