সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

খালেদা জিয়ার মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ এপ্রিল

image_194745.khaladazi
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিলে খালেদা জিয়ার করা আবেদন নথিভুক্ত করে মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৫ই এপ্রিল নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত। তবে এই সময়ে খালেদা জিয়ার পরোয়ানার বিষয়ে কি হবে এ বিষয়ে আদালতের কোন নির্দেশনা না থাকলেও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানিয়েছেন যেহেতু আবেদন নথিভুক্ত করা হয়েছে তাই যাবতীয় কার্যক্রম পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। তবে সরকার পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বহাল আছে। বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত কয়েকটি আবেদনের ওপর খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলীরা শুনানিতে অংশ নেন। পক্ষে-বিপক্ষে শুনানি গ্রহণ শেষে বিচারক খালেদা জিয়ার আবেদনগুলো নথিভুক্ত করে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে দেন। আদালতের কার্যক্রম শেষ হলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, দুই মামলায় আমরা ৬টি পিটিশন করেছিলাম। আমরা আদালতকে বলেছি চার কারণে খালেদা জিয়া হাজির হতে পারেননি। আমরা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করার আবেদন করেছিলাম। আদালত এ আবেদন নথিভুক্ত করে তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এমন অবস্থায় এ মামলার যাবতীয় বিষয় স্থিতাবস্থায় থাকবে। এছাড়া এ মামলা করা একটি আবেদনের বিষয়ে আগামীকাল উচ্চ আদালতে শুনানি হবে। এ বিষয়টিও আমরা আদালতে উপস্থাপন করেছি। বোধহয় আদালত সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  দুদকের আইনজীবী এডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার পক্ষে করা আবেদন গ্রহণ বা নামঞ্জুর কোনটিই হয়নি। তা নথিভুক্ত করে রেখেছেন। এ অবস্থায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা বহাল আছে কিনা এমন প্রশ্নে কাজল বলেন, তা বহাল আছে। তিনি যে কোন সময় চাইলে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। আবার গ্রেপ্তারও হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আমি পরবর্তী শুনানির পর বিস্তারিত বলতে পারবো। এক প্রশ্নের জবাবে কাজল বলেন, যেহেতু খালেদা জিয়া হাজির হননি তাই তার পক্ষে আইনজীবীদের কথা বলার সুযোগ ছিল না। তারপরও সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত হওয়ায় আদালত তাদের বক্তব্য শুনেছেন।