Wednesday, November 14Welcome khabarica24 Online

মীরসরাইতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অসহায় বিধবার জমি দখল

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ মীরসরাইতে উপজেলার ভূমি বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মচারী কর্তৃক এতিম বিধবার বিতর্কিত জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা স্বত্বে ও জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা সদরের পিতামাতা ও স্বামীহীন অসহায় সাহেদা আক্তার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অবশিষ্ট সম্পদ একখন্ড জমি অসাধূ ভূমি কর্মকর্তাদের দ্বারা বেখল হয়ে যাওয়া থেকে রা করতে প্রাণান্তর চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম যুগ্ম জেলা জর্জ কোর্টে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে আদালতের যুগ্ম জর্জ ২য় আদালত ১৬৩৭-৩৯ স্মারক আদেশে উক্ত জমিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু ভূমি অফিসের কর্মচারীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞার সাইনবোর্ডটি প্রকাশ্যে উপড়ে ফেলে দেয়। যা আদালত অবমাননায় গন্য বলে সাহেদা বেগম স্থানীয় সাংবাদিকদের কলম সহযোগিতা প্রার্থনা করেন। উপজেলা বিএনপি অফিস ও উপজেলা শিক্ষা অফিস নিকট¯’ ¯’ানে নতুন সৃজিত বিএস নং-৮, বিএস দাগ নং- ৫৬০৬৮, আর এস দাগ ১৫৫৪৮ এর  ৩০ শতক ও বিএনপি অফিস সংলগ্ন ২০ শতক জমি সর্বশেষ ভূমি জরিপে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু অসাধু ভূমি কর্মচারী সার্ভেয়ার মিরসরাই থানা প্রশিন উন্নয়ন কেন্দ্র ও মিরসরাই শিা বিভাগের নামে জরিপ করে নামজারি করে নেয়। অথচ উক্ত জমি কবলা ও রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল মোতাবেক সাহেদা খাতুন তার নানু নুর খাতুন এর কোন ওয়ারিশ না থাকায় হেবাদানপত্রে মালিক। নুর খাতুন ও তার পিতা আব্দুস সাত্তার থেকে ওয়ারিশ সূত্রে মালিক ছিলেন। তাদের শতাধিক বছরের পৈত্রিক আদি নিবাস এই মিরসরাই সদর¯’ বর্তমান বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন নিবাসে। সেখানে আজ সাহেদা খাতুন একটি ভাঙ্গাচোরা কাঁচা ঘরে মানবেতর ভাবেই দিনাতিপাত করছে।  অথচ উপজেলা সদরে বিভিন্ন সেবামূলক কাজে এই পরিবারের পূর্বসূরীদের নানা অংশগ্রহন ও ছিল। কিন্তু বর্তমানে নিজের অবশিষ্ট আছে এই ভূমিটুকুন সাহেদা খাতুনের নিজের পুত্র সন্তান বা তার পক্ষে প্রভাবশালী কেউ না থাকায় জোরগলায় পারছেন না প্রতিবাদ করতে। আর এই অসহায়ত্বের সূযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধূ ভূমি কর্মচারী। ঠিক এভাবে উপজেলা সদরে একজনের ভূমি আরেকজনের নামে জরিপ দেখিয়ে অনেক মানুষ থেকে টাকা হাতিয়ে নেবার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সাহেদা খাতুনের এই শেষ সম্বল রক্ষায় আদালতের শরনাপন্ন হবার পর ও হ”েছ না শেষ রা, আদালত উক্ত জমিতে নিষেধাজ্ঞা জারির নোটিশ সকল পকে প্রদান করলে সাহেদা বেগম এর জামাতা তৌহিদুল হক সেখানে আদালতের নিষেধাজ্ঞার একটি নোটিশ লাগিয়ে দিলে উক্ত মৌজাধীন আবুতোরাব ভূমি অফিসের কর্মচারি আনিছুর রহমান গত ১১ আগষ্ট তা উপড়ে ফেলে দেয়। এই বিষয়ে গতকাল উপজেলার সহকারি কমিশনার ভূমি ফজলে এলাহী অলি এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয়টি শুনেছি তবে আদালতের কোন চিঠি পাইনি। তিনি স্বীকার করেন যে বিতর্কিত জমি বলে আমরা ও জমিতে যাচ্ছি না। আবার সাইনবোর্ড ফেলে দেবার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন আদালত তো সাইনবোর্ড লাগাতে বলেন নি। আবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন বলেন আমার জানা মতে জমিটি উপজেলা পরিষদের। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তাঁর জানা নেই বলেন তিনি। উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসার গোলাম রহমান চৌধুরী এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ও একটি আদালত নিশেধাজ্ঞার সাইনবোর্ড দেখেছিলাম, আজ দেখছি নেই। এদিকে চট্টগ্রাম জর্জকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত সকল নোটিশ ও প্রাপ্তি কপি সাহেদা খাতুন সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করে।