Monday, September 24Welcome khabarica24 Online

রেমিটেন্স প্রবাহে সৌদি আরবের পর দুবাইয়ের অবস্থান

কামরুল হাসান জনি :

ra
প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরিত রেমিটেন্সের দিক থেকে বর্তমানে সৌদি আরবের পর দুবাইয়ের অবস্থান। কর্মাসিয়াল কাউন্সিলের হিসেব অনুযায়ী এ বছর দুবাই থেকে বাংলাদেশে ২.৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিটেন্স প্রেরণ করা হয়েছে। গতবছর যার পরিমাণ ছিল ২.৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার। ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতিনিয়ত দেশে অর্থ প্রেরণ করলেও এর সিংহ ভাগ আসে ব্যবসা-বাণিজ্য খাত থেকে। তথ্য সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দুবাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের চার হাজার ছোট বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও দেড় হাজার এলএলসি লাইন্সেসধারী প্রতিষ্ঠান এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। কিন্তু বিমানে জায়গা সংকুলানের কারণে দেশ থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উৎসাহ হারাচ্ছে। যার কারণে লাভের গতি অতি মন্থর। তবুও ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে ব্যবসায় সফল হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন দুবাইয়ে নিযুক্ত কনস্যুলেটের কর্মাসিয়াল কনস্যাল ড. মাহমুদুল হক।

ড. মাহমুদুল হক  জানান, ব্যবসায়ীদের পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিমান থেকে আরো সুযোগ-সুবিধা বাড়ালে বাণিজ্য খাতে দ্বিগুণ পরিমাণ রেমিটেন্স আয় করা সম্ভব হবে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। দুবাইয়ের সাথে এক্সপো ২০২০ ভিশনে একমত পোষণ করায় বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধির পথ আরো সুগম হবে বলেও জানান তিনি। দুবাই প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শিবলী আল সাদিক  জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে পূর্বে আরব আমিরাতে ভ্রমণ ভিসা দেয়া হতো কিন্তু এখন এতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই সৃষ্ট সমস্যায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের নিজস্ব কাজে যাতায়াত অসুবিধায় অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিমান কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসলে প্রবাসীরা অর্থনীতি আরো অধিক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। বিমান পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল জামাল উদ্দিন আহমেদ (অবঃ) বলেন, বিমানের সার্ভিস দুবাই টু বাংলাদেশ আগের সাথে তুলনা করলে দেখবেন অনেক উন্নতি হয়েছে। সবার সহযোগিতা থাকলে বিমান আরো অধিক লাভের মুখ দেখবে।

Leave a Reply