মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তজার্তিক মানের শিক্ষা অর্জন করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

image_66603.www.newsbd.net_47
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে সকল শিক্ষার্থীকে জ্ঞান ও দক্ষতায় আন্তজার্তিক মানের শিক্ষা অর্জন করতে হবে।শিক্ষামন্ত্রী আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় উর্ত্তীণ কৃতি শিক্ষার্থীদের (সদস্য সন্তান) সংবর্ধনা এবং বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। অনুষ্ঠানে ২৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সন্মাননা পত্র, ক্রেস্ট ও দুই হাজার টাকা মূল্যমানের বৃত্তি দেওয়া হয়। এই আয়োজনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।ডিআরইউ সভাপতি শাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।ডিআরইউ সাংগঠনিক সম্পাদক মুরসালিন নোমানীর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, যুগ্ম-সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আশরাফুল ইসলামসহ সিদ্দিকুর রহমান, মশিউর রহমান, এম বদিউজ্জামান, এএনএম কুদরাত-ই-খুদা, হারুন জামিল, সুরাইয়া মুন্নী, কৃতি শিক্ষার্থী তাসনিমে জান্নাত রিফা, জুলকারনাইন করিম ও তাবাস্সুম মোস্তফা অথৈ বক্তৃতা করেন।নুরুল ইসলাম নাহিদ তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে বলেন, তোমরা তোমাদের মা-বাবার কাছে স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানবে। ইতিহাসবিদরা বই-পুস্তকে যা লিখেছেন তোমরা তা জানবে-পড়বে। তাহলেই প্রকৃত সত্যটা জানবে। কারণ ইতিহাসবিদরা বই-পুস্তকে প্রকৃত ঘটনাই লিখেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বর্তমান শিক্ষার মানকে বাড়িয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যাওয়াই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ মন্তব্য করে বলেন, স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা অনেকটা সফল হতে সক্ষম হয়েছি। এখন এটিকে বিশ্বমান করারই বড় চ্যালেঞ্জ।তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে শেখার চেষ্টা করি। তাদের অনুভূতি নিতে চাই। তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানতে চাই। শিক্ষার্থীদের মতামতগুলো দাফতারিক কাজে লাগাতে চাই।’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, অনেক প্রতিযোগিতায় করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হয়। এই প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিশু বয়স থেকেই নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীরা হলো নাজিম মাহ্মুদ মাসুদ, এম মাহীউজ্জামান (শাওন), সিনতাহিনা অপ্সরা, আরাফাত রহমান, মাফি মাফরুহিন হাসান. সাফওয়ান উদ্দিন আহমেদ.শেখ রফিক বিন তারিক. আনিকা বুশরা. অশীন বিনতে জামাল. জুলকার নাঈন করিম. আবীর শাহাদাৎ পূরব. মুহসীন রেজা. শাফকাত রাফিদ মিল্কী. আলী আব্দুল্লাহ তাসভীর সরকার. জারিফ তাজওয়ার রহমান. রাফসান রাফিদ খলিলী. কাজী আসিফুর রহমান ও কান্তা মাহজাবীন।জেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীরা হলো মাহফুজুর রহমান. তাবাস্সুম মোস্তফা অথৈ. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন. তাসনিমে জান্নাত রিফা. মুনতাসির রহমান সাজিদ. রাফসান জানি জিসান. ইসমত হাসনাইন মাশরুর-ই-খুদা. সুস্মীতা সাগর দীপ্তি ও আহনাফ ইনতিসার অয়ন।