শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর আবেদন আমাদের ‘মা’ কে বাঁচান

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বর্ষা রাণী দাশ মীরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী, পুত্র অপু দাশ মারুফ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। ভাইবোনের পড়ার খরচ চালাচ্ছে দরিদ্র খেটেখাওয়া নানা মীরসরাই কলেজ রোডের ধোপা চন্দন । মা’য়ের চিকিৎসার খরচ দিতে পারছে না বলে বাবা ও মাকে সহ ভাই বোনকে রেখে গেছে নানার বাড়িতে। কিশোরী বর্ষা রাণী আর শিশু অপুর কান্না আমাদের মা কি পায়ে ক্যান্সারের জীবানু নিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে। শুধুমাত্র ৭ লক্ষ টাকার জন্যই আমরা আমাদের একমাত্র হাসি মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত হবো ?

এই সমাজে তো অনেক দানশীল মানুষ এখনো আছে। এখনো আছে মানবতার পাশে দাঁড়ানোর সামর্থবান অনেকে। যাঁদের একটু সহানুভূতি, একটু সহযোগিতায় জীবন ফিরে পাবে ক্যান্সার আক্রান্ত সম্পা রাণী জীবন। না হয় থমকে দাড়াবে একটি জীবন একটি পরিবার একটি স্বপ্ন। সম্পা রাণী দাশ মীরসরাই পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের চন্দন কুমার দাসের মেয়ে। তিনি বিগত ৫ বছর ব্যাপী ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ইতিমধ্যে ভারতের কলকাতা ঠাকুর পুকুর ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে চিকিৎসার টাকার অভাবে ফিরে আসতে হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভারতীয় টাকায় ৫ লক্ষ টাকা জোগাড় করে নিয়ে যেতে। যা বাংলাদেশের ৬ লক্ষ টাকার মতো। সম্পা রাণীর মেয়ে বর্ষা ও পুত্র অপু অশ্রুসিক্ত নয়নে বলে নানাভাই যদি পড়ালিখা না চালায় পড়াই বন্ধ হয়ে যেত। এখন মায়ের চিকিৎসা কি করে হবে। নানা চন্দন দাশ বলেন ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই আমার । এক টুকরো জমি থাকলে তা ও বিক্রি করে দিতাম। সমাজের হৃদয়বান, বিত্তশালী ব্যাক্তিরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে আমার নাতি নাতিন এর ভাগ্যে তাদের মায়ের জীবন ফিরে পাওয়া সম্ভব। যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করলে ও দশের সাহায্যে টাকা জোগাড় হলে চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে এই দরিদ্র দুই সন্তানের মায়ের। কে কতো টাকা সহযোগিতা করলো তার হিসেব ও খবরিকার অনলাইনে এবং পত্রিকায় পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবার ঘোষনা দেন খবরিকা পরিবার।

সাহায্য পাঠানো ঠিকানা ঃ

ইসলামী ব্যাংক মীরসরাই শাখাঃ ২০৫০৩২৬০২০১০৫৭৮০১

বিকাশ নম্বর ঃ রাজিব কুমার দাশ (ভাই) ০১৮১১৮৮০৯৪৫ (পার্সোনাল)।