শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাওয়ে বাধা

3_218339

 

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা। তবে পুলিশি বাধার কারণে তারা কার্যালয়ের কিছুটা দূরে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরের কাছ থেকে মিছিল নিয়ে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হয় তারা। পুলিশ তিন দফায় মিছিলটি আটকানোর চেষ্টা চালায়। তবে মিছিলকারীদের তুলনায় পুলিশের উপস্থিতি ছিল কম।গুলশানের ৯১ নম্বর সড়ক, ৮৬ নম্বর সড়ক ও সর্বশেষ খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে ৩০-৪০ গজ দূরত্বে মিছিলটি আটকাতে সক্ষম হয় পুলিশ। শ্রমিক লীগের মিছিলকারীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘অবৈধ হরতাল-অবরোধ মানি না, মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের দাবি জানান। বেলা দেড়টার দিকে তারা ঘেরাও কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ বলেন, পরবর্তী কর্মসূচির ব্যাপারে রাতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ ও সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এ মিছিল বের করা হয়। জাতীয় শ্রমিক লীগের পাশাপাশি বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ, ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী লীগ ও যুব উন্নয়ন অধিদফতর শ্রমিক-কর্মচারী লীগসহ কয়েকটি সংগঠন এ কর্মসূচিতে অংশ নেয়।এ সময় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেন, হরতাল-অবরোধ বন্ধ করা না হলে শুধু আপনার কার্যালয়ই নয়, আপনার বাসভবনও ঘেরাও করে অবস্থান নেবেন শ্রমিকরা। তিনি বলেন, ‘আপনি (খালেদা জিয়া) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি অগ্নিদগ্ধদের যন্ত্রণা বুঝতে শিখুন। জনগণের কাতারে নেমে আসুন। কারণ জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে- আপনি সরকারি দলে থাকবেন নাকি বিরোধী দলে থাকবেন।’এদিকে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গুলশান কার্যালয়ের ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও দুর্বল রয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে কার্যালয়ের মূল গেটের সামনে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেজিস্টার খাতা খোলা হয়েছে। কার্যালয়ের ভেতরে যারা প্রবেশ করছেন তাদের তথ্য খাতায় লিপিবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। আবার অনেক সময় খাতায় নাম রেজিস্ট্রি করে যেতে চাইলেও অনেককে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।